‘গ্রেট ক্রিকেটাররা কথা বলে না, পারফর্ম করে’
jugantor
‘গ্রেট ক্রিকেটাররা কথা বলে না, পারফর্ম করে’

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১০ আগস্ট ২০২০, ২০:১৬:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

অনিল কুম্বলে, ইমরান খান, কুমার সাঙ্গাকারা, রিকি পন্টিং

কিংবদন্তি অনিল কুম্বলে প্রসঙ্গে ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার হরভজন সিং ও আশিষ নেহরা বলেছেন, কুম্বলে ছিলেন সত্যিকারের ম্যাচ-উইনার। হরভজন-নেহরার সঙ্গে সুর মিলিয়ে একই কথা বলেছেন ভারতীয় সাবেক তারকা ক্রিকেটার বেঙ্কটপতি রাজু।

ভারতের হয়ে ২৮টি টেস্ট আর ৫৩টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ১৫৬ উইকেট শিকার করা বাঁহাতি স্পিনার রাজু বলেছেন, অনিল কুম্বলের ব্যাপারে হরভজন আর নেহরা সত্যি কথাই বলেছেন। আসলে গ্রেট ক্রিকেটাররা কথা বলে না, তারা পারফর্ম করে। কুম্বলেও তাই। ও যতদিন দলে ছিল সতীর্থদের কাজটা সহজ ছিল। ওর দিকেই পুরো ফোকাস থাকত। সবাই ধরেই নিত ম্যাচ জেতাবে কুম্বলে- এটাই ছিল প্রত্যাশা। আমরা থাকতাম সাপোর্টের জন্য।

ক্রিকেট থেকে অবসরে ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করা বেঙ্কটপতি রাজু আরও বলেছেন, কুম্বলে দলে থাকায় আমাদের ওপর তেমন কোনো চাপ থাকত না। ও কম রান দিত, লাইন লেন্থ ঠিক রেখে বিরামহীন বল করে যেত। প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের চিন্তায় রাখত। ফলে আমরা স্বাধীনভাবে নিজেদের মতো করেই চেষ্টা করে যেতাম। কুম্বলেই ছিল সত্যিকারের ম্যাচ উইনার।

৫১ বছর বয়সী ভারতীয় এই সাবেক তারকা ক্রিকেটার আরও বলেছেন, একটা কথা এখানে খুবই জরুরি, পেস বোলার বা স্পিনার, জুটির ক্ষেত্রে বোঝাপড়া গুরুত্বপূর্ণ। বোলিংয়ের কম্বিনেশন যাই হোক, অন্যের সাফল্যে খুশি হওয়া দরকার। অন্যকে অভিনন্দন জানানো দরকার। তাহলেই ভালো করার প্রেরণা জোগাবে।

ভারতের সাবেক অধিনায়ক অনিল কুম্বলে দেশের হয়ে ১৩২টি টেস্টে অংশ নিয়ে রেকর্ড সর্বোচ্চ ৬১৯ উইকেট শিকার করেছেন। শুধু তাই নয়, টেস্টের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ১০ উইকেট শিকার করা ইতিহাসের দ্বিতীয় বোলার হলেন লেগ স্পিনার কুম্বলে। ১৯৯৯ সালে দিল্লি টেস্টে পাকিস্তানের ১০ জন ব্যাটসম্যানকেই সাজঘরে ফেরান তিনি।

কুম্বলের লেগ স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে একের পর এক সাজঘরে ফেরেন ওপেনার শহীদ আফ্রিদি, ইজাজ আহমেদ, ইনজামাম-উল-হক, মোহাম্মদ ইউসুফ, মঈন খান, ওপেনার সাঈদ আনোয়ার, সেলিম মালিক, মুশতাক আহমেদ ও ওয়াসিম আকরাম।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের প্রধান কোচের দায়িত্ব পেয়েছিলেন অনিল কুম্বলে। কিন্তু অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় এই কিংবদন্তির চাকরি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।

