‘ম্যারাডোনাকে অপহরণ করা হয়েছিল’
jugantor
‘ম্যারাডোনাকে অপহরণ করা হয়েছিল’

  স্পোর্টস ডেস্ক  

০৪ মার্চ ২০২১, ১৫:১০:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়াগো ম্যারাডোনা বেঁচে নেই। মৃত্যুর তিন মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও তার রহস্য নিয়ে আলোচনা এখনও তুঙ্গে।

বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন তারকার মৃত্যু এবং এর আগে ও পরের ঘটনা নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য আসছে সামনে।

এবার শোনা গেল—মৃত্যুর আগে ‘অপহরণ’ করা হয়েছিল ম্যারাডোনাকে। আর সেটি করেছিলেন তারই আইনজীবী মাতিয়াস মোরলা! এমন দাবি খোদ ম্যারাডোনার সাবেক স্ত্রী ক্লদিয়া ভিল্লাফানের।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ফোন করেন ক্লদিয়া। যেখানে উপস্থিত ছিলেন মাতিয়াস মোরলার আইনজীবী মাউরিকিও ডি আলেসান্দ্রো।

সেই মোরলার আইনজীবীকে পেয়ে ক্লদিয়া বলেন, ‘মোরলা আমাকে সিনেমার খারাপ চরিত্রগুলোর মতো দেখাতে চায়। আমি সত্যিই এমনটি নই। এটি ডি আলেসান্দ্রোর ভালোই জানা। অথচ আলেসান্দ্রো এমন একজন ব্যক্তিকে (মোরলা) রক্ষা করছেন যিনি ম্যারাডোনাকে অপহরণ করেছিলেন।’

এরপর প্রয়াত সাবেক স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও চমকপ্রদ তথ্য দেন ক্লদিয়া ভিল্লাফানে।

বলেন, ‘একটি মামলার কারণে আমি ম্যারাডোনার ওপর রেগে ছিলাম। কিন্তু পরে ঠিকই আমাকে দেখে সে জড়িয়ে ধরে। আমার সঙ্গে নাচে। দিনটা উপভোগ করে। এটা কেউ জানত না।’

বিচ্ছেদের পরও ম্যারাডোনার সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল বলে দাবি করেন ক্লদিয়া। বলেন, ‘আমি দিয়েগোর সঙ্গে কথা বলতাম। যদিও আমরা তা প্রকাশ্যে আনিনি। আমাদের মধ্যে মামলা ছিল। আমরা সব কিছু খুব ভালোভাবে ভাগ করে নিতে জানতাম।’

উল্লেখ্য, ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর পর আইনজীবী মোরলার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে।

আবার সেই মোরলাই ম্যারাডোনার মৃত্যুর জন্য তার চিকিৎসক ও চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত লা প্লাতা আইপেনসা ক্লিনিককে দায়ী করে অভিযোগ এনেছিলেন।

প্রসঙ্গত ক্লদিয়া ভিল্লাফানেকে ১৯৮৯ সালে বিয়ে করেন ম্যারাডোনা। ২০০৩ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। ক্লদিয়ার গর্ভে জন্ম নেয় ম্যারাডোনার দুই কন্যা দালমা ও জিয়ানিন্না।

আর্জেন্টিনাকে ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জেতানোর সময় ম্যারাডোনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ভিল্লাফানের।

তথ্যসূত্র: মার্কা


‘ম্যারাডোনাকে অপহরণ করা হয়েছিল’

 স্পোর্টস ডেস্ক 
০৪ মার্চ ২০২১, ০৩:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়াগো ম্যারাডোনা বেঁচে নেই। মৃত্যুর তিন মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও তার রহস্য নিয়ে আলোচনা এখনও তুঙ্গে।

বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন তারকার মৃত্যু এবং এর আগে ও পরের ঘটনা নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য আসছে সামনে। 
 
এবার শোনা গেল—মৃত্যুর আগে ‘অপহরণ’ করা হয়েছিল ম্যারাডোনাকে। আর সেটি করেছিলেন তারই আইনজীবী মাতিয়াস মোরলা! এমন দাবি খোদ ম্যারাডোনার সাবেক স্ত্রী ক্লদিয়া ভিল্লাফানের।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ফোন করেন ক্লদিয়া। যেখানে উপস্থিত ছিলেন মাতিয়াস মোরলার আইনজীবী মাউরিকিও ডি আলেসান্দ্রো।

সেই মোরলার আইনজীবীকে পেয়ে ক্লদিয়া বলেন, ‘মোরলা আমাকে সিনেমার খারাপ চরিত্রগুলোর মতো দেখাতে চায়। আমি সত্যিই এমনটি নই। এটি ডি আলেসান্দ্রোর ভালোই জানা। অথচ আলেসান্দ্রো এমন একজন ব্যক্তিকে (মোরলা) রক্ষা করছেন যিনি ম্যারাডোনাকে অপহরণ করেছিলেন।’

এরপর প্রয়াত সাবেক স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও চমকপ্রদ তথ্য দেন ক্লদিয়া ভিল্লাফানে।

বলেন, ‘একটি মামলার কারণে আমি ম্যারাডোনার ওপর রেগে ছিলাম। কিন্তু পরে ঠিকই আমাকে দেখে সে জড়িয়ে ধরে। আমার সঙ্গে নাচে। দিনটা উপভোগ করে। এটা কেউ জানত না।’

বিচ্ছেদের পরও ম্যারাডোনার সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল বলে দাবি করেন ক্লদিয়া।  বলেন, ‘আমি দিয়েগোর সঙ্গে কথা বলতাম। যদিও আমরা তা প্রকাশ্যে আনিনি। আমাদের মধ্যে মামলা ছিল। আমরা সব কিছু খুব ভালোভাবে ভাগ করে নিতে জানতাম।’

উল্লেখ্য, ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর পর আইনজীবী মোরলার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে।

আবার সেই মোরলাই ম্যারাডোনার মৃত্যুর জন্য তার চিকিৎসক ও চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত লা প্লাতা আইপেনসা ক্লিনিককে দায়ী করে অভিযোগ এনেছিলেন। 

প্রসঙ্গত ক্লদিয়া ভিল্লাফানেকে ১৯৮৯ সালে বিয়ে করেন ম্যারাডোনা। ২০০৩ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়।  ক্লদিয়ার গর্ভে জন্ম নেয় ম্যারাডোনার দুই কন্যা দালমা ও জিয়ানিন্না।

আর্জেন্টিনাকে ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জেতানোর সময় ম্যারাডোনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ভিল্লাফানের।

তথ্যসূত্র: মার্কা


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ম্যারাডোনা আর নেই