রুপগঞ্জকে হারিয়ে দিলেন লিজেন্ড শাহরিয়ার

  স্পোর্টস রিপোর্টার ২০ মার্চ ২০১৮, ১৮:৫৪ | অনলাইন সংস্করণ

শাহরিয়ার নাফীস

শাহরিয়ার নাফীসের অসাধারণ ব্যাটিং এবং আল-আমিন হোসেনের গতির সামনে থেমে গেলে লিজেন্ড অব রুপগঞ্জের জয়ের রথ। খেলাঘর, কলাবাগানের পর ব্রাদার্সের বিপক্ষে টানা তিন ম্যাচে জয়ী হওয়া দলটি হেরে গেলে অগ্রণী ব্যাংক দলের বিপক্ষে।

মঙ্গলবার ৬ উইকেটে হেরে গেলেও ১১ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় পজিশন অক্ষতই রয়েছে রুপগঞ্জের। এই জয়ে ১১ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের নিচ দিক থেকে তিনে অবস্থানে অগ্রণী ব্যাংক।

বোলিংয়ে ৪ উইকেট নিয়ে অগ্রণী ব্যাংকের জয়ের পথ সহজ করে দেন জাতীয় দলের পেস বোলার আল-আমিন হোসেন। বাকি কাজটা সম্পূর্ণ করেন ৮৪ ও ৪৯* রান করা শাহরিয়ার নাফীস এবং ধীমান ঘোস। ৯৯ এবং ১২১ রানের ইনিংস খেলার পর দুই ম্যাচে রান পাননি নাফীস। আগের দুই ম্যাচে ০ ও ৪ রানে আউট হওয়া জাতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার এদিন খেলেন ৮২ রানের ইনিংস।

মঙ্গলবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই আল-আমিনের গতির মুখে পড়ে যায় রুপগঞ্জ। ৫৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যাওয়া দলটিকে খেলায় ফেরান তুষার ইমরান ও মোশাররফ হোসেন রুবেল। ষষ্ঠ উইকেটে ৭৫ রানের জুটি গড়তেই বিপদে পড়ে যান মোশাররফ। আব্দুর রাজ্জাকের স্পিনে ধরা পড়ার আগে ২৭ রান করেন এই অলরাউন্ডার। এরপর একাই লড়াই করে যান তুষার ইমরান। তার বাড়তি দায়িত্বশীলতায় শেষ পর্যন্ত ২০০ পার করতে সক্ষম হয় রুপগঞ্জ। ছয় নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নামা তুষার ভালো খেলেও মাত্র ২ রানের জন্য সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন। আল-আমিনের গতির বলে বিভ্রান্ত হওয়ার আগে ১২১ বলে ৮ চার ও এক ছক্কায় ৯৮ রান করেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০ হাজার রান সংগ্রহ করা এই ব্যাটসম্যান।

তুষারের কল্যাণে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২০৪ রান করতে সক্ষম হয় রুপগঞ্জের দলটি। অগ্রণী ব্যাংক দলের হয়ে ৪৪ রানে ৪ উইকেট নেন আল-আমিন। এছাড়া দুটি করে উইকেট ভাগাভাগি করেন সাফিউল ইসলাম ও আব্দুর রাজ্জাক।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে সৌম্য সরকারকে সঙ্গে নিয়ে উদ্বোধনীতে ৭৬ রান করেন শাহরিয়ার নাফীস। ৬৬ বলে মাত্র ২৪ রান করে ফেরেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সৌম্য। এরপর দ্রুত বিদায় নেন সালমান হোসেন (২)।

তৃতীয় উইকেটে শামসুল ইসলামের সঙ্গে ২৯ রানের ছোট একটা জুটি গড়তেই বিপদে পড়ে যান নাফীস। ইনিংসের শুরু থেকে দুর্দান্ত খেলে যাওয়া জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক মোহাম্মদ শহিদের গতিতে বিধ্বস্ত হওয়ার আগে ১০৩ বলে ১০ বাউন্ডারিতে ৮২ রান করে ফেরেন।

চতুর্থ উইকেটে ধীমান ঘোষের সঙ্গে ৭৬ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন শামসুল ইসলাম। জয়ের জন্য অগ্রণী ব্যাংক দলের প্রয়োজন মাত্র ২ রান। এমন অবস্থায় রান আউটের ফাঁদে পড়েন শামসুল। তার আগে ৫৯ বলে ৪১ রান করেন তরুণ এই ব্যাটসম্যান। ৩৫ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত ৪৯ রানের ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ধীমান ঘোষ। সংক্ষিপ্ত স্কোর

রুপগঞ্জ: ৫০ ওভারে ২০৪/৯ রান (তুষার ৯৮, মোশাররফ ২৭; আল-আমিন ৪/৪৪)।

অগ্রণী ব্যাংক: ৪৭.১ ওভারে ২১০ রান (নাফীস ৮২, ধীমান ৪৯*, শামসুল ৪১)।

ফল: অগ্রণী ব্যাংক ৬ উইকেটে জয়ী।

ম্যাচসেরা: শাহরিয়ার নাফীস (অগ্রণী ব্যাংক)।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×