৫০০ ছোঁয়ার পথে আলোর স্বল্পতায় খেলা বন্ধ
jugantor
৫০০ ছোঁয়ার পথে আলোর স্বল্পতায় খেলা বন্ধ

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২২ এপ্রিল ২০২১, ১৭:৩০:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

দীর্ঘ উইকেট খরার পর অবশেষে কিছুটা সাফল্যের মুখ দেখেছে শ্রীলংকা। সারাদিনে কষ্ট শেষে উইকেট নিতে পেরেছে লংকান বোলাররা।

এক সেশনে তারা দুই সেঞ্চুরিয়ানকে সাজঘরে ফিরিয়েছে তারা। ১৬৩ রানে থামিয়েছে গতকাল তিনে নামা নাজমুল হাসান শান্তকে।

এর কয়েক ওভার পরে আরেক সেঞ্চুরিয়ান মুমিনুল হকও আউট করেছে ১২৭ রানে। চা বিরতির আগে এই সাফল্য স্বাগতিকদের।

মুমিনুলের বিদায়ের পর লিটন দাসকে নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করেন মি. ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহিম।

পাল্লেকেলে টেস্টে এ মুহূর্তের আপডেট, বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৪৭৪ রান। দেশের বাইরে এই নিয়ে সপ্তমবার ৪০০ পেরিয়ে গেল বাংলাদেশ, এর তিনবারই শ্রীলংকায়।

মুশফিক অপরাজিত ১০৭ বলে ৪৩ রানে। অন্যদিকে অনেকটা ওয়ানডে মেজাজে খেলে ৩৯ বলে ২৫ রান জমা করে ফেলেছেন লিটন দাস। একটি ছক্কাও হাঁকিয়েছেন লিটন।

খেলার এই অবস্থায় থেমে গেল মুশফিক-লিটনের ব্যাট। না, তারা কেউ আউট হননি। আলোর স্বল্পতার কারণে স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় খেলা বন্ধ হয়ে যায়।

পাল্লেকেলের আকাশে ঘনকালো মেঘ দেখা যাওয়ার কারণে আলোর স্বল্পতা দেখা দেয়। বৃষ্টি আসতে পারে ভেবে ত্রিপল দিয়ে উইকেট ঢেকে দিয়েছেন গ্রাউন্ড স্টাফরা। যদিও বৃষ্টি আসেনি এখনও। কিন্তু চারদিক এতোই অন্ধকার যে, মাঠে বল গড়ানো অসম্ভব।

অথচ এখনও ২৫ ওভার বাকি। কী আর করার। দুই দলের খেলোয়াড়রা মাঠ ছেড়ে ড্রেসিং রুমে গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন।

প্রায় ১ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও একই অবস্থা বিরাজ করছে।

আজ মাঠে নেমে শুরু থেকেই ছন্দে রয়েছেন মুশফিক। দেখেশুনে খেলে গেছেন বাকিটা সময়। ৪৩ রানের মধ্যে ৪টি বাউন্ডারি রয়েছে তার।

এর আগে তৃতীয় উইকেটে রেকর্ড জুটি গড়ে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত ও অধিনায়ক মুমিনুল হক।

এ দুজনের ইতিহাস গড়া জুটি বাংলাদেশের পক্ষে টেস্টে তৃতীয় উইকেটে সবচেয়ে বড় জুটিটি এখন তাদের। এতদিন ধরে রেকর্ডটি দখলে ছিল মুশফিক ও মুমিনুলের।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে চট্টগ্রাম টেস্টে এই শ্রীলংকার বিপক্ষেই ২৩৬ রানের জুটি গড়েছিলেন মুশফিক-মুমিনুল। এবার সেই রেকর্ড ভাঙল শান্ত-মুমিনুল জুটি।

তবে মাত্র ৫ বল খেললেই জুটি বল মোকাবিলার হিসেবে প্রথম স্থানটি দখল করত। বল মোকাবিলার হিসাবে সবচেয়ে বড় জুটিটি মোহাম্মদ আশরাফুল আর মুশফিকের। ২০১৩ সালে শ্রীলংকার গলে পঞ্চম উইকেটে ৫১৮ বল খেলে ২৬৭ রানের জুটি গড়েছিলেন তারা।

সে হিসাবে শান্ত-মুমিনুলের ২৪২ রানের জুটি তালিকায় দ্বিতীয়। পাল্লেকেলে টেস্টে ২৪২ রানের জুটিতে শান্ত ও মুমিনুল খরচ করেছেন ৫১৪ বল।

প্রথম হওয়া ৫ বল আগেই তাদের জুটি ভেঙে দেন পেসার লাহিরু কুমারা। ১২৪তম ওভারে শান্তকে নিজের ফিরতি বলে ক্যাচে পরিণত করেন কুমারা।

শান্তর সাজঘরে ফেরার পর মুমিনুলও ফেরেন। ৩০৪ বল খেলে ১২৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ধনঞ্জয়ার বলে প্রথম স্লিপে থিরিমান্নের হাতে ক্যাচ তুলে দেন মুমিনুল।

দ্বিতীয় দিনে এ দুটি উইকেটই প্রাপ্তি শ্রীলংকার। প্রথম দিনের প্রাপ্তি ছিল একটি। ওয়ানডে মেজাজে খেলা ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবালকে নার্ভাস নাইনটিতে আউট করেছিলেন বিশ্ব ফার্নান্দো।

