‘ম্যারাডোনার জন্যই আমি সম্মানিত’
jugantor
‘ম্যারাডোনার জন্যই আমি সম্মানিত’

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২৮ নভেম্বর ২০২০, ২০:০৬:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে ম্যারাডোনার দুই গোল স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। একটি পরিচিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল নামে, অন্যটি ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি।’

‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের চার মিনিট পর চোখ ধাঁধানো দ্বিতীয় গোলটি করেছিলেন ম্যারাডোনা। পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে গত বুধবার অসীমের পথে পাড়ি জমান ম্যারাডোনা। আর্জেন্টাইন গ্রেট চলে যাওয়ায় ফুটবল বিশ্ব হয়ে পড়েছে শোকাচ্ছন্ন। স্বাভাবিকভাবে বারবার উঠে আসছে ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে যাওয়া ম্যারাডোনার সেই ‘কুখ্যাত’ ও ‘বিখ্যাত’ দুই গোল।

সেই ম্যাচে রেফারির দায়িত্ব পালন করা তিউনিশিয়ান আলী বিন নাসের বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ম্যারাডোনার মতো কাউকে রেফারিং করার সময় তার ওপর থেকে চোখ সরানো যায় না। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা তিনবার ম্যারাডোনাকে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু লক্ষ্য অর্জনের ক্ষুধা তাকে শুধু সামনেই এগিয়ে নিচ্ছিল। বক্সের বাইরে থেকে আমি অবাক হয়ে দেখছিলাম, কীভাবে তিন ডিফেন্ডারকে সে কাটাল।

তিনি আরও বলেন, ম্যারাডোনা প্রায় ৫০ মিটার দৌড়েছিল। ভেবেছিলাম, ডিফেন্ডাররা তাকে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করবে। সেরকমই ভাবছিলাম এবং পেনাল্টির বাঁশি বাজানোর জন্য প্রস্তুত ছিলাম। এক ডিফেন্ডার এবং গোলকিপারকে কাটিয়ে অবিশ্বাস্য গোলটি করেন ম্যারাডোনা। তার ওই ঐতিহাসিক অর্জনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকায় ব্যক্তি ও রেফারি হিসেবে আমি গর্বিত ও সম্মানিত বোধ করি। ইংলিশদের প্রথম তিন চ্যালেঞ্জে যদি আমি ফাউলের বাঁশি বাজাতাম তাহলে এমন জাদুকরি কিছুর সাক্ষী আমরা হতে পারতাম না। যে অ্যাডভান্টেজ আমি দিয়েছি, তা আমার সেরা অর্জনগুলোর একটি।

‘ম্যারাডোনার জন্যই আমি সম্মানিত’

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৮:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে ম্যারাডোনার দুই গোল স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। একটি পরিচিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল নামে, অন্যটি ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি।’

‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের চার মিনিট পর চোখ ধাঁধানো দ্বিতীয় গোলটি করেছিলেন ম্যারাডোনা। পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে গত বুধবার অসীমের পথে পাড়ি জমান ম্যারাডোনা। আর্জেন্টাইন গ্রেট চলে যাওয়ায় ফুটবল বিশ্ব হয়ে পড়েছে শোকাচ্ছন্ন। স্বাভাবিকভাবে বারবার উঠে আসছে ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে যাওয়া ম্যারাডোনার সেই ‘কুখ্যাত’ ও ‘বিখ্যাত’ দুই গোল। 

সেই ম্যাচে রেফারির দায়িত্ব পালন করা তিউনিশিয়ান আলী বিন নাসের বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ম্যারাডোনার মতো কাউকে রেফারিং করার সময় তার ওপর থেকে চোখ সরানো যায় না। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা তিনবার ম্যারাডোনাকে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু লক্ষ্য অর্জনের ক্ষুধা তাকে শুধু সামনেই এগিয়ে নিচ্ছিল। বক্সের বাইরে থেকে আমি অবাক হয়ে দেখছিলাম, কীভাবে তিন ডিফেন্ডারকে সে কাটাল।

তিনি আরও বলেন, ম্যারাডোনা প্রায় ৫০ মিটার দৌড়েছিল। ভেবেছিলাম, ডিফেন্ডাররা তাকে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করবে। সেরকমই ভাবছিলাম এবং পেনাল্টির বাঁশি বাজানোর জন্য প্রস্তুত ছিলাম। এক ডিফেন্ডার এবং গোলকিপারকে কাটিয়ে অবিশ্বাস্য গোলটি করেন ম্যারাডোনা। তার ওই ঐতিহাসিক অর্জনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকায় ব্যক্তি ও রেফারি হিসেবে আমি গর্বিত ও সম্মানিত বোধ করি। ইংলিশদের প্রথম তিন চ্যালেঞ্জে যদি আমি ফাউলের বাঁশি বাজাতাম তাহলে এমন জাদুকরি কিছুর সাক্ষী আমরা হতে পারতাম না। যে অ্যাডভান্টেজ আমি দিয়েছি, তা আমার সেরা অর্জনগুলোর একটি।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ম্যারাডোনা আর নেই