পা হারিয়েও মনোবল হারাননি, স্বর্ণ জয়ের টার্গেট মানসির
jugantor
পা হারিয়েও মনোবল হারাননি, স্বর্ণ জয়ের টার্গেট মানসির

  স্পোর্টস ডেস্ক  

৩১ অক্টোবর ২০২০, ১৭:৫৫:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সড়ক দুর্ঘটনায় পা হারালেও মনোবাল হারাননি মানসিজোশি। এক পায়ের শক্তি আর মনের প্রবল সাহস নিয়েই তার অগ্রযাত্রা শুরু। শত প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন ভারতের এ প্যারা ব্যাডমিন্টন তারকা।

আর এই স্বীকৃতি স্বরূপ টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে স্থান পেয়েছেন এ ভারতীয়। এখন তার একটাই লক্ষ্য আগামী বছর টোকিওতে অনুষ্ঠিতব্য প্যারা-অলিম্পিক স্বর্ণ জয়।

এখন থেকে ঠিক আট বছর আগে, মুম্বাইয়ের একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন মানসি। দিনের কাজ শেষে নিজের স্কুটারে বাসায় ফেরার পথে একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়, এতে তার বাম পা ও দুই হাত ভেঙ্গে যায়।

গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর উন্নত চিকিৎসায় দুই হাত পুরোপুরি ঠিক হলেও হারাতে হয় পা। তার বাম পা গোড়া থেকে কেটে ফেলতে হয়। দুর্ঘটনার তিন মাস পর বসানো হয় কৃত্রিম পা। কয়েক মাস পুনর্বাসন শেষে হাঁটা শুরু করেন। দুর্ঘটনায় তার শারীরিক ক্ষতি হলেও তার মনোবল হারায়নি। এক পায়েই শুরু করেন ব্যাডমিন্টন খেলা।

তিনি স্কুল, কলেজ এবং কর্পোরেট অফিসের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন। দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হওয়ার পাঁচ মাস পর কৃত্রিম পায়ে খেলে মানসিতার অফিসের টুর্নামেন্টে প্রথম স্বর্ণ জিতেন।

৩১ বছর বয়সী এ মানসিবলেছেন, দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হওয়ার পর অনেক কষ্ট করেই আমি প্রাকটিস করেছি। কঠোর পরিশ্রমের কারণেই আজ আমি এই পর্যায়ে আসতে পেরেছি। আমি কখনই মনোবল হারাইনি। প্রথম যখন স্বর্ণ পদক জয়ের পর আমার আত্মবিশ্বাস অরও বেড়েছে।

কর্পোরেট টুর্নামেন্টে স্বর্ণ পদক জয়ের দুই বছর পরে মানসিহায়দরাবাদের জাতীয় একাডেমিতে যোগ দিয়ে ভারতের জাতীয় প্যারা-ব্যাডমিন্টন দলের সদস্য হন।

গত বছর প্যারা-ব্যাডমিন্টন ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে মানসি এককে স্বর্ণ জিতেন। চলতি মাসের ১১ তারিখ যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত খেলনা প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘বার্বি পুতুল’র একটি মডেলিংয়ে অংশ নেন।

এ ব্যাপারে মানসি বলেন, এরকম একটি নামকরা কোম্পানির মডেলিংয়ে অংশ হতে পেরে আমি গর্বিত। এই শোতে আমার জীবনের পুরো চিত্রতুলে ধরা হয়েছে। আমি মনে করি এটি দেখে মানুষ আত্মবিশ্বাসী এবং অনুপ্রাণিত হবেন।

পা হারিয়েও মনোবল হারাননি, স্বর্ণ জয়ের টার্গেট মানসির

 স্পোর্টস ডেস্ক 
৩১ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সড়ক দুর্ঘটনায় পা হারালেও মনোবাল হারাননি মানসি জোশি। এক পায়ের শক্তি আর মনের প্রবল সাহস নিয়েই তার অগ্রযাত্রা শুরু। শত প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন ভারতের এ প্যারা ব্যাডমিন্টন তারকা।

আর এই স্বীকৃতি স্বরূপ টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে স্থান পেয়েছেন এ ভারতীয়। এখন তার একটাই লক্ষ্য আগামী বছর টোকিওতে অনুষ্ঠিতব্য প্যারা-অলিম্পিক স্বর্ণ জয়।

এখন থেকে ঠিক আট বছর আগে, মুম্বাইয়ের একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন মানসি। দিনের কাজ শেষে নিজের স্কুটারে বাসায় ফেরার পথে একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়, এতে তার বাম পা ও দুই হাত ভেঙ্গে যায়।

গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর উন্নত চিকিৎসায় দুই হাত পুরোপুরি ঠিক হলেও হারাতে হয় পা। তার বাম পা গোড়া থেকে কেটে ফেলতে হয়। দুর্ঘটনার তিন মাস পর বসানো হয় কৃত্রিম পা। কয়েক মাস পুনর্বাসন শেষে হাঁটা শুরু করেন। দুর্ঘটনায় তার শারীরিক ক্ষতি হলেও তার মনোবল হারায়নি। এক পায়েই শুরু করেন ব্যাডমিন্টন খেলা।

তিনি স্কুল, কলেজ এবং কর্পোরেট অফিসের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন। দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হওয়ার পাঁচ মাস পর কৃত্রিম পায়ে খেলে মানসি তার অফিসের টুর্নামেন্টে প্রথম স্বর্ণ জিতেন।

৩১ বছর বয়সী এ মানসি বলেছেন, দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হওয়ার পর অনেক কষ্ট করেই আমি প্রাকটিস করেছি। কঠোর পরিশ্রমের কারণেই আজ আমি এই পর্যায়ে আসতে পেরেছি। আমি কখনই মনোবল হারাইনি। প্রথম যখন স্বর্ণ পদক জয়ের পর আমার আত্মবিশ্বাস অরও বেড়েছে।

কর্পোরেট টুর্নামেন্টে স্বর্ণ পদক জয়ের দুই বছর পরে মানসি হায়দরাবাদের জাতীয় একাডেমিতে যোগ দিয়ে ভারতের জাতীয় প্যারা-ব্যাডমিন্টন দলের সদস্য হন।

গত বছর প্যারা-ব্যাডমিন্টন ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে মানসি এককে স্বর্ণ জিতেন। চলতি মাসের ১১ তারিখ যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত খেলনা প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘বার্বি পুতুল’র একটি মডেলিংয়ে অংশ নেন।

এ ব্যাপারে মানসি বলেন, এরকম একটি নামকরা কোম্পানির মডেলিংয়ে অংশ হতে পেরে আমি গর্বিত। এই শোতে আমার জীবনের পুরো চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আমি মনে করি এটি দেখে মানুষ আত্মবিশ্বাসী এবং অনুপ্রাণিত হবেন।