যে কারণে এত ভয়ঙ্কর বুমরাহ, জানালেন ইরফান
jugantor
যে কারণে এত ভয়ঙ্কর বুমরাহ, জানালেন ইরফান

  স্পোর্টস ডেস্ক  

০২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০৪:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতের টেস্ট ইতিহাসে বিদেশে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড এতদিন ছিল ইরফান পাঠানের দখলে। গেল শনিবার স্যাবাইনা পার্কে টানা তিন বলে ড্যারেন ব্রাভো, শামার ব্রুকস ও রোস্টন চেজকে ফিরিয়ে তার রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে তরুণ পেসারের দাপট দেখে  বিস্মিত ও মুগ্ধ পাঠান। তার মতে, ভারতীয় টেস্ট ইতিহাসের সেরা পেসার হয়ে ওঠার সব রকম ক্ষমতা রয়েছে বুমরাহর মধ্যে।

২০০১ সালে কলকাতায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেন হরভজন সিং। এর পর অনেকেই বলেছিলেন, এ রেকর্ড ভাঙা অসম্ভব। ঠিক পাঁচ বছর পর করাচিতে তা সম্ভব করে দেখান পাঠান। তার বিষাক্ত সুইং সামলাতে না পেরে পর পর তিন বলে প্যাভিলিয়নমুখী হন সালমান বাট, ইউনিস খান ও মোহম্মদ ইউসুফ।

বুমরাহও ক্যারিবিয়ান শিবিরে কাঁপন ধরিয়েছেন সেই সুইং দিয়ে। রোববার বিশাখাপত্তম থেকে মোবাইল ফোনে পাঠান বলেন, ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়া সফরে বুমরাহকে দেখেছি সুইংয়ের চেয়ে ‘সিম মুভমেন্টের’ ওপর বেশি নির্ভর করতে। উইন্ডিজ সফরে দেখছি উইকেটের দুদিকে সমানতালে সুইং করাচ্ছে সে। তার অ্যাকশন দেখে বোঝার উপায় নেই বল কোন দিকে যাবে। কব্জির অপূর্ব ব্যবহার করতে দেখছি ওকে। গতির সঙ্গে সর্পিল সুইং মিশিয়েই এত ভয়ঙ্কর ও।

কেন বুমরাহকে ভারতীয় টেস্ট ইতিহাসের সেরা পেসার হওয়ার দাবিদার হিসেবে দেখছেন? জবাবে জম্মু-কাশ্মীরের কোচ বলেন, একজন পেসার তখনই বেশি সাফল্য পান, যখন প্রতিপক্ষ তাকে ভয় পেতে শুরু করে। ধীরে ধীরে বুমরাহ বিশ্ব ক্রিকেটে ত্রাস হয়ে উঠছে। ওয়ানডে বিশ্বকাপেও দেখেছি, সে বল করলে ব্যাটসম্যানরা আক্রমণ করার সাহস পাননি। দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে রান করার তাড়া থাকে না। এ ফরম্যাটেও তার বিপক্ষে কেউ খেলতে চাচ্ছেন না। ব্রাভো যে ভঙ্গিতে আউট হয়েছেন, তা দেখলেই বোঝা যায়, সে ভয় পেয়েছিল। বাইরে বেরিয়ে যাওয়া বল ডিফেন্ড করার সময় পা বাড়াতেই দ্বিধায় পড়ে যায় ও।’

টেস্ট হ্যাটট্রিকের সঙ্গে ওয়ানডে হ্যাটট্রিকের আদৌ কোনো পার্থক্য রয়েছে? সাবেক বাঁহাতি পেসার ইরফানের উত্তর, যেকোনো সংস্করণে হ্যাটট্রিকের অনুভূতি অসাধারণ। তবে টেস্টে হ্যাটট্রিক করা কিছুটা হলেও কঠিন। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রান করার কোনো তাড়না থাকে না। সুতরাং ব্যাটসম্যানকে প্রথম বলে ফেরাতে বোলারের কারিকুরি লাগবেই। একদিনের ক্রিকেটে রান করার চাপ থাকে। ফলে ব্যাটসম্যানদের ভুল করার সম্ভাবনা থাকে বেশি।

