ইউরো ফাইনাল বাতিল হতে বসেছিল
jugantor
ইউরো ফাইনাল বাতিল হতে বসেছিল

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১৬ জুলাই ২০২১, ১৬:১৫:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউরো কাপের ফাইনাল নিয়ে ইংলিশদের তাণ্ডব দেখেছে বিশ্ব। সেই তাণ্ডব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে লন্ডন পুলিশ দাবি করেছে, তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে ইউরোর ফাইনাল বাতিল হয়ে যেতে পারত।

লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে গত ১১ জুলাই রাত ১টায় গ্যালারিপূর্ণ দর্শক নিয়ে ইউরোর ফাইনালে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড ও ইতালি।

টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জিতে ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়ে ৫৩ বছর পর ইউরো কাপের শিরোপা ঘরে তুলে আজ্জুরিরা।

এদিন ম্যাচ শুরুর আগে ইংল্যান্ডের সমর্থকদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন মদ্যপ। যারা রাস্তায় ও ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামের গেটগুলোতে তাণ্ডব চালায়।

ম্যাচের আগে মাঠের বাইরে সহিংসতায় জড়ান তারা। টিকিট না থাকার পরেও মাঠে ঢুকতে জোরজবরদস্তি করেন। ক্ষোভে যাকে সামনে পেয়েছেন তার ওপরই চড়াও হন। বিয়ারের বোতল ছুড়ে মারেন। বাস ভাঙচূর করেন।

এমনকি ইতালি থেকে আসা সমর্থকদের ওপরও হামলা করার ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটান ইংলিশরা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেদিন স্টেডিয়ামে কর্তৃপক্ষের অনুরোধে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ।

পুলিশের বাধায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

মদ্যপ ও বিশৃঙ্খল জনতাকে বাগে আনতে সেদিন অনেক শ্রম দিতে হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনীর।

এরপরও পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা দেখছেন ইংল্যান্ডের অনেকেই। তারা আরো বিচক্ষণ ও তড়িৎকর্মা হলে পরিস্থিতি এতো ভয়াবহ রূপ নিত না বলে দাবি অনেকের।

এমন অভিযোগের বিষয়ে লন্ডন পুলিশের উপসহকারী কমিশনার জেন কনরস বলেছেন, ‘রোববার পুলিশ নিজের কাজে ব্যর্থ হয়েছে, তা মানতে রাজি নই। কঠিন সময়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারদর্শী, এমন অফিসার নিযুক্ত করা হয়েছিল। তারা নিজেদের দায়িত্ব পালন না করলে হয়তো ম্যাচটাই বাতিল হয়ে যেত।’

তথ্যসূত্র: স্কাই স্পোর্টস

ইউরো ফাইনাল বাতিল হতে বসেছিল

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১৬ জুলাই ২০২১, ০৪:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউরো কাপের ফাইনাল নিয়ে ইংলিশদের তাণ্ডব দেখেছে বিশ্ব। সেই তাণ্ডব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে লন্ডন পুলিশ দাবি করেছে, তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে ইউরোর ফাইনাল বাতিল হয়ে যেতে পারত। 

লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে গত ১১ জুলাই রাত ১টায় গ্যালারিপূর্ণ দর্শক নিয়ে ইউরোর ফাইনালে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড ও ইতালি।

টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জিতে ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়ে ৫৩ বছর পর ইউরো কাপের শিরোপা ঘরে তুলে আজ্জুরিরা।

এদিন ম্যাচ শুরুর আগে ইংল্যান্ডের সমর্থকদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন মদ্যপ। যারা রাস্তায় ও ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামের গেটগুলোতে তাণ্ডব চালায়।

ম্যাচের আগে মাঠের বাইরে সহিংসতায় জড়ান তারা। টিকিট না থাকার পরেও মাঠে ঢুকতে জোরজবরদস্তি করেন। ক্ষোভে যাকে সামনে পেয়েছেন তার ওপরই চড়াও হন। বিয়ারের বোতল ছুড়ে মারেন। বাস ভাঙচূর করেন।

এমনকি ইতালি থেকে আসা সমর্থকদের ওপরও হামলা করার ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটান ইংলিশরা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেদিন স্টেডিয়ামে কর্তৃপক্ষের অনুরোধে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ।

পুলিশের বাধায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

মদ্যপ ও বিশৃঙ্খল জনতাকে বাগে আনতে সেদিন অনেক শ্রম দিতে হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনীর।

এরপরও পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা দেখছেন ইংল্যান্ডের অনেকেই। তারা আরো বিচক্ষণ ও তড়িৎকর্মা হলে পরিস্থিতি এতো ভয়াবহ রূপ নিত না বলে দাবি অনেকের।

এমন অভিযোগের বিষয়ে লন্ডন পুলিশের উপসহকারী কমিশনার জেন কনরস বলেছেন, ‘রোববার পুলিশ নিজের কাজে ব্যর্থ হয়েছে, তা মানতে রাজি নই। কঠিন সময়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারদর্শী, এমন অফিসার নিযুক্ত করা হয়েছিল। তারা নিজেদের দায়িত্ব পালন না করলে হয়তো ম্যাচটাই বাতিল হয়ে যেত।’

 

তথ্যসূত্র: স্কাই স্পোর্টস
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ইউরো-২০২০