ধোনিকে তীব্র আক্রমণ শেবাগের

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০১৯, ১১:৩৩ | অনলাইন সংস্করণ

  স্পোর্টস ডেস্ক

চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) জয়রথ ছুটছেই। রোববার কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে দলটি। ৮ ম্যাচে ৭ জয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। তবে আলোচনায় ঘুরে ফিরে মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাকে তীব্র আক্রমণ করেছেন সাবেক ভারথীয় ওপেনার বীরেন্দ্র শেবাগ।

রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে আম্পায়ারের সঙ্গে তর্ক জুড়ে বিতর্কের আগুন উস্কে দিয়েছেন চেন্নাই অধিনায়ক। তাকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করতে পিছপা হচ্ছেন না রথী-মহারথীরা। এবার ধোনিকে সমালোচনার তীরে বিদ্ধ করলেন শেবাগ। জাতীয় দলের সাবেক সতীর্থকে ‘সামান্য’ সাজা দিয়েই ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

রাজস্থানের বিপক্ষে স্নায়ুক্ষয়ী ম্যাচে শেষ বলে জয় পায় চেন্নাই। ম্যাচ চলাকালীন মাঠের ভেতরে ঢুকে আম্পায়ারের সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন ধোনি। পরে তাকে ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা করা হয়। বীরু বলেন, অন্তত দুই বা তিনটি ম্যাচে ধোনিকে নিষিদ্ধ করা উচিত ছিল। তাতে অন্য অধিনায়ক বা ক্রিকেটারদের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যেত।

রাজস্থানের বিপক্ষে জয়ের জন্য শেষ ওভারে চেন্নাইয়ের দরকার ছিল ১৮ রান। ওই ওভারে বোলার ছিলেন বেন স্টোকস। তার তৃতীয় বলে আউট হন ধোনি। শেষ তিন বলে সমীকরণ দাঁড়ায় আট রান। চতুর্থ বলটি ছিল ফুলটস। উচ্চতার জন্য প্রথমে ‘নো বল’ ডাকেন প্রধান আম্পায়ার উলহাস গান্ধে। তবে লেগ আম্পায়ার ব্রুস অক্সেনফোর্ড সিদ্ধান্তটি বাতিল করে দেন। এতে মেজাজ হারিয়ে ফেলেন ঠাণ্ডা মাথার সিএসকে দলনায়ক। ডাগআউট থেকে মাঠে প্রবেশ করে আম্পায়ার ও প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের শাসান তিনি।

বিশ্বজয়ী নেতাকে এতটা রেগে যেতে আগে কখনো দেখেননি শেবাগ।  তিনি বলেন, চেন্নাইয়ের জন্য হয়তো বেশি মাত্রায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন ধোনি। আর এক বছর পরই হয়তো অবসর নেবেন। সেই কারণেই এতটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন।

বীরু মনে করেন, ধোনির সটান মাঠে নেমে পড়াটা একেবারেই ঠিক কাজ হয়নি। তাকে জরিমানা করে অল্পেই ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ম্যাচ রেফারি ওকে দুটো বা তিনটে ম্যাচে নিষিদ্ধ করতে পারতেন।

ধোনিকে অল্পে ছেড়ে দেয়ায় শেবাগের মনে আশঙ্কা বাসা বেঁধেছে। তার মনে হচ্ছে, আগামী দিনে অন্য কোনো দলপতিও তার মতো করে মাঠে ঢুকে আম্পায়ারের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়তে পারেন। এতে গুরুত্ব হারাবেন ময়দানে সব সিদ্ধান্তের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ব্যক্তিরা।