ফাইনালে শান্তদের ব্যাটিং বিপর্যয়
jugantor
ফাইনালে শান্তদের ব্যাটিং বিপর্যয়

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২৫ অক্টোবর ২০২০, ১৯:১২:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রেসিডেন্টস কাপে ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চরম ব্যাটিং ‍বিপর্যয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশ। ইরফান শুক্কুরের ৭৫ রানের ইনিংসের পরও ৪৭.১ ওভারে ১৭৩ রানে অলআউট শান্তরা।

রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ডে-নাইট ফাইনালে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে সুমন খান ও রুবেল হোসেনের গতির মুখে পড়ে সময়ের ব্যবধানে উইকেট হারায় শান্ত একাদশ।

দলীয় মাত্র ৪ রানে ফেরেন ওপেনার সাইফ হাসান। এক উইকেটে ৩১ রান করা নাজমুল একাদশ এরপর ১০ রানের ব্যবধানে হারায় ৩ উইকেট। জাতীয় দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ফেরেন ১২ রান করে। ১১ বল খেলে মাত্র ৪ রান করে আউট হন জাতীয় দলের তারকা ওপেনার সৌম্য সরকার। মাত্র ২ বল খেলে শূন্য রানে ফেরেন আফিফ হোসেন। দলের ব্যাটিং বিপর্যয় এড়াতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দলীয় ৬৪ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন তিনি।

ষষ্ঠ উইকেটে ইরফান শুক্কুরকে সঙ্গে নিয়ে ৭০ রানের জুটি গড়েন তাওহিদ হৃদয়। এরপর ফের ব্যাটিং বিপর্যয়, ৩৯ রানের ব্যবধানে নেই ৫ উইকেট। দলীয় ১৩৪ রানে ফেরেন হৃদয় (২৬)। ১৮ বলে মাত্র ৭ রান করে আউট হন নাঈম হাসান। ১৭ বলে মাত্র ৩ রানে ফেরেন নাসুম আহমেদ।

দুর্দান্ত ইনিংস খেলে যাওয়া ইরফান শুক্কুরকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান রুবেল। তার আগে ৭৭ বলে ৮ চার ও দুই ছক্কায় ৭৫ রান করেন ইরফান। ৭ বলে ১ রান করে এবাদত হোসেনের শিকার হয়ে তাসকিন সাজঘরে ফেরার মধ্য দিয়ে ৪৭.১ ওভারে ১৭৩ রানে অলআউট হয় নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশ। মাহমুদউল্লাহ একাদশের হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট শিকার করেন সুমান খান, দুই উইকেট নেন রুবেল হোসেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
নাজমুল একাদশ: ৪৭.১ ওভারে ১৭৩/১০ (ইরফান ৭৫, শান্ত ৩২, হৃদয় ২৬; সুমন ৫/৩৮, রুবেল ২/২৭)।

ফাইনালে শান্তদের ব্যাটিং বিপর্যয়

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৭:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রেসিডেন্টস কাপে ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চরম ব্যাটিং ‍বিপর্যয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশ। ইরফান শুক্কুরের ৭৫ রানের ইনিংসের পরও ৪৭.১ ওভারে ১৭৩ রানে অলআউট শান্তরা।

রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ডে-নাইট ফাইনালে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে সুমন খান ও রুবেল হোসেনের গতির মুখে পড়ে সময়ের ব্যবধানে উইকেট হারায় শান্ত একাদশ।

দলীয় মাত্র ৪ রানে ফেরেন ওপেনার সাইফ হাসান। এক উইকেটে ৩১ রান করা নাজমুল একাদশ এরপর ১০ রানের ব্যবধানে হারায় ৩ উইকেট। জাতীয় দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ফেরেন ১২ রান করে। ১১ বল খেলে মাত্র ৪ রান করে আউট হন জাতীয় দলের তারকা ওপেনার সৌম্য সরকার। মাত্র ২ বল খেলে শূন্য রানে ফেরেন আফিফ হোসেন। দলের ব্যাটিং বিপর্যয় এড়াতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দলীয় ৬৪ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন তিনি।

ষষ্ঠ উইকেটে ইরফান শুক্কুরকে সঙ্গে নিয়ে ৭০ রানের জুটি গড়েন তাওহিদ হৃদয়। এরপর ফের ব্যাটিং বিপর্যয়, ৩৯ রানের ব্যবধানে নেই ৫ উইকেট। দলীয় ১৩৪ রানে ফেরেন হৃদয় (২৬)। ১৮ বলে মাত্র ৭ রান করে আউট হন নাঈম হাসান। ১৭ বলে মাত্র ৩ রানে ফেরেন নাসুম আহমেদ।

দুর্দান্ত ইনিংস খেলে যাওয়া ইরফান শুক্কুরকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান রুবেল। তার আগে ৭৭ বলে ৮ চার ও দুই ছক্কায় ৭৫ রান করেন ইরফান। ৭ বলে ১ রান করে এবাদত হোসেনের শিকার হয়ে তাসকিন সাজঘরে ফেরার মধ্য দিয়ে ৪৭.১ ওভারে ১৭৩ রানে অলআউট হয় নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশ। মাহমুদউল্লাহ একাদশের হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট শিকার করেন সুমান খান, দুই উইকেট নেন রুবেল হোসেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
নাজমুল একাদশ: ৪৭.১ ওভারে ১৭৩/১০ (ইরফান ৭৫, শান্ত ৩২, হৃদয় ২৬; সুমন ৫/৩৮, রুবেল ২/২৭)।