যে কারণে এত ভয়ঙ্কর বুমরাহ, জানালেন ইরফান

 স্পোর্টস ডেস্ক 
০২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতের টেস্ট ইতিহাসে বিদেশে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড এতদিন ছিল ইরফান পাঠানের দখলে। গেল শনিবার স্যাবাইনা পার্কে টানা তিন বলে ড্যারেন ব্রাভো, শামার ব্রুকস ও রোস্টন চেজকে ফিরিয়ে তার রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে তরুণ পেসারের দাপট দেখে বিস্মিত ও মুগ্ধ পাঠান। তার মতে, ভারতীয় টেস্ট ইতিহাসের সেরা পেসার হয়ে ওঠার সব রকম ক্ষমতা রয়েছে বুমরাহর মধ্যে।

২০০১ সালে কলকাতায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেন হরভজন সিং। এর পর অনেকেই বলেছিলেন, এ রেকর্ড ভাঙা অসম্ভব। ঠিক পাঁচ বছর পর করাচিতে তা সম্ভব করে দেখান পাঠান। তার বিষাক্ত সুইং সামলাতে না পেরে পর পর তিন বলে প্যাভিলিয়নমুখী হন সালমান বাট, ইউনিস খান ও মোহম্মদ ইউসুফ।

বুমরাহও ক্যারিবিয়ান শিবিরে কাঁপন ধরিয়েছেন সেই সুইং দিয়ে। রোববার বিশাখাপত্তম থেকে মোবাইল ফোনে পাঠান বলেন, ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়া সফরে বুমরাহকে দেখেছি সুইংয়ের চেয়ে ‘সিম মুভমেন্টের’ ওপর বেশি নির্ভর করতে। উইন্ডিজ সফরে দেখছি উইকেটের দুদিকে সমানতালে সুইং করাচ্ছে সে। তার অ্যাকশন দেখে বোঝার উপায় নেই বল কোন দিকে যাবে। কব্জির অপূর্ব ব্যবহার করতে দেখছি ওকে। গতির সঙ্গে সর্পিল সুইং মিশিয়েই এত ভয়ঙ্কর ও।

কেন বুমরাহকে ভারতীয় টেস্ট ইতিহাসের সেরা পেসার হওয়ার দাবিদার হিসেবে দেখছেন? জবাবে জম্মু-কাশ্মীরের কোচ বলেন, একজন পেসার তখনই বেশি সাফল্য পান, যখন প্রতিপক্ষ তাকে ভয় পেতে শুরু করে। ধীরে ধীরে বুমরাহ বিশ্ব ক্রিকেটে ত্রাস হয়ে উঠছে। ওয়ানডে বিশ্বকাপেও দেখেছি, সে বল করলে ব্যাটসম্যানরা আক্রমণ করার সাহস পাননি। দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে রান করার তাড়া থাকে না। এ ফরম্যাটেও তার বিপক্ষে কেউ খেলতে চাচ্ছেন না। ব্রাভো যে ভঙ্গিতে আউট হয়েছেন, তা দেখলেই বোঝা যায়, সে ভয় পেয়েছিল। বাইরে বেরিয়ে যাওয়া বল ডিফেন্ড করার সময় পা বাড়াতেই দ্বিধায় পড়ে যায় ও।’

টেস্ট হ্যাটট্রিকের সঙ্গে ওয়ানডে হ্যাটট্রিকের আদৌ কোনো পার্থক্য রয়েছে? সাবেক বাঁহাতি পেসার ইরফানের উত্তর, যেকোনো সংস্করণে হ্যাটট্রিকের অনুভূতি অসাধারণ। তবে টেস্টে হ্যাটট্রিক করা কিছুটা হলেও কঠিন। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রান করার কোনো তাড়না থাকে না। সুতরাং ব্যাটসম্যানকে প্রথম বলে ফেরাতে বোলারের কারিকুরি লাগবেই। একদিনের ক্রিকেটে রান করার চাপ থাকে। ফলে ব্যাটসম্যানদের ভুল করার সম্ভাবনা থাকে বেশি।