শাস্তি হওয়া সেই মুসলিম খেলোয়াড় যা বললেন
jugantor
শাস্তি হওয়া সেই মুসলিম খেলোয়াড় যা বললেন

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:৪৫:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

ইসরাইলের অ্যাথলেটের বিপক্ষে খেলায় অংশ না নেওয়ায় আলজেরিয়ার মুসলিম খেলোয়াড় কেথি নুরিনকে প্রতিযোগিতার মাঝ পথেই দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শাস্তির পর গণমাধ্যমকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে কেথি নুরিন বলেন, টোকিও অলিম্পিক গেমসে আসতে আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। তবে ফিলিস্তিনের বিষয়টি সবকিছুর চেয়ে অনেক বড়।

আলজেরিয়ান এই অ্যাথলেট ৭৩ কেজি ওজনশ্রেণিতে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল সুদানের মোহামেদ আবদালরাসুল। তার বিপক্ষে জিতলেপরের রাউন্ডে নুরিনের প্রতিপক্ষ হতেন ইসরাইলের তোহার বাটবাল।

নুরিন চাননি ইসরাইলির বিপক্ষে খেলায় অংশ নিতে। তাই এই ইভেন্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। মূলত ফিলিস্তিনের মুসলমানদের ওপর ইসরাইলের নির্যাতনের প্রতিবাদ স্বরূপ এই সিদ্ধান্ত নেন নুরিন।

নুরিনের এমন সিদ্ধান্তের পর তাকেসহ তার কোচ আমের বিন ইয়াকলিফকে অলিম্পিক থেকে প্রত্যাহার করে আলজেরিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

শনিবার আন্তর্জাতিক জুডো ফেডারেশন (আইজেএফ) এক বিবৃতিতে জানায়, নুরিন যা করেছে, সেটি আমাদের দর্শনের পুরো বিপরীত।আইজেএফ সব সময় কড়া বৈষম্যহীন নীতি মেনে চলে। জুডোর মূল্যবোধের মাধ্যমে সংহতি বাড়ানোই মূল লক্ষ্য। এই খেলার অন্যতম মূল ভিত্তি হলো বন্ধুত্ব ও সম্মানবোধ।

শুধু নুরিন নন, এর আগে ইসরাইলের সাগি মুকির বিপক্ষে খেলতে না চাওয়ায় ইরানের জুডো খেলোয়াড় সাইদ মোল্লাকে চার বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। তার সেই নিষেধাজ্ঞা ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

শাস্তি হওয়া সেই মুসলিম খেলোয়াড় যা বললেন

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২৪ জুলাই ২০২১, ০৬:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইসরাইলের অ্যাথলেটের বিপক্ষে খেলায় অংশ না নেওয়ায় আলজেরিয়ার মুসলিম খেলোয়াড় কেথি নুরিনকে প্রতিযোগিতার মাঝ পথেই দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

শাস্তির পর গণমাধ্যমকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে কেথি নুরিন বলেন, টোকিও অলিম্পিক গেমসে আসতে আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। তবে ফিলিস্তিনের বিষয়টি সবকিছুর চেয়ে অনেক বড়।

আলজেরিয়ান এই অ্যাথলেট ৭৩ কেজি ওজনশ্রেণিতে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল সুদানের মোহামেদ আবদালরাসুল। তার বিপক্ষে জিতলে পরের রাউন্ডে নুরিনের প্রতিপক্ষ হতেন ইসরাইলের তোহার বাটবাল। 

নুরিন চাননি ইসরাইলির বিপক্ষে খেলায় অংশ নিতে। তাই এই ইভেন্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। মূলত ফিলিস্তিনের মুসলমানদের ওপর ইসরাইলের নির্যাতনের প্রতিবাদ স্বরূপ এই সিদ্ধান্ত নেন নুরিন। 

নুরিনের এমন সিদ্ধান্তের পর তাকেসহ তার কোচ আমের বিন ইয়াকলিফকে অলিম্পিক থেকে প্রত্যাহার করে আলজেরিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। 

শনিবার আন্তর্জাতিক জুডো ফেডারেশন (আইজেএফ) এক বিবৃতিতে জানায়, নুরিন যা করেছে, সেটি আমাদের দর্শনের পুরো বিপরীত। আইজেএফ সব সময় কড়া বৈষম্যহীন নীতি মেনে চলে। জুডোর মূল্যবোধের মাধ্যমে সংহতি বাড়ানোই মূল লক্ষ্য। এই খেলার অন্যতম মূল ভিত্তি হলো বন্ধুত্ব ও সম্মানবোধ।

শুধু নুরিন নন, এর আগে ইসরাইলের সাগি মুকির বিপক্ষে খেলতে না চাওয়ায় ইরানের জুডো খেলোয়াড় সাইদ মোল্লাকে চার বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। তার সেই নিষেধাজ্ঞা ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : অলিম্পিক ২০২০