‘ফুটবলের দায়িত্ব নেয়ায় সবাই আমাকে পাগল বলেছিল’
jugantor
‘ফুটবলের দায়িত্ব নেয়ায় সবাই আমাকে পাগল বলেছিল’

  আল-মামুন  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৭:১৯:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

ফুটবল ক্যারিয়ারে আলোচিত কাজী সালাউদ্দিন সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই সমালোচিত। আর সেই সমালোচনা এড়িয়েই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) চতুর্থবারের মতো সভাপতি হওয়ার লড়াইয়ে আছেন এই কিংবদন্তি।

আগামী ৩ অক্টোবর বাফুফের নির্বাচন। তার আগে যুগান্তরকে দেয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে ক্রিকেট ছেড়ে ফুটবলার হওয়া, সফল ফুটবলার হয়েও ভালো সংগঠক না হতে পারার কারণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। দেশের এই জীবন্ত কিংবদন্তির সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন স্পোর্টস রিপোর্টার আল-মামুন। আজ পড়ুন তৃতীয় পর্ব-

যুগান্তর: খেলোয়াড়ি জীবন নিয়ে শত্রুরাও আপনার প্রশংসা করেন। অথচ সংগঠক সালাউদ্দিনের ঘরে-বাইরে সমালোচনার কারণ কী?

কাজী সালাউদ্দিন: সমালোচনা কিন্তু করে বেসিক্যালি ছয় থেকে সাতজন লোক এবং তিন থেকে চারটা টিভি চ্যানেল। ওদেরকেই আপনারা (মিডিয়া) ব্যবহার করেন। আপনি টিভির প্রোগ্রামের শুরুতে দেখেই বুঝবেন, আজকে লোকগুলো সালাউদ্দিনকে গালি দেবে!

আমার নাম কাজী সালাউদ্দিন কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখবেন- কাজী সালাউদ্দিন আহমদ নামে একটা আইডি খুলে আমার বিরুদ্ধে সমালোচনা করা হচ্ছে। এই আইডিটা ভুয়া। তাছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার কোনো আইডি নেই। তিন হাজার লোক বলছেন কাজী সালাউদ্দিন আহমেদের বাফুফে সভাপতির চেয়ারে থাকার প্রয়োজন নেই, আমার বিরুদ্ধে তারা যা তা বলছেন। এটা প্রফেশনাল লোকরাই করছে। আমার মনে হয় একটা প্ল্যাটফর্ম থেকেই এটা করা হচ্ছে। আপনি এটা খেয়াল করে দেখবেন, যেলোকগুলো আমার সমালোচনা করেছে তারা ফুটবল খেলা দেখেও না, ফুটবল প্লেয়ারও ছিল না- এমনকি ফুটবলের সংগঠকও না। এটা একটা প্রফেশনাল ক্যাম্পেন।

যুগান্তর: যখন দেখেন ঘরে-বাইরে আপনার সমালোচনা হয়, তখন এ সমালোচনা এড়িয়ে কীভাবে কাজের এনার্জি পান?

কাজী সালাউদ্দিন: তারা যে সমালোচনাগুলো করছে, সেটা যদি সত্যিই হতো, তাহলে আমি হতাশ হতাম, মুষড়ে পরতাম। আমি জানি পয়সা খরচ করেই আমার সমালোচনা করা হচ্ছে। যে কারণে এটা আমি গায়ে লাগাই না, এগুলো নিয়ে মাথাও ঘামাই না। আমি আমার কাজের প্রতিই মনোযোগ রাখি।

যুগান্তর: একজন কিংবদন্তি খেলোয়াড়ও অনেক সময় ভালো সংগঠক হয়ে উঠতে পারেন না। আপনি কী এতে একমত হবেন?

কাজী সালাউদ্দিন: অবশ্যই না। কিছু কিছু জিনিস আমি করে গেছি, আপনি যদি আমার শেষ চার বছরের পারফরম্যান্স দেখেন তাহলেই বুঝবেন। আমি প্লেয়ারের চেয়েও সংগঠক হিসেবে বেটার। আমি যে প্রোগ্রামগুলো করেছি, সেগুলো দেখলেই আপনি বুঝবেন যে কত কাজ করা হয়েছে। আমি যখন ২০০৮ সালে ফুটবলের দায়িত্ব নেই তখন আমাকে সবাই পাগল বলেছিল। অনেকেই বলেছিল- কেন আপনি ফুটবলের দায়িত্ব নিলেন? ফুটবল তো মরে গেছে! ওই জায়গা থেকে ফুটবলকে আমি টেনে উঠিয়েছি। আরও পাঁচ-সাত বছর সময় দেন, দেখবেন ফুটবল অনেক দূর চলে যাবে।

