দর্শক মাঠে না এলে ক্রিকেটাররা খেলায় উৎসাহ পাবে না: শচীন
jugantor
দর্শক মাঠে না এলে ক্রিকেটাররা খেলায় উৎসাহ পাবে না: শচীন

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১৪ জুন ২০২০, ২০:১৭:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর শর্তসাপেক্ষে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে ফুটবল খেলা শুরু হয়েছে। জুলাইয়ে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্ট ম্যাচ দিয়ে আবার মাঠে ফিরবে ক্রিকেট। 

তবে ফাঁকা স্টেডিয়ামে ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনের পক্ষে মত নেই কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের। 

ভারতীয় সাবেক এ অধিনায়ক বলেছেন, কিছুসংখ্যক দর্শককে স্টেডিয়ামে আসতে দিলে ভালোই হয়। তাহলে অন্তত এটা বোঝানো যাবে যে আমরা একেবারে স্তব্ধ হয়ে যাইনি। ধীরে ধীরে হলেও স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগোচ্ছি। তাছাড়া দর্শকরা মাঠে না এলে ক্রিকেটাররা খেলার উৎসাহ পাবে না। আমার মনে হয় এই ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) ভাবা উচিত।

গত ২৯ মার্চ এবারের আইপিএল শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে তা পিছিয়ে গেছে। আইপিএল বাতিল হলে ভারতের ক্ষতি হবে চার হাজার কোটি রুপি। আর্থিক সেই ক্ষতি এড়াতেই অক্টোবর-নভেম্বরে আইপিএল আয়োজন করতে চায় ভারত। তবে সেই সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ার কথা রয়েছে। যদি বিশ্বকাপ স্থগিত হয় তাহলে আইপিএল আয়োজনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে ভারত।

দর্শক মাঠে না এলে ক্রিকেটাররা খেলায় উৎসাহ পাবে না: শচীন

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১৪ জুন ২০২০, ০৮:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর শর্তসাপেক্ষে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে ফুটবল খেলা শুরু হয়েছে। জুলাইয়ে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্ট ম্যাচ দিয়ে আবার মাঠে ফিরবে ক্রিকেট।

তবে ফাঁকা স্টেডিয়ামে ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনের পক্ষে মত নেই কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের।

ভারতীয় সাবেক এ অধিনায়ক বলেছেন, কিছুসংখ্যক দর্শককে স্টেডিয়ামে আসতে দিলে ভালোই হয়। তাহলে অন্তত এটা বোঝানো যাবে যে আমরা একেবারে স্তব্ধ হয়ে যাইনি। ধীরে ধীরে হলেও স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগোচ্ছি। তাছাড়া দর্শকরা মাঠে না এলে ক্রিকেটাররা খেলার উৎসাহ পাবে না। আমার মনে হয় এই ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) ভাবা উচিত।

গত ২৯ মার্চ এবারের আইপিএল শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে তা পিছিয়ে গেছে। আইপিএল বাতিল হলে ভারতের ক্ষতি হবে চার হাজার কোটি রুপি। আর্থিক সেই ক্ষতি এড়াতেই অক্টোবর-নভেম্বরে আইপিএল আয়োজন করতে চায় ভারত। তবে সেই সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ার কথা রয়েছে। যদি বিশ্বকাপ স্থগিত হয় তাহলে আইপিএল আয়োজনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে ভারত।