‘গ্রেট ক্রিকেটাররা কথা বলে না, পারফর্ম করে’

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১০ আগস্ট ২০২০, ০৮:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
অনিল কুম্বলে, ইমরান খান, কুমার সাঙ্গাকারা, রিকি পন্টিং
অনিল কুম্বলে, ইমরান খান, কুমার সাঙ্গাকারা, রিকি পন্টিং। ফাইল ছবি

কিংবদন্তি অনিল কুম্বলে প্রসঙ্গে ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার হরভজন সিং ও আশিষ নেহরা বলেছেন, কুম্বলে ছিলেন সত্যিকারের ম্যাচ-উইনার। হরভজন-নেহরার সঙ্গে সুর মিলিয়ে একই কথা বলেছেন ভারতীয় সাবেক তারকা ক্রিকেটার বেঙ্কটপতি রাজু। 

ভারতের হয়ে ২৮টি টেস্ট আর ৫৩টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ১৫৬ উইকেট শিকার করা বাঁহাতি স্পিনার রাজু বলেছেন, অনিল কুম্বলের ব্যাপারে হরভজন আর নেহরা সত্যি কথাই বলেছেন। আসলে গ্রেট ক্রিকেটাররা কথা বলে না, তারা পারফর্ম করে। কুম্বলেও তাই। ও যতদিন দলে ছিল সতীর্থদের কাজটা সহজ ছিল। ওর দিকেই পুরো ফোকাস থাকত। সবাই ধরেই নিত ম্যাচ জেতাবে কুম্বলে- এটাই ছিল প্রত্যাশা। আমরা থাকতাম সাপোর্টের জন্য। 

ক্রিকেট থেকে অবসরে ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করা বেঙ্কটপতি রাজু আরও বলেছেন, কুম্বলে দলে থাকায় আমাদের ওপর তেমন কোনো চাপ থাকত না। ও কম রান দিত, লাইন লেন্থ ঠিক রেখে বিরামহীন বল করে যেত। প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের চিন্তায় রাখত। ফলে আমরা স্বাধীনভাবে নিজেদের মতো করেই চেষ্টা করে যেতাম। কুম্বলেই ছিল সত্যিকারের ম্যাচ উইনার।

৫১ বছর বয়সী ভারতীয় এই সাবেক তারকা ক্রিকেটার আরও বলেছেন, একটা কথা এখানে খুবই জরুরি, পেস বোলার বা স্পিনার, জুটির ক্ষেত্রে বোঝাপড়া গুরুত্বপূর্ণ। বোলিংয়ের কম্বিনেশন যাই হোক, অন্যের সাফল্যে খুশি হওয়া দরকার। অন্যকে অভিনন্দন জানানো দরকার। তাহলেই ভালো করার প্রেরণা জোগাবে।

ভারতের সাবেক অধিনায়ক অনিল কুম্বলে দেশের হয়ে ১৩২টি টেস্টে অংশ নিয়ে রেকর্ড সর্বোচ্চ ৬১৯ উইকেট শিকার করেছেন। শুধু তাই নয়, টেস্টের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ১০ উইকেট শিকার করা ইতিহাসের দ্বিতীয় বোলার হলেন লেগ স্পিনার কুম্বলে। ১৯৯৯ সালে দিল্লি টেস্টে পাকিস্তানের ১০ জন ব্যাটসম্যানকেই সাজঘরে ফেরান তিনি। 

কুম্বলের লেগ স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে একের পর এক সাজঘরে ফেরেন ওপেনার শহীদ আফ্রিদি, ইজাজ আহমেদ, ইনজামাম-উল-হক, মোহাম্মদ ইউসুফ, মঈন খান, ওপেনার সাঈদ আনোয়ার, সেলিম মালিক, মুশতাক আহমেদ ও ওয়াসিম আকরাম। 

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের প্রধান কোচের দায়িত্ব পেয়েছিলেন অনিল কুম্বলে। কিন্তু অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় এই কিংবদন্তির চাকরি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।