রোহিতের ঝড়ো ফিফটি

  স্পোর্টস ডেস্ক ০৭ নভেম্বর ২০১৯, ২২:০৭ | অনলাইন সংস্করণ

রোহিত শর্মা

আগের ম্যাচে প্রত্যাশিত ব্যাটিং করতে পারেননি রোহিত শর্মা। যে কারণে তার দলও জয়ের দেখা পায়নি। বাংলাদেশের বিপক্ষে হেরে যায় ৭ উইকেটে। তবে সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন ভারত সেরা এ ওপেনার।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের ১০০তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২৩ বলে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৮তম ফিফটির ইনিংস খেলেন রোহিত। টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে বিশ্বের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে সর্বোচ্চ ৪টি সেঞ্চুরি করেছেন তিনি।

আর ওয়ানডে ক্রিকেটে একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনিট ডাবল সেঞ্চুরি করেন ভারতীয় এ ওপেনার। শুধু তাই নয়, ৫০ ওভারের ম্যাচে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ (২৬২) রানের ইনিংস খেলেছেন ভারত সেরা এ ওপেনার। ওয়ানডেতে ২১৮ ম্যাচে ২৭টি সেঞ্চুরি করেছেন রোহিত।

বাংলাদেশ ১৫৩/৬

জিতলেই ট্রফি নিশ্চিত। এমন সমীকরণের ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে বাংলাদেশ। কিন্তু ভালো শুরুর পরও বিপাকে পড়ে যায় টাইগাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের কারণে বড় স্কোর গড়ার স্বপ্ন দেখানো বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ১৫৩ রান করতে সমর্থ হয়।

বৃহস্পতিবার রাজকোটের সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ। তরুণ ওপেনার মোহাম্মদ নাইম শেখকে সঙ্গে নিয়ে উড়ন্ত সূচনা করেন লিটন কুমার দাস।

উদ্বোধনী জুটিতে ৭.২ ওভারে ৬০ রান সংগ্রহ করেন লিটন-নাইম। ব্যক্তিগত ২৯ রানে রান আউট হয়ে ফেরেন লিটন। অবশ্য তার ১৭ রানেই আউট হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে যান লিটন।

দলীয় ৪৩ রানে যুজবেন্দ্র চাহালের লেগ স্পিন বল ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে স্ট্যাম্পিং হন লিটন। কিন্তু ভারতীয় তরুণ উইকেটকিপার রিশব প্যান্ট, চাহালের করা বলটি স্ট্যাম্প পার হওয়ার আগেই গ্ল্যাভসবন্দি করে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন।

ক্রিকেটীয় আইনের পরিপন্থী স্ট্যাম্পিং করায় ফিল্ড আম্পায়ার রিভিউ দেখে লিটনকে নট আউটের সিদ্ধান্ত দেন। যে কারণে নিশ্চিত আউট থেকে বেঁচে যান লিটন।

এরপর রোহিত শর্মার হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে দ্বিতীয়বার লাইফ পান তিনি। কিন্তু দুইদফা জীবন পেয়েও বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হন জাতীয় দলের এ ওপেনার। আগের ম্যাচে ৭ রানে আউট হওয়া লিটন এদিন ফেরেন ২১ বলে ২৯ রান করে। তার বিদায়ে ৭.২ ওভারে দলীয় ৬০ রানে ওপেনিং জুটি ভাঙে বাংলাদেশের। ভারত সফরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় মোহাম্মদ নাইম শেখের। দিল্লি জয়ের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে অভিষেকে ২৮ বলে তিনি করেন ২১ রান।

বৃহস্পতিবার নিজের দ্বিতীয় উদ্বোধনীতে অসাধারণ ব্যাটিং করে ৬০ রানের জুটি গড়ার পাশাপাশি ব্যক্তিতগতভাবে ৩১ বলে ৫টি চারের সাহায্যে ৩৬ রান করে ফেরেন নাইম। তার বিদায়ে ৮৩ রানে দুই ওপেনারের উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

আগের ম্যাচে ৬০ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে জয় উপহার দেয়া মুশফিকুর রহিম এদিন সুবিধা করতে পারেননি। ৬ বলে মাত্র ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তার বিদায়ে ১২.১ ওভারে ৯৭ রানে তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

আগের ম্যাচে ওপেনিংয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত খেলা সৌম্য সরকার আজ খেলেন তিন নম্বর পজিশনে। দিল্লি জয়ের ম্যাচে ৩৯ রানের দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে যাওয়া সৌম্য রাজকোটেও দাপুটে ব্যাটিং করেন। ভারতীয় লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহালের দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে ২০ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ৩০ রান করেন সৌম্য।

দলীয় ১০৩ রানে লিটন,নাইম,মুশফিক আর সৌম্য আউট হওয়ার পর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তরুণ অলরাউন্ডার আফিফ হোসেনের সঙ্গে ১৭ রানের জুটি গড়েন। এরপর মোসাদ্দেক হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস শেষ হওয়ার ৯ বল আগে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন রিয়াদ। তার আগে ২১ বলে চারটি চারের সাহায্যে ৩০ রান করেন তিনি।

শেষ দিকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আর আমিনুল ইসলামরা ঝড় তুলতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৫৩ রান করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।

ঘটনাপ্রবাহ : বাংলাদেশের ভারত সফর-২০১৯

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×