৫০০ ছোঁয়ার পথে আলোর স্বল্পতায় খেলা বন্ধ

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২২ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দীর্ঘ উইকেট খরার পর অবশেষে কিছুটা সাফল্যের মুখ দেখেছে শ্রীলংকা। সারাদিনে কষ্ট শেষে উইকেট নিতে পেরেছে লংকান বোলাররা।

এক সেশনে তারা দুই সেঞ্চুরিয়ানকে সাজঘরে ফিরিয়েছে তারা। ১৬৩ রানে থামিয়েছে গতকাল তিনে নামা নাজমুল হাসান শান্তকে।

এর কয়েক ওভার পরে আরেক সেঞ্চুরিয়ান মুমিনুল হকও আউট করেছে ১২৭ রানে।  চা বিরতির আগে এই সাফল্য স্বাগতিকদের।

মুমিনুলের বিদায়ের পর লিটন দাসকে নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করেন মি. ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহিম।

পাল্লেকেলে টেস্টে এ মুহূর্তের আপডেট, বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৪৭৪ রান। দেশের বাইরে এই নিয়ে সপ্তমবার ৪০০ পেরিয়ে গেল বাংলাদেশ, এর তিনবারই শ্রীলংকায়।

মুশফিক অপরাজিত ১০৭ বলে ৪৩ রানে। অন্যদিকে অনেকটা ওয়ানডে মেজাজে খেলে ৩৯ বলে ২৫ রান জমা করে ফেলেছেন লিটন দাস। একটি ছক্কাও হাঁকিয়েছেন লিটন।

খেলার এই অবস্থায় থেমে গেল মুশফিক-লিটনের ব্যাট। না, তারা কেউ আউট হননি। আলোর স্বল্পতার কারণে স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় খেলা বন্ধ হয়ে যায়।

পাল্লেকেলের আকাশে ঘনকালো মেঘ দেখা যাওয়ার কারণে আলোর স্বল্পতা দেখা দেয়। বৃষ্টি আসতে পারে ভেবে ত্রিপল দিয়ে উইকেট ঢেকে দিয়েছেন গ্রাউন্ড স্টাফরা। যদিও বৃষ্টি আসেনি এখনও। কিন্তু চারদিক এতোই অন্ধকার যে, মাঠে বল গড়ানো অসম্ভব।

অথচ এখনও ২৫ ওভার বাকি। কী আর করার। দুই দলের খেলোয়াড়রা মাঠ ছেড়ে ড্রেসিং রুমে গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন।

প্রায় ১ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও একই অবস্থা বিরাজ করছে।

আজ মাঠে নেমে শুরু থেকেই ছন্দে রয়েছেন মুশফিক। দেখেশুনে খেলে গেছেন বাকিটা সময়। ৪৩ রানের মধ্যে ৪টি বাউন্ডারি রয়েছে তার।

এর আগে তৃতীয় উইকেটে রেকর্ড জুটি গড়ে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত ও অধিনায়ক মুমিনুল হক।

এ দুজনের ইতিহাস গড়া জুটি বাংলাদেশের পক্ষে টেস্টে তৃতীয় উইকেটে সবচেয়ে বড় জুটিটি এখন তাদের। এতদিন ধরে রেকর্ডটি দখলে ছিল মুশফিক ও মুমিনুলের।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে চট্টগ্রাম টেস্টে এই শ্রীলংকার বিপক্ষেই ২৩৬ রানের জুটি গড়েছিলেন মুশফিক-মুমিনুল।  এবার সেই রেকর্ড ভাঙল শান্ত-মুমিনুল জুটি।

তবে মাত্র ৫ বল খেললেই জুটি বল মোকাবিলার হিসেবে প্রথম স্থানটি দখল করত। বল মোকাবিলার হিসাবে সবচেয়ে বড় জুটিটি মোহাম্মদ আশরাফুল আর মুশফিকের।  ২০১৩ সালে শ্রীলংকার গলে পঞ্চম উইকেটে ৫১৮ বল খেলে ২৬৭ রানের জুটি গড়েছিলেন তারা।

সে হিসাবে শান্ত-মুমিনুলের ২৪২ রানের জুটি তালিকায় দ্বিতীয়। পাল্লেকেলে টেস্টে ২৪২ রানের জুটিতে শান্ত ও মুমিনুল খরচ করেছেন ৫১৪ বল।

প্রথম হওয়া ৫ বল আগেই তাদের জুটি ভেঙে দেন পেসার লাহিরু কুমারা। ১২৪তম ওভারে শান্তকে নিজের ফিরতি বলে ক্যাচে পরিণত করেন কুমারা।

শান্তর সাজঘরে ফেরার পর মুমিনুলও ফেরেন। ৩০৪ বল খেলে ১২৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ধনঞ্জয়ার বলে প্রথম স্লিপে থিরিমান্নের হাতে ক্যাচ তুলে দেন মুমিনুল।

দ্বিতীয় দিনে এ দুটি উইকেটই প্রাপ্তি শ্রীলংকার। প্রথম দিনের প্রাপ্তি ছিল একটি। ওয়ানডে মেজাজে খেলা ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবালকে নার্ভাস নাইনটিতে আউট করেছিলেন বিশ্ব ফার্নান্দো।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : শ্রীলংকায় বাংলাদেশের টেস্ট সিরিজ ২০২১