‘বিশ্বসেরা হতে চাইলে চ্যালেঞ্জ নিতেই হবে’
jugantor
‘বিশ্বসেরা হতে চাইলে চ্যালেঞ্জ নিতেই হবে’

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:৩৬:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বসেরা হতে চাইলে চ্যালেঞ্জ নেয়ার মানসিকতা রাখতেই হবে। সাফল্য পেতে হলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কোনো বিকল্প নেই। এমনটিই বলছেন দক্ষিণ আফ্রিকারপ্রধান কোচ মার্ক বাউচার।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ওয়ানডে এবংটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কোনো শিরোপাই জিততে পারেনি প্রোটিয়ারা। তবে ১৯৯৮ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল আফ্রিকা।

গত বছর ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। দলের এমন বাজে পারফরম্যান্সের কারণে চাকরি হারান প্রধান কোচ ওটিস গিবসনসহ পুরো কোচিং স্টাফ। সরিয়ে দেয়া হয় অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিসকে।

দলকে নতুনভাবে ঢেলে সাজাতে প্রধান কোচের দায়িত্ব দেয়া হয় প্রোটিয়া সাবেক তারকা ক্রিকেটার মার্ক বাউচারকে। সম্প্রতি দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বাউচার বলেছেন, আমার কাছে পারফরম্যান্স আসল, যাতে সাফল্য পাওয়া যাবে। দলে দুর্দান্ত সব ক্রিকেটারদের চাই না। চ্যালেঞ্জিং একটি দল চাই, যেসব খেলোয়াড়রা চ্যালেঞ্জ নিতে পারবে, চ্যালেঞ্জে জিততে পারবে, বিশ্বের সেরা হতে লড়াই করবে।

তিনি আরও বলেছেন, আমরা দল হিসেবে সঠিক পথে আছি। তবে আমাদের মাঠে প্রমাণ করতে হবে, ভালো খেলতে হবে। আমরা মাঠে ফিরতে মুখিয়ে আছি, মাঠে নিজেদের পারফরম্যান্সকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে।

গত বিশ্বকাপে ফেভারিটের কাতারে থেকেও সপ্তম স্থানে থেকে টুর্নামেন্ট শেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। এ ব্যাপারে বাউচার বলেছেন, আইসিসির ইভেন্টে আমাদের সাফল্য পেতে হবে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজেও সাফল্যের ধারাবাহিকতা আনতে হবে।

তিনি আরও বলেছেন, আমার কাছে মনে হয়, ডি ককের চাপ অনেক বেশি। সে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বে আছে। তার সঙ্গে কথা বলেছি, তখন মনে হয়েছে তার ওপর চাপটা বেশি পড়ে যাচ্ছে। আমরা টেস্ট অধিনায়কের সন্ধানে আছি। অন্যান্য দেশেও ভিন্ন ফরম্যাটে ভিন্ন অধিনায়ক আছে।

‘বিশ্বসেরা হতে চাইলে চ্যালেঞ্জ নিতেই হবে’

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বসেরা হতে চাইলে চ্যালেঞ্জ নেয়ার মানসিকতা রাখতেই হবে। সাফল্য পেতে হলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কোনো বিকল্প নেই। এমনটিই বলছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান কোচ মার্ক বাউচার।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কোনো শিরোপাই জিততে পারেনি প্রোটিয়ারা। তবে ১৯৯৮ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল আফ্রিকা। 

গত বছর ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। দলের এমন বাজে পারফরম্যান্সের কারণে চাকরি হারান প্রধান কোচ ওটিস গিবসনসহ পুরো কোচিং স্টাফ। সরিয়ে দেয়া হয় অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিসকে।

দলকে নতুনভাবে ঢেলে সাজাতে প্রধান কোচের দায়িত্ব দেয়া হয় প্রোটিয়া সাবেক তারকা ক্রিকেটার মার্ক বাউচারকে। সম্প্রতি দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বাউচার বলেছেন, আমার কাছে পারফরম্যান্স আসল, যাতে সাফল্য পাওয়া যাবে। দলে দুর্দান্ত সব ক্রিকেটারদের চাই না। চ্যালেঞ্জিং একটি দল চাই, যেসব খেলোয়াড়রা চ্যালেঞ্জ নিতে পারবে, চ্যালেঞ্জে জিততে পারবে, বিশ্বের সেরা হতে লড়াই করবে। 

তিনি আরও বলেছেন, আমরা দল হিসেবে সঠিক পথে আছি। তবে আমাদের মাঠে প্রমাণ করতে হবে, ভালো খেলতে হবে। আমরা মাঠে ফিরতে মুখিয়ে আছি, মাঠে নিজেদের পারফরম্যান্সকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে।

গত বিশ্বকাপে ফেভারিটের কাতারে থেকেও সপ্তম স্থানে থেকে টুর্নামেন্ট শেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। এ ব্যাপারে বাউচার বলেছেন, আইসিসির ইভেন্টে আমাদের সাফল্য পেতে হবে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজেও সাফল্যের ধারাবাহিকতা আনতে হবে।

তিনি আরও বলেছেন, আমার কাছে মনে হয়, ডি ককের চাপ অনেক বেশি। সে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বে আছে। তার সঙ্গে কথা বলেছি, তখন মনে হয়েছে তার ওপর চাপটা বেশি পড়ে যাচ্ছে। আমরা টেস্ট অধিনায়কের সন্ধানে আছি। অন্যান্য দেশেও ভিন্ন ফরম্যাটে ভিন্ন অধিনায়ক আছে।