কামরুলের জোড়া আঘাতে ম্যাচে ফিরল রাজশাহী
jugantor
কামরুলের জোড়া আঘাতে ম্যাচে ফিরল রাজশাহী

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১৭ জানুয়ারি ২০২০, ২২:১৫:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কামরুল ইসলাম রাব্বির জোড়া আঘাতে ম্যাচে ফিরল রাজশাহী রয়েলস। পরপর দুই উইকেট তুলে নিয়ে দলকে খেলায় ফেরানজাতীয় দলের তারকা এপেসার।

রাজশাহীর বিপক্ষে ১৭১ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১ রানে ২ ওপেনারের উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় খুলনা টাইগার্স। দলকে খেলায় ফেরাতে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নামা শামসুর রহমান শুভ। তৃতীয় উইকেটে রাইলি রুশোকে সঙ্গে নিয়ে ৭৪ রানের জুটি গড়েন শুভ।

দুর্দান্ত ব্যাটিং করে যাওয়া খুলনার দক্ষিণআফ্রিকান তারকা ব্যাটসম্যান রুশোকেআউট করে সাজঘরে ফেরান রাজশাহীর পাকিস্তানি অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নওয়াজ। ২৬ বলে ৩৭ রান করে ফেরেন রুশো।

এরপর খুলনা শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। ১৪তম ওভারে শামসুর রহমান শুভ ও নজিবুল্লাহ জাদরানকে আউট করেন রাব্বি। সাজঘরে ফেরার আগে ৪৩ বলে ৪টি চার ও দুই ছক্কায় ৫২ রান করে ফেরেন শুভ। ৪ রানে ফেরেন খুলনার আফগান ব্যাটসম্যান নজিবুল্লাহ।

রাজশাহী ১৭০/৪

আন্দ্রে রাসেল ও মোহাম্মদ নওয়াজের ব্যাটিং ঝড়ে বিপিএল ফাইনালে ১৭০ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে রাজশাহী রয়েলস। ইনিংসের প্রথম ১৫ ওভারে ৪ উইকেটে ১০০ রান করা রাজশাহী পরের ৫ ওভারে তুলে নেয় ৭০ রান।

শেষ ৩০ বলে অবিচ্ছিন্ন ৭১ রানের জুটি গড়ে দলকে চ্যালেঞ্জিং স্কোর উপহার দেন রাসেল ও নওয়াজ। তাদের দায়িত্বশীলতায় লড়াই করার মতো পুঁপি পায় রাজশাহী। মাত্র ১৬ বল খেলে ৩টি ছক্কায় ২৭ রান করেন রাসেল। আর ২০ বল খেলে ৬টি চার ও দুই ছক্কায় ৪১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন নওয়াজ।

রাজশাহী রয়েলস ও খুলনা টাইগার্স দুই দলের সামনেই বিপিএলের প্রথশ শিরোপা জয়ের হাতছানি। দুটি দলই শিরোপার দ্বার প্রান্তে। জিতলেই ট্রফি নিশ্চিত।

বিপিএল সপ্তম আসরের ফাইনালে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪ উইকেটে ১৭০ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে রাজশাহী। জয়ের জন্য মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বাধীন খুলনা টাইগার্সকে ১৭১রান করতে হবে।

শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে যায় রাজশাহী। দলীয় মাত্র ১৪ রানে ওপেনার আফিফ হোসেনের উইকেট হারায় তারা।

তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার লিটন দাসের সঙ্গে ৪৯ রানের জুটি গড়েন ইরফান শুক্কর। দলীয় ৬৩ রানে ফেরেন জাতীয় দলের তারকা ওপেনার লিটন দাস। তার আগে ২৮ বলে এক চার ও এক ছক্কায় করেন ২৫ রান।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন ইরফান শুক্কর। একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩২ বলে ফিফটি তুলে নেন তিনি। ঘরোয়া লিগের এ তারকা ক্রিকেটার আগের ম্যাচেও অসাধারণ ব্যাটিং করেছিলেন। ফাইনাল নিশ্চিত করার ম্যাচে খেলেছিলেন ৪৫ রানের ইনিংস।

শুক্রবার দলীয় ৯৯ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন ইরফান শুক্কর। তার আগে ৩৫ বলে ৬টি চার ও দুই ছক্কায় খেলেন ৫২ রানের ঝকঝকে ইনিংস।

ইরফান আউট হওয়ার পর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল ও মোহাম্মদ নওয়াজ। পাকিস্তান ব্যাটসম্যান নওয়াজকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের শেষ দিকে রীতিমতো তাণ্ডব চালান রাজশাহীর ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

রাজশাহী রয়েলস: ২০ ওভারে ১৭০/৪ (ইরফান ৫২, নওয়াজ ৪১*, রাসেল ২৭*, লিটন ২৫, আফিফ ১০, শোয়েব মালিক ৯; আমির ২/৩৫)।

