বিশ্বকাপে ইমাম-উলের প্রথম সেঞ্চুরি

প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০১৯, ১৮:২১ | অনলাইন সংস্করণ

  স্পোর্টস ডেস্ক

সেঞ্চুরি উদযাপন করছেন ইমাম-উল-হক। ফাইল ছবি

টাইগারদের বিপক্ষে অনবদ্য ব্যাটিং করে সেঞ্চুরি করেছেন পাকিস্তান ওপেনার ইমাম-উল-হক। বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন ইমাম-উল। মোস্তাফিজুর রহমানের বলে সিঙ্গেল রান নেয়ার মধ্য দিয়ে (৯৯ বলে ১০০) শতরানের মাইলফলক স্পর্শ করেন ইনজামাম-উল-হকের ভাতিজা ইমাম-উল-হক।

ওয়ানডে ক্রিকেটের ৩৬তম ম্যাচে ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরি করেন ইমাম-উল-হক। তবে চলতি বিশ্বকাপের ১৭তম ব্যাটসম্যান হিসেবে ২৬তম সেঞ্চুরি করেছেন তিনি।

এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ৪টি সেঞ্চুরি করেছেন ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মা। দুটি করে সেঞ্চুরি করেছেন সাকিব আল হাসান, উইলিয়ামসন, ডেভিড ওয়ার্নার, অ্যারন ফিঞ্চ, জো রুট ও জনি বেয়ারস্টো। 

শুক্রবার ইংল্যান্ডের লর্ডসে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ-পাকিস্তান। এদিন টাইগারদের বিপক্ষে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন বাবর আজম। অনবদ্য ব্যাটিং করে সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন তিনি। তার সেঞ্চুরির স্বপ্ন ভেঙে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তার গতির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন বাবর। তার আগে ৯৮ বলে ১১টি চারের সাহায্যে ৯৬ রান করেন তিনি।

এর আগে ফখর জামানের উইকেট শিকার করে বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। রেকর্ড রান সংগ্রহের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিতে গিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ফখর জামান। ফখরের বিদায়ে ৭.২ ওভারে ২৩ রানে ভাঙে পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি।

দ্বিতীয় উইকেটে বাবর আজমকে সঙ্গে নিয়ে ১৫৭ রানের জুটি গড়েন পাকিস্তান ওপেনার ইমাম-উল-হক। এই জুটিতে জোড়া ফিফটি তুলে নেন তারা। ফিফটির পর বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন বাবর আজম। শতরানের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করতে বাবরের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৪ রান। এমন অবস্থায় সাইফউদ্দিনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন বাবর। রিভিউ নিয়েও উইকেট বাঁচাতে পারেননি পাকিস্তানের ধারাবাহিক রান করে যাওয়া বাবর।

এরপর মোহাম্মদ হাফিজকে সঙ্গে নিয়ে ৬৬ রানের জুটি গড়েন ইমাম-উল। বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী লর্ডস স্টেডিয়ামে সেঞ্চুরি করেন পাকিস্তানের এ ওপেনার।

২ উইকেটে ২৪৬ করে রানের পাহাড় গড়ার স্বপ্ন দেখিয়ে ছিলেন ইমাম-উল-হক ও বাবর আজমরা। এরপর মাত্র ৯ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান। ১০০ বলে সাতটি বাউন্ডারিতে ১০০ রান করে মোস্তাফিজের শিকার হন ইমাম। তার বিদায়ের ঠিক দুই রানের ব্যবধানে ফেরেন মোহাম্মদ হাফিজ। তিনি মেহেদী হাসান মিরাজের অফ স্পিনে বিভ্রান্ত হন। সাজঘরে ফেরার আগে ২৫ বলে তিনটি বাউন্ডারিতে ২৭ রান করেন হাফিজ।

পাঁচ নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে সুবিধা করতে পারেননি হারিস সোহেল। কাটার মাস্টার মোস্তাফিজের বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন হারিস। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ৪৩.৫ ওভারে ২৫৫ রানে ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান।