‘মুরগির মতো হৃদয় নিয়ে ক্রিকেট খেলা সম্ভব না’
jugantor
‘মুরগির মতো হৃদয় নিয়ে ক্রিকেট খেলা সম্ভব না’

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১৫ জানুয়ারি ২০২১, ২২:২৭:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

শহীদ আফ্রিদি

প্রধান কোচ মিসবাহ-উল-হকের অধীনে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স পাচ্ছে না পাকিস্তান। যে কারণে তাকে নিয়ে ঘরে-বাইরে সমালোচনা হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, মিসবাহ ও বোলিং কোচ ওয়াকার ইউনুসের মানসিক নির্যাতনের কারণেই নাকি অকালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন মোহাম্মদ আমির। এমন দাবিই করেছেন বর্তমান সময়ের এই তারকা পেসার।

শুক্রবার লাহোরের কাশ্মীর প্রিমিয়ার লিগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক আফ্রিদি বলেছেন, পাকিস্তানের বর্তমান প্রধান কোচ মিসবাহ-উল-হক দেশের হয়ে অনেক অর্জন করেছেন। তবে বর্তমান দলের কিছুটা সাহসিকতার সঙ্গে খেলতে হবে। আপনি মুরগির মতো হৃদয় নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে পারবেন না। চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সাফল্য পাওয়া যাবে না।

শহীদ আফ্রিদি আরও বলেছেন, সাবেক খেলোয়াড়দের জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব দেয়ার আগে জুনিয়র দলগুলোর হয়ে কাজ করানো উচিত। ভারতে যেমন রাহুল দ্রাবিড়ের মতো কিংবদন্তি দেখছেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে। আমাদেরও মোহাম্মদ ইউসুফ, ইনজামাম-উল হক ও ইউনুস খানের মতো সাবেক তারকাকে জুনিয়র দলগুলোর দায়িত্ব দেয়া উচিত।

সম্প্রতি নিউজিল্যান্ড সফরে টেস্টে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর দেশে ফিরে প্রধান কোচ মিসবাহ দাবি করেন ৮৭-৮৮ মাইল গতিতে বোলিং করার সামর্থ্য থাকলেও আমির ৮১ মাইল গতিতে বোলিং করেছেন। পারফরম্যান্সের কারণেই নির্বাচক ও অধিনায়ক মিলে আমিরকে বাদ দিয়েছে।
মিসবাহর এমন মন্তব্যের পর আমির বলেছেন, পারফরম্যান্স এখানে কোনো ঘটনাই নয়, কারণ আমি জানি যে আমার সামর্থ্য আছে। কিন্তু তারা ক্রিকেটারদের যেভাবে মানসিক নির্যাতনের মধ্যে রাখে সেখানে ভালো করা আদৌ সম্ভব না। এখনকার কোচিং স্টাফদের যে মানসিকতা, এ অবস্থায় আমি জাতীয় দলে খেলতে পারব না।

কোচ এবং খেলোয়াড়ের পাল্টা-পাল্টি এমন কাদা ছোড়াছুড়ি নিয়ে কিংবদন্তি শহীদ আফ্রিদি বলেছেন, কোচিং স্টাফ এবং মোহাম্মদ আমিরের সঙ্গে যা হচ্ছে তাতে দেশের ক্রিকেটের ঐতিহ্য নষ্ট হচ্ছে। বোর্ডকে আমিরের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসা করা উচিত। সবাইকে দেশ ও দলের হয়ে একসঙ্গে কাজ করা উচিত।

আফ্রিদি আরও বলেছেন, ক্রিকেট বোর্ড হলো খেলোয়াড়দের অভিভাবক। খেলোয়াড়দের বোর্ডের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া উচিত, যদি কেউ দল থেকে বাদ পড়ে তাহলে সে যেন নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত রাখে।

‘মুরগির মতো হৃদয় নিয়ে ক্রিকেট খেলা সম্ভব না’

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১৫ জানুয়ারি ২০২১, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শহীদ আফ্রিদি
শহীদ আফ্রিদি। ছবি সংগৃহীত

প্রধান কোচ মিসবাহ-উল-হকের অধীনে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স পাচ্ছে না পাকিস্তান। যে কারণে তাকে নিয়ে ঘরে-বাইরে সমালোচনা হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, মিসবাহ ও বোলিং কোচ ওয়াকার ইউনুসের মানসিক নির্যাতনের কারণেই নাকি অকালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন মোহাম্মদ আমির। এমন দাবিই করেছেন বর্তমান সময়ের এই তারকা পেসার।  

শুক্রবার লাহোরের কাশ্মীর প্রিমিয়ার লিগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক আফ্রিদি বলেছেন, পাকিস্তানের বর্তমান প্রধান কোচ মিসবাহ-উল-হক দেশের হয়ে অনেক অর্জন করেছেন। তবে বর্তমান দলের কিছুটা সাহসিকতার সঙ্গে খেলতে হবে। আপনি মুরগির মতো হৃদয় নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে পারবেন না। চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সাফল্য পাওয়া যাবে না। 

শহীদ আফ্রিদি আরও বলেছেন, সাবেক খেলোয়াড়দের জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব দেয়ার আগে জুনিয়র দলগুলোর হয়ে কাজ করানো উচিত। ভারতে যেমন রাহুল দ্রাবিড়ের মতো কিংবদন্তি দেখছেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে। আমাদেরও মোহাম্মদ ইউসুফ, ইনজামাম-উল হক ও ইউনুস খানের মতো সাবেক তারকাকে জুনিয়র দলগুলোর দায়িত্ব দেয়া উচিত।

সম্প্রতি নিউজিল্যান্ড সফরে টেস্টে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর দেশে ফিরে প্রধান কোচ মিসবাহ দাবি করেন ৮৭-৮৮ মাইল গতিতে বোলিং করার সামর্থ্য থাকলেও আমির ৮১ মাইল গতিতে বোলিং করেছেন। পারফরম্যান্সের কারণেই নির্বাচক ও অধিনায়ক মিলে আমিরকে বাদ দিয়েছে।
মিসবাহর এমন মন্তব্যের পর আমির বলেছেন, পারফরম্যান্স এখানে কোনো ঘটনাই নয়, কারণ আমি জানি যে আমার সামর্থ্য আছে। কিন্তু তারা ক্রিকেটারদের যেভাবে মানসিক নির্যাতনের মধ্যে রাখে সেখানে ভালো করা আদৌ সম্ভব না। এখনকার কোচিং স্টাফদের যে মানসিকতা, এ অবস্থায় আমি জাতীয় দলে খেলতে পারব না।

কোচ এবং খেলোয়াড়ের পাল্টা-পাল্টি এমন কাদা ছোড়াছুড়ি নিয়ে কিংবদন্তি শহীদ আফ্রিদি বলেছেন, কোচিং স্টাফ এবং মোহাম্মদ আমিরের সঙ্গে যা হচ্ছে তাতে দেশের ক্রিকেটের ঐতিহ্য নষ্ট হচ্ছে। বোর্ডকে আমিরের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসা করা উচিত। সবাইকে দেশ ও দলের হয়ে একসঙ্গে কাজ করা উচিত।

আফ্রিদি আরও বলেছেন, ক্রিকেট বোর্ড হলো খেলোয়াড়দের অভিভাবক। খেলোয়াড়দের বোর্ডের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া উচিত, যদি কেউ দল থেকে বাদ পড়ে তাহলে সে যেন নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত রাখে।