বাফুফের নির্বাচন: অপেক্ষা বাড়ল তাবিথ আউয়ালের 
jugantor
বাফুফের নির্বাচন: অপেক্ষা বাড়ল তাবিথ আউয়ালের 

  স্পোর্টস ডেস্ক  

০৩ অক্টোবর ২০২০, ২১:২৮:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাচনে ৯৪ ভোট পেয়ে টানা তুর্থবারের মতো সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কাজী সালাউদ্দিন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সভাপতি পদে নির্বাচন করা বাদল রায় পেয়েছেন ৪০ ভোট। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সভাপতির চেয়ার দখলের লড়াই করা শফিকুল ইসলাম মানিক পেয়েছেন মাত্র ১ ভোট।

সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থী আবদুস সালাম মুর্শেদী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক তারকা ফুটবলার শেখ মো. আসলাম পেয়েছেন ৪৪ ভোট।

সহ-সভাপতির চার পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন আটজন প্রার্থী। এই আটজন প্রার্থীর মধ্যে ইমরুল হাসান পেয়েছেন (৯১), কাজী নাবিল আহমেদ (৮৯) এবং ৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক।

তবে সাবেক দুই সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মহি ও তাবিথ আউয়াল সমান ৬৫ ভোট পেয়েছেন। এই দুই প্রার্থীর মধ্য থেকে একজনকে নির্বাচিত করতে ফের নির্বাচন হবে।

শনিবার সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের প্রক্রিয়া সহজ করতে আটটি আলাদা বুথ করে এবার নির্বাচন কমিশন। ১৩৯ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১৩৭ জন। অনুপস্থিত দুইজন হলেন চট্টগ্রাম আবাহনীর কাউন্সিলর তরফদার রুহুল আমিন ও ফরিদপুরের খন্দকার নাজমুল ইসলাম। একজন ভোটার দেশের বাইরে এবং অন্যজন কারাগারে থাকায় তারা উপস্থিত হতে পারেননি।

২১ পদের বিপরীতে প্রার্থী সংখ্যা ছিলেন ৪৭। এর মধ্যে সভাপতির একটি পদের জন্য তিনজন, সিনিয়র সহ-সভাপতির একটি পদের জন্য দুইজন, চারটি সহ-সভাপতি পদের জন্য আটজন এবং ১৫ সদস্য পদের জন্য লড়াই করেছেন ৩৪ জন।

বাফুফের নির্বাচন: অপেক্ষা বাড়ল তাবিথ আউয়ালের 

 স্পোর্টস ডেস্ক 
০৩ অক্টোবর ২০২০, ০৯:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাচনে ৯৪ ভোট পেয়ে টানা তুর্থবারের মতো সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কাজী সালাউদ্দিন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সভাপতি পদে নির্বাচন করা বাদল রায় পেয়েছেন ৪০ ভোট। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সভাপতির চেয়ার দখলের লড়াই করা শফিকুল ইসলাম মানিক পেয়েছেন মাত্র ১ ভোট।

সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থী আবদুস সালাম মুর্শেদী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক তারকা ফুটবলার শেখ মো. আসলাম পেয়েছেন ৪৪ ভোট।

সহ-সভাপতির  চার পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন আটজন প্রার্থী। এই আটজন প্রার্থীর মধ্যে ইমরুল হাসান পেয়েছেন (৯১), কাজী নাবিল আহমেদ (৮৯) এবং ৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক।

তবে সাবেক দুই সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মহি ও তাবিথ আউয়াল সমান ৬৫ ভোট পেয়েছেন। এই দুই প্রার্থীর মধ্য থেকে একজনকে নির্বাচিত করতে ফের নির্বাচন হবে।

শনিবার সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের প্রক্রিয়া সহজ করতে আটটি আলাদা বুথ করে এবার নির্বাচন কমিশন। ১৩৯ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১৩৭ জন। অনুপস্থিত দুইজন হলেন চট্টগ্রাম আবাহনীর কাউন্সিলর তরফদার রুহুল আমিন ও ফরিদপুরের খন্দকার নাজমুল ইসলাম। একজন ভোটার দেশের বাইরে এবং অন্যজন কারাগারে থাকায় তারা উপস্থিত হতে পারেননি।

২১ পদের বিপরীতে প্রার্থী সংখ্যা ছিলেন ৪৭। এর মধ্যে সভাপতির একটি পদের জন্য তিনজন, সিনিয়র সহ-সভাপতির একটি পদের জন্য দুইজন, চারটি সহ-সভাপতি পদের জন্য আটজন এবং ১৫ সদস্য পদের জন্য লড়াই করেছেন ৩৪ জন।