শচীনের আউট চাইতেন না সাবেক পাক অধিনায়ক

  স্পোর্টস ডেস্ক ১৪ মে ২০২০, ১১:২০:৪০ | অনলাইন সংস্করণ

বিশ্ব ক্রিকেটে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান। মাঠের লড়াইয়ে সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা অজস্র গুণ বেড়ে যায়। প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করতে উন্মুখ হয়ে পড়েন দুই দলের ক্রিকেটাররা।

কিন্তু সাবেক পাক অধিনায়ক রশিদ লতিফ দিলেন চমকপ্রদ তথ্য। বললেন, উইকেটের পেছনে দায়িত্ব সামলানোর সময় ভারতীয় ক্রিকেট ঈশ্বর শচীন টেন্ডুলকারের আউট চাইতেন না তিনি।

নিজের জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেলে অতীতের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে টেন্ডুলকারকে নিয়ে কথা বলেন লতিফ। তিনি বলেন, আমি উইকেটরক্ষক থাকতে অনেকেই ব্যাটিংয়ে এসেছে। অসংখ্য কিংবদন্তির ব্যাটিং দেখেছি। কিন্তু টেন্ডুলকার ব্যাটিংয়ে এলে, আমার মন চাইত না সে আউট হোক। কারণ উইকেটের পেছনে আমি তার ব্যাটিং উপভোগ করতাম।

এ তো গেল ব্যাটসম্যান টেন্ডুলকারের প্রশংসা। ব্যক্তি টেন্ডুলকারেরও প্রশংসা করেন লতিফ। তিনি বলেন, লারা-পন্টিং বা অন্য ব্যাটসম্যানরা স্লেজিং করলে, তারা পাল্টা উত্তর দিত। কিন্তু টেন্ডুলকারের আচরণ ছিল একেবারে আলাদা। কিছু বললেও জবাব দিত না সে, শুধু হাসত। টেন্ডুলকার ও আজহারউদ্দিন এদিক দিয়ে একেবারে আলাদা। এ কারণে সবাই লিটল মাস্টারের প্রশংসা করেন। যে জন্য বিশ্ব ক্রিকেটে ব্যক্তি টেন্ডুলকারের অন্যরকম সম্মান রয়েছে।

সাবেক পাকিস্তানি উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান বলেন, শচীন ব্যাটিংয়ের সময় অন্য কিছু চিন্তা করত না। বড় ইনিংসের দিকে তার চোখ থাকত। ১০০ করবে, কিন্তু অন্যদিকে মনোযোগ দেবে না, কথাও বলবে না। তার আচরণ ছিল দুর্দান্ত। একেবারে মনে রাখার মতো। আমার মনে হয়, মাঠের আচরণে ক্রিকেটারদের মধ্যে অনেক উঁচু জায়গায় থাকবে টেন্ডুলকার। এমন খেলোয়াড়রা মনের মধ্যে জায়গা করে নেয়।

 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত