সাব্বির প্রশ্নে 'হাসলেন' সাকিব
jugantor
সাব্বির প্রশ্নে 'হাসলেন' সাকিব

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:১১:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

১৬৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৫ ওভারে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলাদেশ। ওই সময় ক্রিজে আসেন ‘টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট' সাব্বির রহমান। জয়ের জন্য শেষ ১৫ ওভারে করতে হতো ১৩৩ রান, হাতে ছিল ৬ উইকেট। স্বভাবতই তার দিকে চেয়েছিল দল। তবে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনি। ২৭ বলে ১ চারে ২৪ রান করেন সাব্বির। কার্যত তাতেই টাইগারদের পরাজয় নিশ্চিত হয়।

একই পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নেমেছিলেন মোহাম্মদ নবী। তখন ৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে অন্ধকারে ডুবেছিলেন আফগানরা। পরে তার ব্যাটে পথ খুঁজে পান তারা। প্রথমে আসগর আফগানের সঙ্গে ৬৭ বলে ৭৯ রানের জুটি গড়ে বড়সড় ধাক্কা সামাল দেন তিনি। এর পর হাত খুলে মেরে ৫৪ বলে ৮৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে দলকে এনে দেন নিরাপদ সংগ্রহ। শেষ পর্যন্ত তাতে ভর করে ২৫ রানের উড়ন্ত জয় তুলে নেন সফরকারীরা।

ঠিক একই রকম প্রত্যাশা ছিল সাব্বিরের কাছে। ওই সময় দরকার ছিল ৯০ বলে ১৩৩ রান। সেখান থেকে জয়ের আশা করাটা অস্বাভাবিক কিছু ছিল না। তবে তাতে জ্বালানি জোগাতে পারেননি এ হার্ডহিটার। যদিও সাহস সঞ্চারে সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে।

কিন্তু কাজের কাজ করতে পারেননি সাব্বির। মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ৫৮ রানের জুটি গড়লেও কখনই মনে হয়নি জয়ের পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। এর দায় সাব্বিরকেই নিতে হবে। এক প্রান্তে স্বভাবসুলভ ব্যাটিং করেন মাহমুদউল্লাহ। ৩৯ বলে ৪৪ রান করে ফেরেন তিনি। পরক্ষণেই বিদায় নেন সাব্বির। তিনি করেন ২৭ বলে মন্থরগতির ২৪ রান। যা কোনোভাবেই টি-টোয়েন্টি সুলভ ছিল না। ওই পরিস্থিতিতে এ ফরম্যাটের সঙ্গে মোটেও মানানসই নয়।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাভাবিকভাবেই সাব্বিরের ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে জিজ্ঞেস করা হয়, টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট হিসেবে দলে আছেন একজন। তিনিই কিনা করলেন ২৭ বলে ২৪ রান। স্বভাবতই এতে পরিস্থিতির দাবি মেটেনি। এটা কি আসলে তার অপারগতা নাকি নির্বাচকরাই ভুলটা করেন বারবার?

জবাবে নিজের হাসি লুকিয়ে রাখতে পারেননি সাকিব। উত্তর দেয়ার আগে বেশ কিছুক্ষণ হেসে নেন তিনি। তার দেখাদেখি হাসির রোল পড়ে পুরো সম্মেলনকক্ষে। তিনি কথা বলতে শুরু করলে এটি থামে।

মুখে হাসি রেখেই টাইগার অধিনায়ক বলেন, দল নির্বাচনের সময় বিশ্বাস রেখেই সেই খেলোয়াড়কে নেয়া হয়। সবার আশা থাকে, সে দলে অবদান রাখবে, ভালো খেলবে। কিন্তু অনেক সময় সেটা হয় না। আর না হলে সমালোচনা হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে আমাদের দায়িত্ব হলো সবাই সবাইকে যথাযথ সমর্থন ও সাহস দেয়া।

সাব্বির প্রশ্নে 'হাসলেন' সাকিব

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

১৬৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৫ ওভারে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলাদেশ। ওই সময় ক্রিজে আসেন ‘টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট' সাব্বির রহমান। জয়ের জন্য শেষ ১৫ ওভারে করতে হতো ১৩৩ রান, হাতে ছিল ৬ উইকেট। স্বভাবতই তার দিকে চেয়েছিল দল। তবে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনি। ২৭ বলে ১ চারে ২৪ রান করেন সাব্বির। কার্যত তাতেই টাইগারদের পরাজয় নিশ্চিত হয়।

একই পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নেমেছিলেন মোহাম্মদ নবী। তখন ৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে অন্ধকারে ডুবেছিলেন আফগানরা। পরে তার ব্যাটে পথ খুঁজে পান তারা। প্রথমে আসগর আফগানের সঙ্গে ৬৭ বলে ৭৯ রানের জুটি গড়ে বড়সড় ধাক্কা সামাল দেন তিনি। এর পর হাত খুলে মেরে ৫৪ বলে ৮৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে দলকে এনে দেন নিরাপদ সংগ্রহ। শেষ পর্যন্ত তাতে ভর করে ২৫ রানের উড়ন্ত জয় তুলে নেন সফরকারীরা। 

ঠিক একই রকম প্রত্যাশা ছিল সাব্বিরের কাছে। ওই সময় দরকার ছিল ৯০ বলে ১৩৩ রান। সেখান থেকে জয়ের আশা করাটা অস্বাভাবিক কিছু ছিল না। তবে তাতে জ্বালানি জোগাতে পারেননি এ হার্ডহিটার। যদিও সাহস সঞ্চারে সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে।

কিন্তু কাজের কাজ করতে পারেননি সাব্বির। মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ৫৮ রানের জুটি গড়লেও কখনই মনে হয়নি জয়ের পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। এর দায় সাব্বিরকেই নিতে হবে। এক প্রান্তে স্বভাবসুলভ ব্যাটিং করেন মাহমুদউল্লাহ। ৩৯ বলে ৪৪ রান করে ফেরেন তিনি। পরক্ষণেই বিদায় নেন সাব্বির। তিনি করেন ২৭ বলে মন্থরগতির ২৪ রান। যা কোনোভাবেই টি-টোয়েন্টি সুলভ ছিল না। ওই পরিস্থিতিতে এ ফরম্যাটের সঙ্গে মোটেও মানানসই নয়।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাভাবিকভাবেই সাব্বিরের ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে জিজ্ঞেস করা হয়, টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট হিসেবে দলে আছেন একজন। তিনিই কিনা করলেন ২৭ বলে ২৪ রান। স্বভাবতই এতে পরিস্থিতির দাবি মেটেনি। এটা কি আসলে তার অপারগতা নাকি নির্বাচকরাই ভুলটা করেন বারবার?

জবাবে নিজের হাসি লুকিয়ে রাখতে পারেননি সাকিব। উত্তর দেয়ার আগে বেশ কিছুক্ষণ হেসে নেন তিনি। তার দেখাদেখি হাসির রোল পড়ে পুরো সম্মেলনকক্ষে। তিনি কথা বলতে শুরু করলে এটি থামে।

মুখে হাসি রেখেই টাইগার অধিনায়ক বলেন, দল নির্বাচনের সময় বিশ্বাস রেখেই সেই খেলোয়াড়কে নেয়া হয়। সবার আশা থাকে, সে দলে অবদান রাখবে, ভালো খেলবে। কিন্তু অনেক সময় সেটা হয় না। আর না হলে সমালোচনা হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে আমাদের দায়িত্ব হলো সবাই সবাইকে যথাযথ সমর্থন ও সাহস দেয়া।