সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতল দিল্লি
jugantor
সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতল দিল্লি

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২১ এপ্রিল ২০২১, ০০:০৮:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

১২০ বলে ১৩৮ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমেও পরাজয়ের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। শেষ ১৮ বলে প্রয়োজন ছিল ২২ রান। হাতে ছিল ৬ উইকেট। খেলার এমন অবস্থায় দিল্লিকে চেপে ধরেন ট্রেন্ট বোল্ট ও জসপ্রীত বুমরাহ।

১৮তম ওভারে ট্রেন্ট বোল্ট খরচ করেন মাত্র ৭ রান। জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে ১৫ রান করতে ঘাম ঝড়াতে হয়েছে সিমরন হিতমার ও ললিত যাদবকে।

১৯তম ওভারে জসপ্রীতি বুমরাহ দুটি নো-বল দিলেও কাজে লাগাতে পারেননি হিতমার। ওই ওভারে বাউন্ডারি ছাড়াই সিঙ্গেল করে ১০ রান নেন হিতমার-ললিত।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫ রান। কায়রন পোলার্ডের করা প্রথম বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে স্কোর লেভেল করেন হিতমার। শেষ ৫ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ১ রান। দ্বিতীয় বলে হাই নো দেন পোলার্ড, সিমরন হিতমার মিড অফে ক্যাচ দিয়েও নো বলের কল্যাণে বেঁচে যান। পাশাপাশি তার দল জিতে যায় নির্ধারিত ওভারের ৫ বল হাতে রেখে।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ৬ উইকেটের এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুইয়ে উঠে গেল ঋষভ পন্থের নেতৃত্বাধীন দলটি।

মঙ্গলবার চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরাম স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে অমিত মিশ্রর গুগলিতে বিভ্রান্ত হয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৩৭/৯ রানে গুটিয়ে যায় মুম্বাইইন্ডিয়ান্স।

দিল্লির বিপক্ষে ৩০ বলে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন মুম্বাইয়ের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। এছাড়া ২৬, ২৪ ও ২৩ রান করে করেন ইশান কিশান, সুরাইয়া কুমার যাদব ও জয়ন্ত যাদব। দিল্লির হয়ে ৪ ওভারে ২৪ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন অমিত মিশ্র।

সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার পৃথ্বি শ’র উইকেট হারায় দিল্লি। তিনে ব্যাটিংয়ে নামা অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভ স্মিথকে সঙ্গে নিয়ে ৫৩ রানের জুটি গড়েন শিখর ধাওয়ান। দলীয় ৬৪ রানে ২৯ বলে ৩৩ রান করে ফেরেন স্মিথ।

ইনিংসের শুরু থেকে সাবধানি ব্যাটিং করে যাওয়া ওপেনার শিখর ধাওয়ান ফেরেন দলীয় ১০০ রানে। তার আগে ৪২ বলে ৫টি চার ও এক ছক্কায় সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন। এরপর মাত্র ১৫ রানের ব্যবধানে ফেরেন অধিনায়ক পন্থ।

সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতল দিল্লি

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২১ এপ্রিল ২০২১, ১২:০৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

১২০ বলে ১৩৮ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমেও পরাজয়ের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। শেষ ১৮ বলে প্রয়োজন ছিল ২২ রান। হাতে ছিল ৬ উইকেট। খেলার এমন অবস্থায় দিল্লিকে চেপে ধরেন ট্রেন্ট বোল্ট ও জসপ্রীত বুমরাহ। 

১৮তম ওভারে ট্রেন্ট বোল্ট খরচ করেন মাত্র ৭ রান। জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে ১৫ রান করতে ঘাম ঝড়াতে হয়েছে সিমরন হিতমার ও ললিত যাদবকে। 

১৯তম ওভারে জসপ্রীতি বুমরাহ দুটি নো-বল দিলেও কাজে লাগাতে পারেননি হিতমার। ওই ওভারে বাউন্ডারি ছাড়াই সিঙ্গেল করে ১০ রান নেন হিতমার-ললিত। 

শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫ রান। কায়রন পোলার্ডের করা প্রথম বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে স্কোর লেভেল করেন হিতমার। শেষ ৫ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ১ রান। দ্বিতীয় বলে হাই নো দেন পোলার্ড, সিমরন  হিতমার মিড অফে ক্যাচ দিয়েও নো বলের কল্যাণে বেঁচে যান। পাশাপাশি তার দল জিতে যায় নির্ধারিত ওভারের ৫ বল হাতে রেখে। 

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ৬ উইকেটের এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুইয়ে উঠে গেল ঋষভ পন্থের নেতৃত্বাধীন দলটি। 

মঙ্গলবার চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরাম স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে অমিত মিশ্রর গুগলিতে বিভ্রান্ত হয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৩৭/৯ রানে গুটিয়ে যায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। 

দিল্লির বিপক্ষে ৩০ বলে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন মুম্বাইয়ের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। এছাড়া ২৬, ২৪ ও ২৩ রান করে করেন ইশান কিশান, সুরাইয়া কুমার যাদব ও জয়ন্ত যাদব। দিল্লির হয়ে ৪ ওভারে ২৪ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন অমিত মিশ্র। 

সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার পৃথ্বি শ’র উইকেট হারায় দিল্লি। তিনে ব্যাটিংয়ে নামা অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভ স্মিথকে সঙ্গে নিয়ে ৫৩ রানের জুটি গড়েন শিখর ধাওয়ান। দলীয় ৬৪ রানে ২৯ বলে ৩৩ রান করে ফেরেন স্মিথ।

ইনিংসের শুরু থেকে সাবধানি ব্যাটিং করে যাওয়া ওপেনার শিখর ধাওয়ান ফেরেন দলীয় ১০০ রানে। তার আগে ৪২ বলে ৫টি চার ও এক ছক্কায় সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন। এরপর মাত্র ১৫ রানের ব্যবধানে ফেরেন অধিনায়ক পন্থ।   

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আইপিএল-২০২১