জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করা উচিত: আল-আমিন
jugantor
জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করা উচিত: আল-আমিন

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:২০:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করতে চান পেসার আল-আমিন হোসেন। ১ মার্চ সিলেটে শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ। এতে সফরকারীদের ধবলধোলাই করতে না পারলে সেটা টাইগারদের ব্যর্থতা হবে বলে মনে করছেন তিনি।

তিন ম্যাচের সব ক’টিই অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। একমাত্র টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ও ১০৬ রানে পরাজিত করায় অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

ইতিমধ্যে ভেন্যুতে পৌঁছেছেন টাইগাররা। সেখানেই আল-আমিন বলেন, যেভাবে দল খেলছে, তাতে আমাদের উচিত জিম্বাবুইয়ানদের হোয়াইটওয়াশ করা। না পারলে সেটা আমাদের ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত হবে।

গেল বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের গ্রাফ বেশ নিম্নমুখী। তবে খুব সহজেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট জয়টা দেশের ক্রিকেটের জন্য একটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

ইংল্যান্ডে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ মঞ্চে দেশবাসীর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। পরে শ্রীলংকা সফরে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয় তারা। লংগার ভার্সনেও ফর্মটা যাচ্ছেতাই যাচ্ছিল।

তবে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাদের হারিয়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করে বাংলাদেশ। আল-আমিন বলেন, জিম্বাবুয়েকে ধোলাই করলেই সাম্প্রতিক সময়ের বাজে পারফরম্যান্স ঢেকে যাবে না। তবে এটা ভবিষ্যতের জন্য দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

তিনি বলেন,বিষয়টা এমন নয় যে, রোডেশিয়ানদের হোয়াইটওয়াশ করতে পারলেই অতীতের খারাপ পারফরম্যান্স মুছে যাবে। তাদের বিপক্ষে আমাদের জিততে হবে। সফরকারীরাও নিশ্চয়ই পরাজিত হতে এখানে আসেনি। যেহেতু আমাদের সময়টা ভালো যাচ্ছে না, তাই বড় একটা জয় আমাদের জন্য দারুণ কিছু হবে।

জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করাটা কোনো সন্তোষজনক কারণ হবে কি না-জানতে চাইলে আল-আমিন বলেন, র‌্যাংকিং অনুযায়ী তাদের চেয়ে আমরা খুব বেশি এগিয়ে নেই। হতে পারে তারা ১০ অথবা ১১ নম্বরে, আমরা ৮ অথবা ৯ নম্বর দল।

ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স সবসময় বোলারদের পারফরম্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে জানান তিনি।

আল-আমিন বলেন, আমরা ভারত ও পাকিস্তানের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে এসেছি। সবমিলিয়ে আমাদের ব্যাটিং ছিল খুবই খারাপ। যে কারণে বোলার হিসেবে আমরা লড়াই করতে পারিনি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আমাদের ব্যাটসম্যানরা ভালো করেছে এবং একইভাবে বোলিংও ভালো ছিল। আশা করছি, ব্যাটসম্যানরা এ ফর্মটা ওয়ানডে সিরিজেও অব্যাহত রাখবে।

জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করা উচিত: আল-আমিন

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:২০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করতে চান পেসার আল-আমিন হোসেন। ১ মার্চ সিলেটে শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ। এতে সফরকারীদের ধবলধোলাই করতে না পারলে সেটা টাইগারদের ব্যর্থতা হবে বলে মনে করছেন তিনি।

তিন ম্যাচের সব ক’টিই অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। একমাত্র টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ও ১০৬ রানে পরাজিত করায় অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

ইতিমধ্যে ভেন্যুতে পৌঁছেছেন টাইগাররা। সেখানেই আল-আমিন বলেন, যেভাবে দল খেলছে, তাতে আমাদের উচিত জিম্বাবুইয়ানদের হোয়াইটওয়াশ করা। না পারলে সেটা আমাদের ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত হবে।

গেল বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের গ্রাফ বেশ নিম্নমুখী। তবে খুব সহজেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট জয়টা দেশের ক্রিকেটের জন্য একটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

ইংল্যান্ডে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ মঞ্চে দেশবাসীর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। পরে শ্রীলংকা সফরে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয় তারা। লংগার ভার্সনেও ফর্মটা যাচ্ছেতাই যাচ্ছিল।

তবে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাদের হারিয়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করে বাংলাদেশ। আল-আমিন বলেন, জিম্বাবুয়েকে ধোলাই করলেই সাম্প্রতিক সময়ের বাজে পারফরম্যান্স ঢেকে যাবে না। তবে এটা ভবিষ্যতের জন্য দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

তিনি বলেন,বিষয়টা এমন নয় যে, রোডেশিয়ানদের হোয়াইটওয়াশ করতে পারলেই অতীতের খারাপ পারফরম্যান্স মুছে যাবে। তাদের বিপক্ষে আমাদের জিততে হবে। সফরকারীরাও নিশ্চয়ই পরাজিত হতে এখানে আসেনি। যেহেতু আমাদের সময়টা ভালো যাচ্ছে না, তাই বড় একটা জয় আমাদের জন্য দারুণ কিছু হবে।

জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করাটা কোনো সন্তোষজনক কারণ হবে কি না-জানতে চাইলে আল-আমিন বলেন, র‌্যাংকিং অনুযায়ী তাদের চেয়ে আমরা খুব বেশি এগিয়ে নেই। হতে পারে তারা ১০ অথবা ১১ নম্বরে, আমরা ৮ অথবা ৯ নম্বর দল।

ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স সবসময় বোলারদের পারফরম্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে জানান তিনি।

আল-আমিন বলেন, আমরা ভারত ও পাকিস্তানের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে এসেছি। সবমিলিয়ে আমাদের ব্যাটিং ছিল খুবই খারাপ। যে কারণে বোলার হিসেবে আমরা লড়াই করতে পারিনি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আমাদের ব্যাটসম্যানরা ভালো করেছে এবং একইভাবে বোলিংও ভালো ছিল। আশা করছি, ব্যাটসম্যানরা এ ফর্মটা ওয়ানডে সিরিজেও অব্যাহত রাখবে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : জিম্বাবুয়ের বাংলাদেশ সফর -২০২০