ভারতীয় ক্রিকেটারদের জন্যই আইপিএলে করোনা সংক্রমণ!
jugantor
ভারতীয় ক্রিকেটারদের জন্যই আইপিএলে করোনা সংক্রমণ!

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১১ মে ২০২১, ২১:১৪:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনার মধ্যে বাড়তি ঝুঁকি নিয়েই শুরু হয় আইপিএল। কিন্তু ক্রিকেটাররা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ।

বায়ো-বাবলে থেকেও ক্রিকেটাররা আক্রান্ত হওয়া নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের নিউজিল্যান্ডের ফিল্ডিং কোচ জেমস পামেন্ট। তিনি দেশে ফিরেই জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতীয় ক্রিকেটাররা জৈব সুরক্ষা বলয়ের নিয়মকানুন মানতে আন্তরিক ছিল না।

দেশে ফিরে পামেন্ট বলেছেন, ভারতের বেশ কিছু সিনিয়র ক্রিকেটার জৈব সুরক্ষা বলয়ের ঠিকঠাক নিয়ম কানুন মানত না। তা সত্ত্বেও বাবলের সুরক্ষা নিয়ে আমরা নিশ্চিত ছিলাম। বাবলের নিরাপত্তাও যে বিঘ্নিত হতে পারে, তা ভাবতেই পারিনি। তবে সবসময়েই আমরা জানতাম, ট্র্যাভেল করাটা সমস্যার হয়ে উঠতে পারে।

নিউজিল্যান্ডের এই কোচ জানিয়েছেন, অন্য দলের ক্রিকেটারদের মধ্যেও যখন সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছিল, তখন বাকিদের মধ্যেও চাপা আতঙ্ক, ভয় কাজ করছিল। চেন্নাই করোনার খবর জানানোর পরেই আরো সন্দেহ গাঢ় হয়। তার কিছুদিন আগেই আমরা সিএসকের বিরুদ্ধে খেলেছিলাম। সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের স্কোয়াডে গ্রুপের মধ্যে একটা ভয়ের বাতাবরণ তৈরি হয়ে গেল। আমি অস্ট্রেলীয় আর কিউইদের সঙ্গেই বেশি থাকতাম। তবে আচমকা সেই খবরের পরের দেখলাম সকলের মানসিকতা কেমন বদলে গেল।

পামেন্ট আরও জানান, আমাদের দলে যে ভারতীয় ক্রিকেটারদের পরিবার অসুস্থ ছিল, তাদের কাছে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছিলাম। সবাই বলছিল, খেলা চালিয়ে যেতে তাদের আপত্তি নেই। আমাদের এই বার্তাও দেওয়া হচ্ছিল, মহামারিতে ক্রিকেট বিনোদনের জোগান দেবে।

তিনি আরও বলেছেন, যতক্ষণ না কেউ নিয়ম ভঙ্গ করছে, শৃঙ্খলার সঙ্গে থাকছে, ততক্ষণ বাবল নিয়ে কোনো সমস্যাই ছিল না। যদি গোটা টুর্নামেন্টই মুম্বাইয়ে আয়োজন করা হতো, তাহলে হয়ত এত সমস্যা হতো না। তবে একবার মুম্বইয়ে মাঠকর্মী থেকে সাফাই কর্মীরা আক্রান্ত হওয়ার পরে তা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। চেন্নাইয়ে যাওয়ার সময়ে আমাদের স্কোয়াডেও একজন ধরা পড়ে। তবে দ্রুততার সঙ্গে তাকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছিল। যারা তার সংস্পর্শে এসেছিল, তারা কেউই আক্রান্ত হয়নি। এতেই বোঝা গিয়েছিল, বায়ো-বাবল যে অভেদ্য তা মোটেই নয়।

ভারতীয় ক্রিকেটারদের জন্যই আইপিএলে করোনা সংক্রমণ!

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১১ মে ২০২১, ০৯:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনার মধ্যে বাড়তি ঝুঁকি নিয়েই শুরু হয় আইপিএল। কিন্তু ক্রিকেটাররা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ।

বায়ো-বাবলে থেকেও ক্রিকেটাররা আক্রান্ত হওয়া নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের নিউজিল্যান্ডের ফিল্ডিং কোচ জেমস পামেন্ট। তিনি দেশে ফিরেই জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতীয় ক্রিকেটাররা জৈব সুরক্ষা বলয়ের নিয়মকানুন মানতে আন্তরিক ছিল না।

দেশে ফিরে পামেন্ট বলেছেন, ভারতের বেশ কিছু সিনিয়র ক্রিকেটার জৈব সুরক্ষা বলয়ের ঠিকঠাক নিয়ম কানুন মানত না। তা সত্ত্বেও বাবলের সুরক্ষা নিয়ে আমরা নিশ্চিত ছিলাম। বাবলের নিরাপত্তাও যে বিঘ্নিত হতে পারে, তা ভাবতেই পারিনি। তবে সবসময়েই আমরা জানতাম, ট্র্যাভেল করাটা সমস্যার হয়ে উঠতে পারে।

নিউজিল্যান্ডের এই কোচ জানিয়েছেন, অন্য দলের ক্রিকেটারদের মধ্যেও যখন সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছিল, তখন বাকিদের মধ্যেও চাপা আতঙ্ক, ভয় কাজ করছিল। চেন্নাই করোনার খবর জানানোর পরেই আরো সন্দেহ গাঢ় হয়। তার কিছুদিন আগেই আমরা সিএসকের বিরুদ্ধে খেলেছিলাম। সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের স্কোয়াডে গ্রুপের মধ্যে একটা ভয়ের বাতাবরণ তৈরি হয়ে গেল। আমি অস্ট্রেলীয় আর কিউইদের সঙ্গেই বেশি থাকতাম। তবে আচমকা সেই খবরের পরের দেখলাম সকলের মানসিকতা কেমন বদলে গেল।

পামেন্ট আরও জানান, আমাদের দলে যে ভারতীয় ক্রিকেটারদের পরিবার অসুস্থ ছিল, তাদের কাছে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছিলাম। সবাই বলছিল, খেলা চালিয়ে যেতে তাদের আপত্তি নেই। আমাদের এই বার্তাও দেওয়া হচ্ছিল, মহামারিতে ক্রিকেট বিনোদনের জোগান দেবে।

তিনি আরও বলেছেন, যতক্ষণ না কেউ নিয়ম ভঙ্গ করছে, শৃঙ্খলার সঙ্গে থাকছে, ততক্ষণ বাবল নিয়ে কোনো সমস্যাই ছিল না। যদি গোটা টুর্নামেন্টই মুম্বাইয়ে আয়োজন করা হতো, তাহলে হয়ত এত সমস্যা হতো না। তবে একবার মুম্বইয়ে মাঠকর্মী থেকে সাফাই কর্মীরা আক্রান্ত হওয়ার পরে তা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। চেন্নাইয়ে যাওয়ার সময়ে আমাদের স্কোয়াডেও একজন ধরা পড়ে। তবে দ্রুততার সঙ্গে তাকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছিল। যারা তার সংস্পর্শে এসেছিল, তারা কেউই আক্রান্ত হয়নি। এতেই বোঝা গিয়েছিল, বায়ো-বাবল যে অভেদ্য তা মোটেই নয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আইপিএল-২০২১