মুশফিক এমন একজন ক্রিকেটার যাকে অনুসরণ করা যায়: তামিম
jugantor
মুশফিক এমন একজন ক্রিকেটার যাকে অনুসরণ করা যায়: তামিম

  স্পোর্টস ডেস্ক  

০২ জুন ২০২০, ২১:১৫:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মুশফিকুর রহিম-তামিম ইকবাল

জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল বলেছেন, আমাদের দলে দারুণ একজন ক্রিকেটার রয়েছেন, মুশফিকুর রহিম। আমি তার ক্রিকেটীয় দিকে যাব না, ফিটনেসের দিক থেকে সে নিজেকে যেভাবে সামলায়, সেটা বলছি। সে এমন একজন, যাকে অনুসরণ করা যায়।

ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোতে ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের সঙ্গে ভিডিও আলাপ করেন তামিম ইকবাল।

সেই আলাপে ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলির প্রসঙ্গ টেনে মাঞ্জরেকার বলেন, দুই-তিন বছর আগে বিরাট কোহলিকে দেখেছি জিমে কাজ করে রানিং করছে, নিজেকে নিয়ে লজ্জা লাগত আমার। সত্যিই নিজেকে নিয়ে লজ্জা লাগত। মনে হতো, এই ছেলেটি, সম্ভবত আমার বয়সীই, এই ধরনের কাজ করছে, এত ট্রেনিং করছে ও সাফল্য পাচ্ছে, আমি হয়তো তার অর্ধেকও করছি না। তার পর্যায়ে যেতে না পারি, অন্তত তার পথ তো অনুসরণ করার চেষ্টা করতে পারি।

শুধু কোহলিই নন, বাংলাদেশ দলেও ফিটনেসের দিক থেকে মুশফিকুর রহিমকে অনুকরণীয় খুঁজে পান তামিম। দেশসের এ ওপেনার বলেন, মুশফিক ফিটনেসের দিক থেকে নিজেকে যেভাবে সামলায় তা অবিশ্বাস্য। সে এমন একজন, যাকে অনুসরণ করা যায়। হ্যাঁ, বিরাট কোহলি অবশ্যই উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। মুশফিকও বাংলাদেশ দলে অনেক তরুণ ক্রিকেটারের আদর্শ হতে পারে।

তামিম আরও বলেন, খেলায় ফিটনেসের গুরুত্ব বুঝতে অনেক সময়ে লেগেছে আমাদের। গত তিন-চার বছরে হয়তো আমরা বুঝতে পারছি, যথেষ্ট ফিট থাকতে হবে, টিভিতে যেন ভালো দেখায়, বিশাল পেট নিয়ে যেন মাঠে নামতে না হয়।

২০১০ সালের দিকে তুমূল ফর্মে ছিলেন তামিম, রান করেছেন দেশে ও দেশের বাইরে, পরপর দুর্দান্ত দুটি সেঞ্চুরি করেছেন ইংল্যান্ড সফরে। কিন্তু ফর্মে থাকলেও ফিটনেস নিয়ে তার ধারণা ছিল বাজে।

তামিম বলেন, তখন আমার মানসিকতা ছিল এরকম যে, যতক্ষণ রান করছি, আমাকে কেমন দেখাচ্ছে, সেটা কোনো ব্যাপার নয়। খুব বাজে ধারণা ছিল আমার। এখন যদি আপনি ২০১৫ সালের আমাকে দেখেন, সেখান থেকে আমার ওজন ৯ কেজি কমেছে। ওই সময়টায় ফিটনেস নিয়ে অনেক খাটতে শুরু করেছি আমি। কৃতিত্ব দিতে হবে আমাদের ট্রেনারকেও।

সূত্র: ক্রিকইনফো

মুশফিক এমন একজন ক্রিকেটার যাকে অনুসরণ করা যায়: তামিম

 স্পোর্টস ডেস্ক 
০২ জুন ২০২০, ০৯:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মুশফিকুর রহিম-তামিম ইকবাল
মুশফিকুর রহিম-তামিম ইকবাল। ফাইল ছবি

জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল বলেছেন, আমাদের দলে দারুণ একজন  ক্রিকেটার রয়েছেন, মুশফিকুর রহিম। আমি তার ক্রিকেটীয় দিকে যাব না, ফিটনেসের দিক থেকে সে নিজেকে যেভাবে সামলায়, সেটা বলছি। সে এমন একজন, যাকে অনুসরণ করা যায়।

ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোতে ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের সঙ্গে ভিডিও আলাপ করেন তামিম ইকবাল। 

সেই আলাপে ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলির প্রসঙ্গ টেনে মাঞ্জরেকার বলেন, দুই-তিন বছর আগে বিরাট কোহলিকে দেখেছি জিমে কাজ করে রানিং করছে, নিজেকে নিয়ে লজ্জা লাগত আমার। সত্যিই নিজেকে নিয়ে লজ্জা লাগত। মনে হতো, এই ছেলেটি, সম্ভবত আমার বয়সীই, এই ধরনের কাজ করছে, এত ট্রেনিং করছে ও সাফল্য পাচ্ছে, আমি হয়তো তার অর্ধেকও করছি না। তার পর্যায়ে যেতে না পারি, অন্তত তার পথ তো অনুসরণ করার চেষ্টা করতে পারি।

শুধু কোহলিই নন, বাংলাদেশ দলেও ফিটনেসের দিক থেকে মুশফিকুর রহিমকে অনুকরণীয় খুঁজে পান তামিম। দেশসের এ ওপেনার বলেন, মুশফিক ফিটনেসের দিক থেকে নিজেকে যেভাবে সামলায় তা অবিশ্বাস্য। সে এমন একজন, যাকে অনুসরণ করা যায়। হ্যাঁ, বিরাট কোহলি অবশ্যই উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। মুশফিকও বাংলাদেশ দলে অনেক তরুণ ক্রিকেটারের আদর্শ হতে পারে।

তামিম আরও বলেন, খেলায় ফিটনেসের গুরুত্ব বুঝতে অনেক সময়ে লেগেছে আমাদের। গত তিন-চার বছরে হয়তো আমরা বুঝতে পারছি, যথেষ্ট ফিট থাকতে হবে, টিভিতে যেন ভালো দেখায়, বিশাল পেট নিয়ে যেন মাঠে নামতে না হয়।

২০১০ সালের দিকে তুমূল ফর্মে ছিলেন তামিম, রান করেছেন দেশে ও  দেশের বাইরে, পরপর দুর্দান্ত দুটি সেঞ্চুরি করেছেন ইংল্যান্ড সফরে। কিন্তু ফর্মে থাকলেও ফিটনেস নিয়ে তার ধারণা ছিল বাজে। 

তামিম বলেন, তখন আমার মানসিকতা ছিল এরকম যে, যতক্ষণ রান করছি, আমাকে কেমন দেখাচ্ছে, সেটা কোনো ব্যাপার নয়। খুব বাজে ধারণা ছিল আমার। এখন যদি আপনি ২০১৫ সালের আমাকে দেখেন, সেখান থেকে আমার ওজন ৯ কেজি কমেছে। ওই সময়টায় ফিটনেস নিয়ে অনেক খাটতে শুরু করেছি আমি। কৃতিত্ব দিতে হবে আমাদের ট্রেনারকেও।

সূত্র: ক্রিকইনফো