কামরুলের জোড়া আঘাতে ম্যাচে ফিরল রাজশাহী

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১৭ জানুয়ারি ২০২০, ১০:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কামরুল ইসলাম রাব্বির জোড়া আঘাতে ম্যাচে ফিরল রাজশাহী রয়েলস। পরপর দুই উইকেট তুলে নিয়ে দলকে খেলায় ফেরান জাতীয় দলের তারকা এ পেসার। 

রাজশাহীর বিপক্ষে ১৭১ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১ রানে ২ ওপেনারের উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় খুলনা টাইগার্স। দলকে খেলায় ফেরাতে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নামা শামসুর রহমান শুভ। তৃতীয় উইকেটে রাইলি রুশোকে সঙ্গে নিয়ে ৭৪ রানের জুটি গড়েন শুভ।

দুর্দান্ত ব্যাটিং করে যাওয়া খুলনার দক্ষিণ আফ্রিকান তারকা ব্যাটসম্যান রুশোকে আউট করে সাজঘরে ফেরান রাজশাহীর পাকিস্তানি অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নওয়াজ। ২৬ বলে ৩৭ রান করে ফেরেন রুশো। 

এরপর খুলনা শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। ১৪তম ওভারে শামসুর রহমান শুভ ও নজিবুল্লাহ জাদরানকে আউট করেন রাব্বি। সাজঘরে ফেরার আগে ৪৩ বলে ৪টি চার ও দুই ছক্কায় ৫২ রান করে ফেরেন শুভ। ৪ রানে ফেরেন খুলনার আফগান ব্যাটসম্যান নজিবুল্লাহ।

রাজশাহী ১৭০/৪

আন্দ্রে রাসেল ও মোহাম্মদ নওয়াজের ব্যাটিং ঝড়ে বিপিএল ফাইনালে ১৭০ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে রাজশাহী রয়েলস। ইনিংসের প্রথম ১৫ ওভারে ৪ উইকেটে ১০০ রান করা রাজশাহী পরের ৫ ওভারে তুলে নেয় ৭০ রান।

শেষ ৩০ বলে অবিচ্ছিন্ন ৭১ রানের জুটি গড়ে দলকে চ্যালেঞ্জিং স্কোর উপহার দেন রাসেল ও নওয়াজ। তাদের দায়িত্বশীলতায় লড়াই করার মতো পুঁপি পায় রাজশাহী। মাত্র ১৬ বল খেলে ৩টি ছক্কায় ২৭ রান করেন রাসেল। আর ২০ বল খেলে ৬টি চার ও দুই ছক্কায় ৪১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন নওয়াজ।

রাজশাহী রয়েলস ও খুলনা টাইগার্স দুই দলের সামনেই বিপিএলের প্রথশ শিরোপা জয়ের হাতছানি। দুটি দলই শিরোপার দ্বার প্রান্তে। জিতলেই ট্রফি নিশ্চিত।

বিপিএল সপ্তম আসরের ফাইনালে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪ উইকেটে ১৭০ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে রাজশাহী। জয়ের জন্য মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বাধীন খুলনা টাইগার্সকে ১৭১রান করতে হবে।

শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে যায় রাজশাহী। দলীয় মাত্র ১৪ রানে ওপেনার আফিফ হোসেনের উইকেট হারায় তারা।

তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার লিটন দাসের সঙ্গে ৪৯ রানের জুটি গড়েন ইরফান শুক্কর। দলীয় ৬৩ রানে ফেরেন জাতীয় দলের তারকা ওপেনার লিটন দাস। তার আগে ২৮ বলে এক চার ও এক ছক্কায় করেন ২৫ রান।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন ইরফান শুক্কর। একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩২ বলে ফিফটি তুলে নেন তিনি। ঘরোয়া লিগের এ তারকা ক্রিকেটার আগের ম্যাচেও অসাধারণ ব্যাটিং করেছিলেন। ফাইনাল নিশ্চিত করার ম্যাচে খেলেছিলেন ৪৫ রানের ইনিংস।

শুক্রবার দলীয় ৯৯ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন ইরফান শুক্কর। তার আগে ৩৫ বলে ৬টি চার ও দুই ছক্কায় খেলেন ৫২ রানের ঝকঝকে ইনিংস।

ইরফান আউট হওয়ার পর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল ও মোহাম্মদ নওয়াজ। পাকিস্তান ব্যাটসম্যান নওয়াজকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের শেষ দিকে রীতিমতো তাণ্ডব চালান রাজশাহীর ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

রাজশাহী রয়েলস: ২০ ওভারে ১৭০/৪ (ইরফান ৫২, নওয়াজ ৪১*, রাসেল ২৭*, লিটন ২৫, আফিফ ১০, শোয়েব মালিক ৯; আমির ২/৩৫)।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বঙ্গবন্ধু বিপিএল-২০১৯

১৭ জানুয়ারি, ২০২০