মাহমুদউল্লাহর ইনজুরি নিয়ে যা জানালেন বিসিবি চিকিৎসক
jugantor
মাহমুদউল্লাহর ইনজুরি নিয়ে যা জানালেন বিসিবি চিকিৎসক

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২৭ নভেম্বর ২০১৯, ১৩:০৭:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ঐতিহ্যবাহী ইডেনে ঐতিহাসিক দিবারাত্রির টেস্টে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে বাংলাদেশ। ওই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণ ব্যাটিং করতে থাকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ পড়েন হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে। তাকে এক সপ্তাহের বিশ্রাম দেয়া হয়েছে।    

গেল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কার্যালয়ে তার সবশেষ অবস্থা জানান প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, মাহমুদউল্লাহর ইনজুরি হচ্ছে গ্রেড ওয়ান হ্যামস্ট্রিং। সে গেল সোমবার স্ক্যান করিয়েছে। আমরা এখনও রিপোর্ট হাতে পাইনি। অল্প মাত্রার হ্যামস্ট্রিং হলেও আমরা সাত দিনের বিশ্রাম দিই। যেন রিহ্যাব করতে পারে সে। কারণ ফিট না হয়ে খেলায় ফিরলে আবার ইনজুরিতে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। একই ইনজুরি ওই জায়গাতে হলে সারতে সময় নেয়।

বোর্ড চিকিৎসক বলেন, আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে মাহমুদউল্লাহর দ্বিতীয় ইনজুরিটা আটকানো। কারণ একই জায়গায় দ্বিতীয়বার চোট পেলে ফিরতে দ্বিগুণ সময় লাগতে পারে। এতে এক মাসের মতো সময় লেগে যায়। আর তৃতীয়বার লাগলে এক মৌসুম মিস করার  সম্ভাবনা থাকে। এ ক্ষেত্রে আমাদের প্রথম ও প্রধান কাজ হচ্ছে ইনজুরিটা যেন দ্বিতীয়বার না হয় সেই ব্যবস্থা করা।

আপাতত বাংলাদেশ দলের খেলা নেই। তবে সামনে রয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের বিশেষ আসর বঙ্গবন্ধু বিপিএল। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে মাঠে গড়াবে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের এ টুর্নামেন্ট। এবার চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে খেলবেন মাহমুদউল্লাহ।

মাহমুদউল্লাহর ইনজুরি নিয়ে যা জানালেন বিসিবি চিকিৎসক

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২৭ নভেম্বর ২০১৯, ০১:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঐতিহ্যবাহী ইডেনে ঐতিহাসিক দিবারাত্রির টেস্টে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে বাংলাদেশ। ওই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণ ব্যাটিং করতে থাকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ পড়েন হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে। তাকে এক সপ্তাহের বিশ্রাম দেয়া হয়েছে।

গেল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কার্যালয়ে তার সবশেষ অবস্থা জানান প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, মাহমুদউল্লাহর ইনজুরি হচ্ছে গ্রেড ওয়ান হ্যামস্ট্রিং। সে গেল সোমবার স্ক্যান করিয়েছে। আমরা এখনও রিপোর্ট হাতে পাইনি। অল্প মাত্রার হ্যামস্ট্রিং হলেও আমরা সাত দিনের বিশ্রাম দিই। যেন রিহ্যাব করতে পারে সে। কারণ ফিট না হয়ে খেলায় ফিরলে আবার ইনজুরিতে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। একই ইনজুরি ওই জায়গাতে হলে সারতে সময় নেয়।

বোর্ড চিকিৎসক বলেন, আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে মাহমুদউল্লাহর দ্বিতীয় ইনজুরিটা আটকানো। কারণ একই জায়গায় দ্বিতীয়বার চোট পেলে ফিরতে দ্বিগুণ সময় লাগতে পারে। এতে এক মাসের মতো সময় লেগে যায়। আর তৃতীয়বার লাগলে এক মৌসুম মিস করার সম্ভাবনা থাকে। এ ক্ষেত্রে আমাদের প্রথম ও প্রধান কাজ হচ্ছে ইনজুরিটা যেন দ্বিতীয়বার না হয় সেই ব্যবস্থা করা।

আপাতত বাংলাদেশ দলের খেলা নেই। তবে সামনে রয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের বিশেষ আসর বঙ্গবন্ধু বিপিএল। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে মাঠে গড়াবে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের এ টুর্নামেন্ট। এবার চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে খেলবেন মাহমুদউল্লাহ।

 

ঘটনাপ্রবাহ : বাংলাদেশের ভারত সফর-২০১৯