নির্বাচকরা মিথ্যা কথা বললে আমার কী বলা উচিত: মাশরাফি
jugantor
নির্বাচকরা মিথ্যা কথা বললে আমার কী বলা উচিত: মাশরাফি

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২৭ মার্চ ২০২১, ২০:০৫:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

মিনহাজুল আবেদীন নান্নু-হাবিবুল বাশার সুমন

চলতি বছরের শুরুর দিকে কোনো আলোচনা ছাড়াই জাতীয় দল থেকে বাদ দেয়া হয় দেশের সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। দল থেকে বাদ পড়ার পর বোর্ডের বেশ কয়জন দায়িত্বশীল ব্যক্তি এমন কিছু মন্তব্য করেন যা ছিল বানোয়াট।

এ ব্যাপারে দেশের প্রথমসারির একটি অনলাইন পোর্টালকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মাশরাফি বলেন, আমাকে যখন দল থেকে বাদ দেয়া হলো তখন মিডিয়া আমার বক্তব্য জানতে চেয়েছিল। আমি তখন স্রেফ বলেছি যে, এটা পেশাদার সিদ্ধান্ত পেশাদারভাবেই দেখছি। কিন্তু পরের ১৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আমি দেখলাম, বিসিবির একেকজন একেকরকম মন্তব্য করছেন। উনাদের সত্যি কথাটা বললে সমস্যা ছিল না।

মাশরাফির বাদ পড়া নিয়ে সেই সময় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ফিটনেসের কথা চিন্তা করলে ওর বাদ পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। আমরা ওর সার্ভিস একটা সিরিজে পেয়ে পরের সিরিজে পাব কিনা সেই অনিশ্চয়তায় আছি। তিনটা পেসার নিতে গেলে কাকে বাদ দেব? মাশরাফি দলে থাকলেও একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। আসলে আমাদের এখন সামনের সিরিজ-টুর্নামেন্টগুলো মাথায় রেখে এগোতে হচ্ছে।

বিসিবি সভাপতির সেই বক্তব্য নিয়ে মাশরাফি বলেন, মাশরাফি কখনও ফিটনেস টেস্টে ফেল করেছে কিনা দেখেন। কিংবা বলতে পারত যে, মাশরাফির ফিটনেস টেস্ট এখন আবার নাও। সেটা না নিয়ে আপনি বলছেন যে, মাশরাফি ফিটনেসে ফেল করবে! এটা তো আমার জন্য অপমানজনক।

মাশরাফিকে বাদ পড়া নিয়ে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেন, আগামী বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত। বিষয়টি মাশরাফিকেও জানানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে মাশরাফি বলেন, দল ঘোষণার সময় নান্নু ভাই বলেছেন যে, মাশরাফিকে জানানো হয়েছে। খুব স্বাভাবিকভাবে মিথ্যা কথা বললেন। তারপর দেখলাম সহকারী নির্বাচক সুমন ভাইও একই কথা বলছেন। আমার এখন কী বলা উচিত! আমাকে বাদ দিয়েছে, এটা নিয়ে প্রশ্ন নেই। বাদ দেওয়ার পর আপনারা যে জিনিস প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছেন যে, ২০২৩ বিশ্বকাপ সামনে রেখে নতুনদের সুযোগ দেওয়া, এটা খুবই যৌক্তিক। আমিও এখানে একমত। আমি তো ক্যারিয়ারের শেষদিকে। কিন্তু এটা অপ্রত্যাশিত যে, এই যুক্তির সঙ্গে পরে উনারা এসব জড়িয়ে দিলেন- ‘তাকে জানানো হয়েছে… তার ফিটনেসে সমস্যা।’

বিসিবি কর্তাব্যক্তিদের এমন বক্তব্য নিয়ে মাশরাফি আরও বলেন, মিডিয়ায় এসব দেখে আমার মনে হলো- লোকের কাছে সত্যটা যাচ্ছে না এবং একপক্ষই কেবল বলে যাচ্ছে। নান্নু ভাই ও সুমন ভাইকে আমি এটা আগেই বলে রেখেছি, এখন আমি কথা বলছি না। তবে মিডিয়া আমাকে প্রশ্ন করলে সত্যটা কিন্তু কোনো না কোনো দিন বলব। আমি নান্নু ভাইকেও ফোন করেছিলাম। উনি বললেন, মিডিয়ায় আমি বলেছি- তোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে কথা হয়েছে। কিন্তু আপনিও জানেন, আমিও জানি, মিডিয়ায় নান্নু ভাই সৌজন্য সাক্ষাতের কথা বলেননি। বলেছেন যে জানানো হয়েছে। এটা তো পুরোপুরি মিথ্যা কথা।

