মেসি নিষিদ্ধ, গুনতে হচ্ছে জরিমানাও

প্রকাশ : ২৪ জুলাই ২০১৯, ১২:৪৬ | অনলাইন সংস্করণ

  স্পোর্টস ডেস্ক

কিছু ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের বাধ্যবাধকতা থাকে। তারা চাইলেই যেকোনো ব্যাপারে মুখ খুলতে পারেন না। তবে কোপা আমেরিকার সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে পড়ার পর চুপ থাকতে পারেননি আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। আয়োজক দেশ ব্রাজিল এবং ম্যাচ রেফারিদের ‘দুর্নীতিপরায়ণ’ হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেন তিনি।

মেসি তুলাধোনা করেন লাতিন আমেরিকার ফুটবল কর্তৃপক্ষ কনমেবলকেও। ফলে শাস্তি পেতে যাচ্ছেন তিনি তা আন্দাজ করাই যাচ্ছিল। অবশেষে সেই ঘোষণা এলো।

চাউর হয়েছিল, দুই বছর শাস্তির মুখে পড়ছেন মেসি। তবে পাঁচবারের ‘ব্যালন ডিঅর’ জয়ীর প্রতি ততটা কঠোর হয়নি কনমেবল। তাকে এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে তারা। পাশাপাশি দেড় হাজার ডলার (১৫০০) জরিমানা করা হয়েছে।

এ নিষেধাজ্ঞার ফলে সম্ভবত ২০২২ বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে পারবেন না মেসি। মঙ্গলবার আর্জেন্টিনা ফুটবলকে আরেকটি দুঃসংবাদ দিয়েছে কনমেবল। ফিফার অফিসিয়াল প্রতিনিধি পদ থেকে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) প্রধান ক্লদিও তাপিয়াকে সরিয়ে দিয়েছে তারা। কোপা আমেরিকা চলাকালীন তাদের সমালোচনা মেতে উঠেছিলেন তিনিও।

কোপা-২০১৯ আসরের সেমিতে ব্রাজিলের বিপক্ষে হারের পর আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি দাবি করেন, ফাইনাল ওঠার যোগ্য ছিল তার দলই। মেসিও বাজে রেফারিং নিয়ে অভিযোগ তোলেন। স্বাগতিকদের জেতাতেই তারা এমনটি করেছে বলে দাবি করেন ফুটবলের বরপুত্র।

সেই রেশ না কাটতেই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে চিলির বিপক্ষে খেলতে নামে আর্জেন্টিনা। সেখানে ঘটে আরেক বিপত্তি। ম্যাচের ৩৭ মিনিটে চিলিয়ান ডিফেন্ডার গ্যারি মেদেলের সঙ্গে বল দখলের লড়াই জমে ওঠে মেসির। অনেকক্ষণ ধরে তা চলে। বিষয়টি ভালোভাবে নেননি রেফারিরা। দুজনকেই লালকার্ড দেখান তারা। অথচ ঘটনা গুরুতর ছিল না।

ওই ম্যাচে আর্জেন্টিনা জিতলেও রাগে-ক্ষোভে পুরস্কার নেননি মেসি। এতেই তার কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ থাকেনি। রেফারি ও মহাদেশীয় ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে ধুয়ে দেন তিনি। ছোট ম্যাজিসিয়ান দাবি করেন, এবার ব্রাজিলকে চ্যাম্পিয়ন করতে আগে থেকেই সব বন্দোবস্ত করে রেখেছে কনমেবল। যোগসাজশ ছিল ব্রাজিলিয়ানদের। শেষ পর্যন্ত পেরুকে উড়িয়ে কোপা চ্যাম্পিয়ন হন সেলেকাওরাই।