সাক্ষাৎকারের প্রথম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন

সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন

‘ফুটবলের দায়িত্ব নেয়ায় সবাই আমাকে পাগল বলেছিল’

 আল-মামুন 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফুটবল ক্যারিয়ারে আলোচিত কাজী সালাউদ্দিন সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই সমালোচিত। আর সেই সমালোচনা এড়িয়েই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) চতুর্থবারের মতো সভাপতি হওয়ার লড়াইয়ে আছেন এই কিংবদন্তি।

আগামী ৩ অক্টোবর বাফুফের নির্বাচন। তার আগে যুগান্তরকে দেয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে ক্রিকেট ছেড়ে ফুটবলার হওয়া, সফল ফুটবলার হয়েও ভালো সংগঠক না হতে পারার কারণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। দেশের এই জীবন্ত কিংবদন্তির সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন স্পোর্টস রিপোর্টার আল-মামুন। আজ পড়ুন তৃতীয় পর্ব-

যুগান্তর: খেলোয়াড়ি জীবন নিয়ে শত্রুরাও আপনার প্রশংসা করেন। অথচ সংগঠক সালাউদ্দিনের ঘরে-বাইরে সমালোচনার কারণ কী?

কাজী সালাউদ্দিন: সমালোচনা কিন্তু করে বেসিক্যালি ছয় থেকে সাতজন লোক এবং তিন থেকে চারটা টিভি চ্যানেল। ওদেরকেই আপনারা (মিডিয়া) ব্যবহার করেন। আপনি টিভির প্রোগ্রামের শুরুতে দেখেই বুঝবেন, আজকে লোকগুলো সালাউদ্দিনকে গালি দেবে!

আমার নাম কাজী সালাউদ্দিন কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখবেন- কাজী সালাউদ্দিন আহমদ নামে একটা আইডি খুলে আমার বিরুদ্ধে সমালোচনা করা হচ্ছে। এই আইডিটা ভুয়া। তাছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার কোনো আইডি নেই। তিন হাজার লোক বলছেন কাজী সালাউদ্দিন আহমেদের বাফুফে সভাপতির চেয়ারে থাকার প্রয়োজন নেই, আমার বিরুদ্ধে তারা যা তা বলছেন। এটা প্রফেশনাল লোকরাই করছে। আমার মনে হয় একটা প্ল্যাটফর্ম থেকেই এটা করা হচ্ছে। আপনি এটা খেয়াল করে দেখবেন, যে লোকগুলো আমার সমালোচনা করেছে তারা ফুটবল খেলা দেখেও না, ফুটবল প্লেয়ারও ছিল না- এমনকি ফুটবলের সংগঠকও না। এটা একটা প্রফেশনাল ক্যাম্পেন। 

যুগান্তর: যখন দেখেন ঘরে-বাইরে আপনার সমালোচনা হয়, তখন এ সমালোচনা এড়িয়ে কীভাবে কাজের এনার্জি পান?

কাজী সালাউদ্দিন: তারা যে সমালোচনাগুলো করছে, সেটা যদি সত্যিই হতো, তাহলে আমি হতাশ হতাম, মুষড়ে পরতাম। আমি জানি পয়সা খরচ করেই আমার সমালোচনা করা হচ্ছে। যে কারণে এটা আমি গায়ে লাগাই না, এগুলো নিয়ে মাথাও ঘামাই না। আমি আমার কাজের প্রতিই মনোযোগ রাখি। 

যুগান্তর: একজন কিংবদন্তি খেলোয়াড়ও অনেক সময় ভালো সংগঠক হয়ে উঠতে পারেন না। আপনি কী এতে একমত হবেন?

কাজী সালাউদ্দিন: অবশ্যই না। কিছু কিছু জিনিস আমি করে গেছি, আপনি যদি আমার শেষ চার বছরের পারফরম্যান্স দেখেন তাহলেই বুঝবেন। আমি প্লেয়ারের চেয়েও সংগঠক হিসেবে বেটার। আমি যে প্রোগ্রামগুলো করেছি, সেগুলো দেখলেই আপনি বুঝবেন যে কত কাজ করা হয়েছে। আমি যখন ২০০৮ সালে ফুটবলের দায়িত্ব নেই তখন আমাকে সবাই পাগল বলেছিল। অনেকেই বলেছিল- কেন আপনি ফুটবলের দায়িত্ব নিলেন? ফুটবল তো মরে গেছে! ওই জায়গা থেকে ফুটবলকে আমি টেনে উঠিয়েছি। আরও পাঁচ-সাত বছর সময় দেন, দেখবেন ফুটবল অনেক দূর চলে যাবে।

সাক্ষাৎকারের প্রথম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন

সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন