এমন জয়ে ডিগবাজি না দিয়ে উপায় আছে?

প্রকাশ : ০৮ মে ২০১৮, ০০:১৭ | অনলাইন সংস্করণ

  স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যাচের পরতে পরতে ছিল উত্তেজনা। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিল হায়দরাবাদ। বিরাট কোহলি, এবি ডি ভিলিয়ার্সদের পাত্তাই দেননি সাকিব-রশিদরা। তাদের কল্যাণে স্মরনীয় এক জয় পায় হায়দরাবাদ।  

ব্যাটে বলে অসাধারণ পারফর্ম করেছেন সাকিব আল হাসান। ব্যাট হাতে ৩৫ রান করার পাশাপাশি বল হাতে ২ উইকেট শিকার করে দলকে জয় উপহার দেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। 

হায়দরাবাদের করা ১৪৬ রান তাড়া করতে নেমে ৫ রানে হেরে যায় বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। 

৭ ওভারে কোহলিদের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৬০ রান। দলের এমন অবস্থায় জয়ের স্বপ্নে বিভোর ছিল ব্যাঙ্গালুরু। কিন্তু এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ে গেলে কঠিন চাপের মধ্যে পড়ে যায় তারা।

আর এই চাপ সামলিয়ে উঠতে না পারায় তীরে গিয়ে তরী ডুবে কোহলিদের। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন কোহলি। এছাড়া ৩৩ রান করেন গ্রান্ডহোম। 

সোমবার হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে আইপিএলের চলমান ৩৯তম ম্যাচে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৮ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপের মধ্যে পড়ে যায় হায়দরাবাদ।
 
চতুর্থ উইকেটে সাকিব আল হাসানকে সঙ্গে নিয়ে ৬৪ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় হায়দরাবাদ।

উমেশ যাদবকে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে মন্দিপ সিংহের হাতে ধরা পড়েন উইলিয়ামসন। তার আগে ৩৯ বলে পাঁচ চার ও দুই ছক্কায় ৫৬ রান করে যান হায়দরাবাদের অধিনায়ক।

খানিক ব্যবধানে ফেরেন সাকিব আল হাসান। টিম সাউদির বলে সুইফ করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ফিল্ডিং করা উমেশ যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাকিব। তার আগে ৩২ বলে পাঁচ বাউন্ডারিতে ৩৫ রান করে ফেরেন এ অলরাউন্ডার।

শেষ দিকে লড়াই করতে পারেননি ইউসুফ পাঠান,ঋদ্ধিমান সাহ, রশিদ খান, ভুবেনেশ্বর কুমাররা। যে কারণে ১৪৬ রানে অলআউট হয়ে যায় হায়দরাবাদ। ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে ৪ ওভারে ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন মোহাম্মদ সিরাজ। এছাড়া তিন উইকেট শিকার করেন টিম সাউদি।