নির্বাচকরা মিথ্যা কথা বললে আমার কী বলা উচিত: মাশরাফি

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২৭ মার্চ ২০২১, ০৮:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মিনহাজুল আবেদীন নান্নু-হাবিবুল বাশার সুমন
মিনহাজুল আবেদীন নান্নু-হাবিবুল বাশার সুমন। ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের শুরুর দিকে কোনো আলোচনা ছাড়াই জাতীয় দল থেকে বাদ দেয়া হয় দেশের সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। দল থেকে বাদ পড়ার পর বোর্ডের বেশ কয়জন দায়িত্বশীল ব্যক্তি এমন কিছু মন্তব্য করেন যা ছিল বানোয়াট। 

এ ব্যাপারে দেশের প্রথমসারির একটি অনলাইন পোর্টালকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মাশরাফি বলেন, আমাকে যখন দল থেকে বাদ দেয়া হলো তখন মিডিয়া আমার বক্তব্য জানতে চেয়েছিল। আমি তখন স্রেফ বলেছি যে, এটা পেশাদার সিদ্ধান্ত পেশাদারভাবেই দেখছি। কিন্তু পরের ১৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আমি দেখলাম, বিসিবির একেকজন একেকরকম মন্তব্য করছেন। উনাদের সত্যি কথাটা বললে সমস্যা ছিল না।

মাশরাফির বাদ পড়া নিয়ে সেই সময় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ফিটনেসের কথা চিন্তা করলে ওর বাদ পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। আমরা ওর সার্ভিস একটা সিরিজে পেয়ে পরের সিরিজে পাব কিনা সেই অনিশ্চয়তায় আছি। তিনটা পেসার নিতে গেলে কাকে বাদ দেব? মাশরাফি দলে থাকলেও একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। আসলে আমাদের এখন সামনের সিরিজ-টুর্নামেন্টগুলো মাথায় রেখে এগোতে হচ্ছে।

বিসিবি সভাপতির সেই বক্তব্য নিয়ে মাশরাফি বলেন, মাশরাফি কখনও ফিটনেস টেস্টে ফেল করেছে কিনা দেখেন। কিংবা বলতে পারত যে, মাশরাফির ফিটনেস টেস্ট এখন আবার নাও। সেটা না নিয়ে আপনি বলছেন যে, মাশরাফি ফিটনেসে ফেল করবে! এটা তো আমার জন্য অপমানজনক।

মাশরাফিকে বাদ পড়া নিয়ে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেন, আগামী বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত। বিষয়টি মাশরাফিকেও জানানো হয়েছে। 

এ ব্যাপারে মাশরাফি বলেন, দল ঘোষণার সময় নান্নু ভাই বলেছেন যে, মাশরাফিকে জানানো হয়েছে। খুব স্বাভাবিকভাবে মিথ্যা কথা বললেন। তারপর দেখলাম সহকারী নির্বাচক সুমন ভাইও একই কথা বলছেন। আমার এখন কী বলা উচিত! আমাকে বাদ দিয়েছে, এটা নিয়ে প্রশ্ন নেই। বাদ দেওয়ার পর আপনারা যে জিনিস প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছেন যে, ২০২৩ বিশ্বকাপ সামনে রেখে নতুনদের সুযোগ দেওয়া, এটা খুবই যৌক্তিক। আমিও এখানে একমত। আমি তো ক্যারিয়ারের শেষদিকে। কিন্তু এটা অপ্রত্যাশিত যে, এই যুক্তির সঙ্গে পরে উনারা এসব জড়িয়ে দিলেন- ‘তাকে জানানো হয়েছে… তার ফিটনেসে সমস্যা।’

বিসিবি কর্তাব্যক্তিদের এমন বক্তব্য নিয়ে মাশরাফি আরও বলেন, মিডিয়ায় এসব দেখে আমার মনে হলো- লোকের কাছে সত্যটা যাচ্ছে না এবং একপক্ষই কেবল বলে যাচ্ছে। নান্নু ভাই ও সুমন ভাইকে আমি এটা আগেই বলে রেখেছি, এখন আমি কথা বলছি না। তবে মিডিয়া আমাকে প্রশ্ন করলে সত্যটা কিন্তু কোনো না কোনো দিন বলব। আমি নান্নু ভাইকেও ফোন করেছিলাম। উনি বললেন, মিডিয়ায় আমি বলেছি- তোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে কথা হয়েছে। কিন্তু আপনিও জানেন, আমিও জানি, মিডিয়ায় নান্নু ভাই সৌজন্য সাক্ষাতের কথা বলেননি। বলেছেন যে জানানো হয়েছে। এটা তো পুরোপুরি মিথ্যা কথা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন