আইসিসির সঙ্গে বিরোধে জড়াল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড!
jugantor
আইসিসির সঙ্গে বিরোধে জড়াল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড!

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:১৪:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকঢোল পিটিয়ে খুব আয়োজন করে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছিল গোলাপি বলে ভারত-ইংল্যান্ডের দিবারাত্রির টেস্ট।

আর সেই টেস্ট মাত্র দেড় দিনে শেষ হয়ে যাওয়ায় তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

এমন স্পিনসহায়ক উইকেট বানিয়ে ইংল্যান্ডকে নাস্তানাবুদ করায় বিসিসিআইয়ের পাশাপাশি আইসিসিকেও দুষছেন অনেকে।

সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক মাইকেল ভনের মতে, ভারতকে যা ইচ্ছা তা–ই করতে দিচ্ছে আইসিসি। এতে ক্রিকেটের ক্ষতি হচ্ছে, সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। ভনের সেই বিস্ফোরক মন্তব্যে সায় দিয়েছেন অনেক সাবেক ও বিশ্লেষক।

আইসিসি ও ভারতের ক্রিকেট বোর্ডকে জড়িয়ে যখন এমন সমালোচনায় মুখর ক্রিকেটবিশ্ব, ঠিক তখনই উল্টোটাই ঘটতে দেখা গেল।

অবশ্য তা মোদি স্টেডিয়ামের উইকেট নিয়ে নয়, আইসিসির সঙ্গে ভিন্ন একটি বিষয়ে বিরোধে জড়িয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

এতদিন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চললেও আইসিসি নিজেদের প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রক্রিয়ায় বদল আনার জন্য যে নিয়ম আনতে চাচ্ছে তাতে সায় দিচ্ছে না বিসিসিআই।

সম্প্রতি ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রস্তাব দেয়, ২০২৩ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত আইসিসির সব প্রতিযোগিতা কোন দেশ আয়োজন করবে, তা নিলামের মাধ্যমে ঠিক করা হবে।

আর সেই প্রস্তাব একেবারেই নাকচ করে দিয়েছে ভারতীয় বোর্ড।


আইসিসির বৈঠকে বৃহস্পতিবার ভারতীয় বোর্ড সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে, প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য নিলামের প্রস্তাবে কোনোভাবেই রাজি নয় তারা। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডও প্রস্তাবটি নাকচ করে দেবে বলে ধারণা তাদের।

ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে এখনও কোনো বক্তব্য না এলেও পাকিস্তান এবং শ্রীলংকার ক্রিকেট বোর্ডকে পাশে পেয়েছে আইসিসি।

এ বিষয়ে আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মানু সাইনি জানিয়েছেন, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা নিলামের প্রস্তাবে সায় দিয়েছে। ওমান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরের মতো ছোট ক্রিকেট খেলুড়ে দেশও এই প্রস্তাবের পক্ষে।

আইসিসির এই নতুন নিয়ম কেন মানতে রাজি নয় ভারত, সে প্রসঙ্গে জানা গেছে– এই নিয়ম মানলে প্রতি আট বছরে একটি দেশ মাত্র একবার বিশ্বকাপসহ বড় টুর্নামেন্টের আয়োজনের সুযোগ পাবে। পুরুষ, নারী এবং অনূর্ধ্ব-১৯, সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৮ বছরে একটি মাত্র টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ পাবে একটি দেশ।

তথ্যসূত্র: এশিয়ানেট নিউজ, ইএসপিএন ক্রিকইনফো

আইসিসির সঙ্গে বিরোধে জড়াল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড!

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:১৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকঢোল পিটিয়ে খুব আয়োজন করে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছিল গোলাপি বলে ভারত-ইংল্যান্ডের দিবারাত্রির টেস্ট। 

আর সেই টেস্ট মাত্র দেড় দিনে শেষ হয়ে যাওয়ায় তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

এমন স্পিনসহায়ক উইকেট বানিয়ে ইংল্যান্ডকে নাস্তানাবুদ করায় বিসিসিআইয়ের পাশাপাশি আইসিসিকেও দুষছেন অনেকে।

সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক মাইকেল ভনের মতে, ভারতকে যা ইচ্ছা তা–ই করতে দিচ্ছে আইসিসি। এতে ক্রিকেটের ক্ষতি হচ্ছে, সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। ভনের সেই বিস্ফোরক মন্তব্যে সায় দিয়েছেন অনেক সাবেক ও বিশ্লেষক।

আইসিসি ও ভারতের ক্রিকেট বোর্ডকে জড়িয়ে যখন এমন সমালোচনায় মুখর ক্রিকেটবিশ্ব, ঠিক তখনই উল্টোটাই ঘটতে দেখা গেল।

অবশ্য তা মোদি স্টেডিয়ামের উইকেট নিয়ে নয়, আইসিসির সঙ্গে ভিন্ন একটি বিষয়ে বিরোধে জড়িয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

এতদিন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চললেও আইসিসি নিজেদের প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রক্রিয়ায় বদল আনার জন্য যে নিয়ম আনতে চাচ্ছে তাতে সায় দিচ্ছে না বিসিসিআই।

সম্প্রতি ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রস্তাব দেয়,  ২০২৩ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত আইসিসির সব প্রতিযোগিতা কোন দেশ আয়োজন করবে, তা নিলামের মাধ্যমে ঠিক করা হবে।

আর সেই প্রস্তাব একেবারেই নাকচ করে দিয়েছে ভারতীয় বোর্ড।


আইসিসির বৈঠকে বৃহস্পতিবার ভারতীয় বোর্ড সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে, প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য নিলামের প্রস্তাবে কোনোভাবেই রাজি নয় তারা। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডও প্রস্তাবটি নাকচ করে দেবে বলে ধারণা তাদের।

ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে এখনও কোনো বক্তব্য না এলেও পাকিস্তান এবং শ্রীলংকার ক্রিকেট বোর্ডকে পাশে পেয়েছে আইসিসি। 

এ বিষয়ে আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মানু সাইনি জানিয়েছেন, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা নিলামের প্রস্তাবে সায় দিয়েছে। ওমান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরের মতো ছোট ক্রিকেট খেলুড়ে দেশও এই প্রস্তাবের পক্ষে।

আইসিসির এই নতুন নিয়ম কেন মানতে রাজি নয় ভারত, সে প্রসঙ্গে জানা গেছে– এই নিয়ম মানলে প্রতি আট বছরে একটি দেশ মাত্র একবার বিশ্বকাপসহ বড় টুর্নামেন্টের আয়োজনের সুযোগ পাবে। পুরুষ, নারী এবং অনূর্ধ্ব-১৯, সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৮ বছরে একটি মাত্র টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ পাবে একটি দেশ। 

তথ্যসূত্র: এশিয়ানেট নিউজ, ইএসপিএন ক্রিকইনফো
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন