ছুটি পেলে স্ত্রীকে নিয়ে মক্কা শরিফে যেতে চাই: সাব্বির
jugantor
ছুটি পেলে স্ত্রীকে নিয়ে মক্কা শরিফে যেতে চাই: সাব্বির

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:৩০:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সাব্বির-মালিহা

ছুটি পেলে স্ত্রী মালিহা তাসনিম অর্পাকে নিয়ে সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় ওমরাহ পালন করবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাব্বির রহমান।

সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। ওই সাক্ষাতকারে স্ত্রী মালিহাও উপস্থিত ছিলেন।

সাব্বির জানান, এই মুহূর্তে সব কিছু থেকে ছুটি দেয়া হলে অর্পাকে নিয়ে ওমরাহ পালন করবেন। পবিত্র মক্কা শরিফে আল্লাহর ঘরে যেতে চান। এটা তার খুবই ইচ্ছা।

দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছর প্রেমের পর গত মার্চে মালিহা তাসনিম অর্পার সঙ্গে জীবনের ইনিংস শুরু করেন ক্রিকেটার সাব্বির।

সাক্ষাতকারে বিয়ের আগে কীভাবে পরিচয়, প্রেম-ভালোবাসা হয়েছিল সে বিষয়ে কথা বলেছেন তারা। শেয়ার করেছেন নানা স্মৃতি।

সাব্বির বলেন, পাঁচ বছর আগে এক বাসস্ট্যান্ডে অর্পাকে প্রথম দেখি। আমি তখন রাজশাহী যাচ্ছিলাম। সেদিনের প্রথম দেখাতেই তাকে ভালো লেগে যায়। এরপর আস্তে আস্তে বিষয়টি আগায়। সেখান থেকে ধীরে ধীরে ভালোলাগা, কাছে আসা এবং এরপর পরিবারের সম্মতিতে এক হওয়া।

অর্পা বলেন, ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের আগে তখন ওকে তেমন কেউ চিনত না। তখন এমনি ভালো লাগত। তবে তখন যেটা বিশেষ ছিল এখনও সেটাই আছে। তখনও ওর হাসি ভালো লাগত, এখনও।

ছুটি পেলে স্ত্রীকে নিয়ে মক্কা শরিফে যেতে চাই: সাব্বির

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সাব্বির-মালিহা
সাব্বির-মালিহা। ছবি-সংগৃহীত

ছুটি পেলে স্ত্রী মালিহা তাসনিম অর্পাকে নিয়ে সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় ওমরাহ পালন করবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাব্বির রহমান।

সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। ওই সাক্ষাতকারে স্ত্রী মালিহাও উপস্থিত ছিলেন। 

সাব্বির জানান, এই মুহূর্তে সব কিছু থেকে ছুটি দেয়া হলে অর্পাকে নিয়ে ওমরাহ পালন করবেন। পবিত্র মক্কা শরিফে আল্লাহর ঘরে যেতে চান। এটা তার খুবই ইচ্ছা।

দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছর প্রেমের পর গত মার্চে মালিহা তাসনিম অর্পার সঙ্গে জীবনের ইনিংস শুরু করেন ক্রিকেটার সাব্বির। 

সাক্ষাতকারে বিয়ের আগে কীভাবে পরিচয়, প্রেম-ভালোবাসা হয়েছিল সে বিষয়ে কথা বলেছেন তারা। শেয়ার করেছেন নানা স্মৃতি।

সাব্বির বলেন, পাঁচ বছর আগে এক বাসস্ট্যান্ডে অর্পাকে প্রথম দেখি। আমি তখন রাজশাহী যাচ্ছিলাম। সেদিনের প্রথম দেখাতেই তাকে ভালো লেগে যায়। এরপর আস্তে আস্তে বিষয়টি আগায়। সেখান থেকে ধীরে ধীরে ভালোলাগা, কাছে আসা এবং এরপর পরিবারের সম্মতিতে এক হওয়া।

অর্পা বলেন, ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের আগে তখন ওকে তেমন কেউ চিনত না। তখন এমনি ভালো লাগত। তবে তখন যেটা বিশেষ ছিল এখনও সেটাই আছে। তখনও ওর হাসি ভালো লাগত, এখনও।