সাকিব-মিরাজের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ওয়াসিম
jugantor
সাকিব-মিরাজের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ওয়াসিম

  স্পোর্টস ডেস্ক  

০২ মে ২০১৯, ০৯:০৭:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের দুই ফিঙ্গার স্পিনার সাকিব আল হাসান ও মেহেদি হাসান মিরাজের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ ওয়াসিম। বল হাতে কিপটে বোলিং করতে পারদর্শী হলেও তাদের উইকেট শিকারের সামর্থ্য নিয়ে সন্দিহান তিনি।

সাকিবের তিনটি বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। ২০০৬ সালে ওয়ানডে অভিষেক হওয়ার পর ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেন তিনি। এরপর ২০১১ ও ২০১৫ বিশ্বকাপ খেলেছেন তিনি। তিন বিশ্বকাপে ২১ ম্যাচে ২৩ উইকেট নিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

অন্যদিকে ২০১৭ সালে ওয়ানডে অভিষেক হওয়া মিরাজ খেলতে যাচ্ছেন নিজের প্রথম বিশ্বকাপ। এ দুই বছরে জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন তিনি। পারফর্ম্যান্স দিয়েই জাতীয় দলে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করেছেন।

ইংল্যান্ডের মাটিতে বল হাতে দুই স্পিনার কতটা কার্যকর হন,দেখার অপেক্ষায় ওয়াসিম। তিনি বলেন, বাংলাদেশ দলে কোনো রিষ্ট স্পিনার নেই। ফিঙ্গার স্পিনার সাকিব ও মেহেদি দুজনই আঁটসাঁট বোলিং করতে সক্ষম। তবে তাদের উইকেট তুলে নেয়ার সামর্থ্য কতটুকু সেটাই দেখার। অবশ্য এবারের বিশ্বকাপে পেসারদের ওপর বেশি নজর থাকবে বাংলাদেশের। কিন্তু বিগত সময়ে দলটির শক্তির জায়গা ছিল কোয়ালিটি স্পিন বোলার।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশ অভিজ্ঞ সাকিব। এখন পর্যন্ত ১৯৫ ওয়ানডে খেলে ২৪৭ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। এর মধ্যে দেশের বাইরে তার উইকেটসংখ্যা ৬৬ ম্যাচে ৬৭।

বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা না থাকলেও ঘরে-বাইরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা আছে মিরাজের। এখন অবধি ২৫ ওয়ানডে খেলে ২৬ উইকেটের মালিক তিনি। এর মধ্যে দেশের বাইরে ১১ ম্যাচ খেলে ঝুলিতে ভরেছেন ১১ উইকেট।

সাকিব-মিরাজের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ওয়াসিম

 স্পোর্টস ডেস্ক 
০২ মে ২০১৯, ০৯:০৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের দুই ফিঙ্গার স্পিনার সাকিব আল হাসান ও মেহেদি হাসান মিরাজের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ ওয়াসিম। বল হাতে কিপটে বোলিং করতে পারদর্শী হলেও তাদের উইকেট শিকারের সামর্থ্য নিয়ে সন্দিহান তিনি।

সাকিবের তিনটি বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। ২০০৬ সালে ওয়ানডে অভিষেক হওয়ার পর ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেন তিনি। এরপর ২০১১ ও ২০১৫ বিশ্বকাপ খেলেছেন তিনি। তিন বিশ্বকাপে ২১ ম্যাচে ২৩ উইকেট নিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

অন্যদিকে ২০১৭ সালে ওয়ানডে অভিষেক হওয়া মিরাজ খেলতে যাচ্ছেন নিজের প্রথম বিশ্বকাপ। এ দুই বছরে জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন তিনি। পারফর্ম্যান্স দিয়েই জাতীয় দলে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করেছেন।

ইংল্যান্ডের মাটিতে বল হাতে দুই স্পিনার কতটা কার্যকর হন,দেখার অপেক্ষায় ওয়াসিম। তিনি বলেন, বাংলাদেশ দলে কোনো রিষ্ট স্পিনার নেই। ফিঙ্গার স্পিনার সাকিব ও মেহেদি দুজনই আঁটসাঁট বোলিং করতে সক্ষম। তবে তাদের উইকেট তুলে নেয়ার সামর্থ্য কতটুকু সেটাই দেখার। অবশ্য এবারের বিশ্বকাপে পেসারদের ওপর বেশি নজর থাকবে বাংলাদেশের। কিন্তু বিগত সময়ে দলটির শক্তির জায়গা ছিল কোয়ালিটি স্পিন বোলার।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশ অভিজ্ঞ সাকিব। এখন পর্যন্ত ১৯৫ ওয়ানডে খেলে ২৪৭ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। এর মধ্যে দেশের বাইরে তার উইকেটসংখ্যা ৬৬ ম্যাচে ৬৭।

বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা না থাকলেও ঘরে-বাইরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা আছে মিরাজের। এখন অবধি ২৫ ওয়ানডে খেলে ২৬ উইকেটের মালিক তিনি। এর মধ্যে দেশের বাইরে ১১ ম্যাচ খেলে ঝুলিতে ভরেছেন ১১ উইকেট।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন