বায়ার্ন মিউনিখের সুপার কাপ জয়
jugantor
বায়ার্ন মিউনিখের সুপার কাপ জয়

  স্পোর্টস ডেস্ক  

০১ অক্টোবর ২০২০, ১২:৩৫:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা বিরতির পর মাঠে নেমে সবচাইতে বেশি সাফল্য দেখেছে জার্মানির শীর্ষস্থানীয় ফুটবল ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। চ্যাম্পিয়ন হওয়া যেন তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

জার্মান কাপসহ বুন্দেসলিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপাসহ ২০১৯-২০ মৌসুমের ইউরোপিয়ান ট্রেবল জয় করেছে ক্লাবটি।

এতেও আশা মেটেনি হান্স ফ্লিকের শিষ্যদের। নতুন মৌসুমের শুরুতেই জার্মান সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন হলো মিউনিখের দলটি।

এক সপ্তাহ আগে উয়েফা ইউরোপা লিগের চ্যাম্পিয়ন সেভিয়াকে হারিয়ে উয়েফা সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় বায়ার্ন।

গত বুধবার রাতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে জার্মান সুপার কাপের ট্রফি ঘরে তুললেন তারা।

বুধবার অ্যালিয়েন্স অ্যারেনায় ঘরের মাঠে ম্যাচের ১৮ মিনিটে প্রথম গোল পায় বায়ার্ন। এক কাউন্টার অ্যাটাকে বরুশিয়ার রক্ষণকে ভেঙে দেন বায়ার্নের খেলোয়াড়রা।

মিডফিল্ডার কোরেন্টিন তোলিসোর জোরালো শট গোলরক্ষকের পায়ে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে আলতো করে পা ছুঁইয়ে দলকে এগিয়ে দেন তোলিসো নিজেই।

৩২ মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন থমাস মুলার। আলফনসো ডেভিসের মাপা ক্রসে চমৎকার হেড করে দলেকে ২-০তে এগিয়ে দেন তিনি।

৪০ মিনিট ছুঁই ছুঁই অবস্থায় একটি গোল শোধ করেন বরুশিয়ার জার্মান ফরোয়ার্ড হুলিয়ান ব্রান্ডট। আর্লিং হালান্ডের পাস ধরে ডি-বক্সের মধ্যে ঢুকেই উঁচু করে নেয়া শটে নয়্যারকে পরাস্ত করেন ব্রান্ডট।

২-১ স্কোরলাইনে বিরতিতে যায় দুদল।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ম্যাচের ৫৫ মিনিটের সময় সমতা ফেরান নরওয়েজিয়ান তরুণ আর্লিং ব্রট হালান্ড।

থমাস ডেলেনির অসাধারণ এক পাস পেয়ে সেটিকে গোলে রূপান্তর করেন ২০ বছর বয়সী এ ফরোয়ার্ড।

খেলায় গতি বেড়ে যায়। প্রথমে ২ গোলে এগিয়ে থেকেও ড্রর শঙ্কায় ভুগতে থাকে বায়ার্ন।


দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ম্যাচের ৫৫ মিনিটের সময় সমতা ফেরান নরওয়েজিয়ান তরুণ আর্লিং ব্রট হালান্ড। এর কিছু সময় পর নয়্যারের দৃঢ়তায় ম্যাচে পিছিয়ে পড়া থেকে রক্ষা পায় বায়ার্ন। হালান্ডের দুর্দান্ত এক প্রচেষ্টা অসামান্য দক্ষতায় ফেরান জার্মান গোলরক্ষক।

ম্যাচের শেষ দিতে বরুশিয়ার কফিনে প্যারেক ঠুকে দেন জশুয়া কিমিচ। রবার্ট লেওয়ানডস্কির কাছে চমৎকার পাসিং খেলে বুরুশিয়ার ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন কিমিচ।

তার প্রথম শটটি ফিরিয়ে দেন বরুশিয়া গোলরক্ষক। তবে ফিরতি শটে পরাস্ত হন গোলরক্ষক।

কিমিচের সেই জয়সূচক গোলে ৩-২ ব্যবধানে নিশ্চিত হয় বায়ার্নের অষ্টম সুপার কাপ শিরোপা।

