পরাজয়ে প্লে অফের পথ কঠিন হল বরিশালের
jugantor
পরাজয়ে প্লে অফের পথ কঠিন হল বরিশালের

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১০ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:২৯:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

পরাজয়ে প্লে অফের স্বপ্নভঙ্গ হওয়ার পথে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বরিশালের। নিজেদের শেষ খেলায় শনিবার মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বাধীন ঢাকার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিততে না পারলে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিতে হবে তামিমদের।

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়া বরিশাল নিজেদের দ্বিতীয় খেলায় জয় পায় রাজশাহীর বিপক্ষে। এরপর তিন ম্যাচে চট্টগ্রাম, ঢাকা ও খুলনার বিপক্ষে টানা হেরে খাদের কিনারায় চলে যায় বরিশাল।

প্লে অফ নিশ্চিত করতে হলে শেষ তিন খেলায় টানা জয় প্রয়োজন ছিল তামিমদের। নিজের ষষ্ঠ খেলায় রাজশাহীর বিপক্ষে ২২০ রানের পাহাড় ডিঙাতে নেমে রেকর্ড জয় পায় বরিশাল। সেই জয়ে তাদের প্লে অফের আশা জিইয়ে থাকে। তবে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিপক্ষে ৭ উইকেটে হেরে দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছেন তামিমরা।

এখন গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ঢাকার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিততে না পারলে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে বরিশালের, তখন চতুর্থ দল হিসেবে প্লে অফ নিশ্চিত হবে রাজশাহীর। তবে শনিবার চট্টগ্রামের বিপক্ষে রাজশাহী যদি হেরে যায় আর ঢাকার বিপক্ষে বরিশাল যদি জয় পায় তাহলে তামিমদের প্লে অফের সুযোগ থাকবে।

টুর্নামেন্টে আগেই প্লে অফ নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম, খুলনা ও ঢাকা। এখন রাজশাহী ও বরিশালের মধ্যে চতুর্থ দল নির্ধারণ হবে।

বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরেবাংলায় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১০.৫ ওভারে ৮৭ রানের জুটি গড়েন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সাইফ হাসান। উড়ন্ত সূচনার পরও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, জিয়াউর রহমান ও সঞ্জিত সাহার বলে বিভ্রান্ত হয়ে একের পর এক উইকেট হারায় বরিশাল।

৩৩ বলে ৪৬ রানে ফেরেন সাইফ হাসান। ৩৯ বলে ৪৩ রান করে মোসাদ্দেকের দ্বিতীয় শিকার তামিম ইকবাল। আগের ম্যাচে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়া পারভেজ হোসেন ইমন এদিন ফেরেন ১০ বলে ১৪ রানে। তাওহিদ হৃদয় ফেরেন ৮ বলে ৪ রানে। মিরাজ আউট ১ রানে। ইরফান শুক্কুর করেন মাত্র ২ রান। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে শেষদিকে ১৬ বলে অপরাজিত ২৮ রান করেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। তার কারণেই শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৪৯ রান তুলতে সক্ষম হয় বরিশাল।

জবাবে ব্যাটিংয়ে সৌম্য সরকারের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ বলে ৬২ রান করেন সৌম্য সরকার। ৩৯ রান করেন ওপেনার সৈকত আলী। ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন মাহমুদুল হাসান জয়।

পরাজয়ে প্লে অফের পথ কঠিন হল বরিশালের

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১০ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পরাজয়ে প্লে অফের স্বপ্নভঙ্গ হওয়ার পথে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বরিশালের। নিজেদের শেষ খেলায় শনিবার মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বাধীন ঢাকার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিততে না পারলে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিতে হবে তামিমদের। 

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়া বরিশাল নিজেদের দ্বিতীয় খেলায় জয় পায় রাজশাহীর বিপক্ষে। এরপর তিন ম্যাচে চট্টগ্রাম, ঢাকা ও খুলনার বিপক্ষে টানা হেরে খাদের কিনারায় চলে যায় বরিশাল। 

প্লে অফ নিশ্চিত করতে হলে শেষ তিন খেলায় টানা জয় প্রয়োজন ছিল তামিমদের। নিজের ষষ্ঠ খেলায় রাজশাহীর বিপক্ষে ২২০ রানের পাহাড় ডিঙাতে নেমে রেকর্ড জয় পায় বরিশাল। সেই জয়ে তাদের প্লে অফের আশা জিইয়ে থাকে। তবে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিপক্ষে ৭ উইকেটে হেরে দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছেন তামিমরা।

এখন গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ঢাকার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিততে না পারলে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে বরিশালের, তখন চতুর্থ দল হিসেবে প্লে অফ নিশ্চিত হবে রাজশাহীর। তবে শনিবার চট্টগ্রামের বিপক্ষে রাজশাহী যদি হেরে যায় আর ঢাকার বিপক্ষে বরিশাল যদি জয় পায় তাহলে তামিমদের প্লে অফের সুযোগ থাকবে।

টুর্নামেন্টে আগেই প্লে অফ নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম, খুলনা ও ঢাকা। এখন রাজশাহী ও বরিশালের মধ্যে চতুর্থ দল নির্ধারণ হবে। 

বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরেবাংলায় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১০.৫ ওভারে ৮৭ রানের জুটি গড়েন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সাইফ হাসান। উড়ন্ত সূচনার পরও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, জিয়াউর রহমান ও সঞ্জিত সাহার বলে বিভ্রান্ত হয়ে একের পর এক উইকেট হারায় বরিশাল। 

৩৩ বলে ৪৬ রানে ফেরেন সাইফ হাসান। ৩৯ বলে ৪৩ রান করে মোসাদ্দেকের দ্বিতীয় শিকার তামিম ইকবাল। আগের ম্যাচে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়া পারভেজ হোসেন ইমন এদিন ফেরেন ১০ বলে ১৪ রানে। তাওহিদ হৃদয় ফেরেন ৮ বলে ৪ রানে। মিরাজ আউট ১ রানে। ইরফান শুক্কুর করেন মাত্র ২ রান। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে শেষদিকে ১৬ বলে অপরাজিত ২৮ রান করেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। তার কারণেই শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৪৯ রান তুলতে সক্ষম হয় বরিশাল।

জবাবে ব্যাটিংয়ে সৌম্য সরকারের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ বলে ৬২ রান করেন সৌম্য সরকার। ৩৯ রান করেন ওপেনার সৈকত আলী। ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন মাহমুদুল হাসান জয়।

 

ঘটনাপ্রবাহ : বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