তথ্যসূত্র: গোল ডট কম

বায়ার্ন মিউনিখের সুপার কাপ জয়

 স্পোর্টস ডেস্ক 
০১ অক্টোবর ২০২০, ১২:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা বিরতির পর মাঠে নেমে সবচাইতে বেশি সাফল্য দেখেছে জার্মানির শীর্ষস্থানীয় ফুটবল ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। চ্যাম্পিয়ন হওয়া যেন তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

জার্মান কাপসহ বুন্দেসলিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপাসহ ২০১৯-২০ মৌসুমের ইউরোপিয়ান ট্রেবল জয় করেছে ক্লাবটি।

এতেও আশা মেটেনি হান্স ফ্লিকের শিষ্যদের। নতুন মৌসুমের শুরুতেই জার্মান সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন হলো মিউনিখের দলটি।

এক সপ্তাহ আগে উয়েফা ইউরোপা লিগের চ্যাম্পিয়ন সেভিয়াকে হারিয়ে উয়েফা সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় বায়ার্ন। 

গত বুধবার রাতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে জার্মান সুপার কাপের ট্রফি ঘরে তুললেন তারা।

বুধবার অ্যালিয়েন্স অ্যারেনায় ঘরের মাঠে ম্যাচের ১৮ মিনিটে প্রথম গোল পায় বায়ার্ন। এক কাউন্টার অ্যাটাকে বরুশিয়ার রক্ষণকে ভেঙে দেন বায়ার্নের খেলোয়াড়রা। 

মিডফিল্ডার কোরেন্টিন তোলিসোর জোরালো শট গোলরক্ষকের পায়ে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে আলতো করে পা ছুঁইয়ে দলকে এগিয়ে দেন তোলিসো নিজেই।

৩২ মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন থমাস মুলার। আলফনসো ডেভিসের মাপা ক্রসে চমৎকার হেড করে দলেকে ২-০তে এগিয়ে দেন তিনি।

৪০ মিনিট ছুঁই ছুঁই অবস্থায় একটি গোল শোধ করেন বরুশিয়ার জার্মান ফরোয়ার্ড হুলিয়ান ব্রান্ডট। আর্লিং হালান্ডের পাস ধরে ডি-বক্সের মধ্যে ঢুকেই উঁচু করে নেয়া শটে নয়্যারকে পরাস্ত করেন ব্রান্ডট।  

২-১ স্কোরলাইনে বিরতিতে যায় দুদল। 

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ম্যাচের ৫৫ মিনিটের সময় সমতা ফেরান নরওয়েজিয়ান তরুণ আর্লিং ব্রট হালান্ড। 

থমাস ডেলেনির অসাধারণ এক পাস পেয়ে সেটিকে গোলে রূপান্তর করেন ২০ বছর বয়সী এ ফরোয়ার্ড। 

খেলায় গতি বেড়ে যায়। প্রথমে ২ গোলে এগিয়ে থেকেও ড্রর শঙ্কায় ভুগতে থাকে বায়ার্ন।


দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ম্যাচের ৫৫ মিনিটের সময় সমতা ফেরান নরওয়েজিয়ান তরুণ আর্লিং ব্রট হালান্ড। এর কিছু সময় পর নয়্যারের দৃঢ়তায় ম্যাচে পিছিয়ে পড়া থেকে রক্ষা পায় বায়ার্ন। হালান্ডের দুর্দান্ত এক প্রচেষ্টা অসামান্য দক্ষতায় ফেরান জার্মান গোলরক্ষক।

ম্যাচের শেষ দিতে বরুশিয়ার কফিনে প্যারেক ঠুকে দেন জশুয়া কিমিচ। রবার্ট লেওয়ানডস্কির কাছে চমৎকার পাসিং খেলে বুরুশিয়ার ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন কিমিচ। 

তার প্রথম শটটি ফিরিয়ে দেন বরুশিয়া গোলরক্ষক। তবে ফিরতি শটে পরাস্ত হন গোলরক্ষক। 

কিমিচের সেই জয়সূচক গোলে ৩-২ ব্যবধানে নিশ্চিত হয় বায়ার্নের অষ্টম সুপার কাপ শিরোপা।

তথ্যসূত্র: গোল ডট কম