গ্রেফতারের পর জামিনে মুক্ত যুবরাজ সিং
jugantor
গ্রেফতারের পর জামিনে মুক্ত যুবরাজ সিং

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১৮ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৩৪:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

এক বছর আগে ভারত দলের স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহালকে নিয়ে রসিকতা করে বিপাকে পড়েছেন বিশ্বকাপজয়ী তারকা যুবরাজ সিং।

তার সেই রসিকতাকে জাতিগত বৈষম্যমূলক মন্তব্য হিসেবে ধরা হয়। সেই সময় ঝাঁসি শহরের থানায় যুবরাজের নামে করা এক অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার গ্রেফতার করা হয় তাকে।

গ্রেফতারের পর পরই অবশ্য হাইকোর্টের আদেশে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে মুক্ত হয়েছেন ভারতের এ সাবেক অলরাউন্ডার।

ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর, পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের নির্দেশে যুবরাজকে গ্রেফতার করে হিসার জেতার হানসি পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানের তদন্তকারী অফিসার ডেপুটি পুলিশ সুপার বিনোদ শংকরের জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য দেন যুবরাজ। পরে তিনি জামিন নেন।

জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে যুবরাজের বিরুদ্ধে জাতিগত বৈষম্যমূলক মন্তব্য করার অভিযোগ করেন হানসির আইনজীবী রজত কালসান। তার দাবি, যুবরাজের মন্তব্য দেশটির দলিত সম্প্রদায়ের মানুষের ভাবাবেগে আঘাত করেছে।

উল্লেখ্য, ভারতীয় দলের স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয়। প্রায়ই নানা ধরনের ভিডিও আপলোড করেন, যা নিয়ে বিরক্ত ভারত দলের ক্রিকেটাররাই।

এ নিয়ে যুজবেন্দ্রকে তীর্যক সব মন্তব্য করতেও ছাড়েন না তারা। যুজবেন্দ্রের এই সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন ক্যারিবীয় জায়ান্ট ক্রিস গেইলও। একবার যুজবেন্দ্রের এসব পোস্টে বিরক্ত হয়ে গেইল লিখেছিলেন, অনেক হয়েছে। এবার চাহালের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করব।

গত বছর যুজবেন্দ্রের এমনই এক পোস্ট নিয়ে রসিকতায় মজেছিলেন ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মা ও যুবরাজ। ইনস্টাগ্রামে একটি নাচের ভিডিও পোস্ট করেছিলেন যুজবেন্দ্র।

সেটিকে নিয়ে মজার ছলে বৈষম্যমূলক মন্তব্য করেন যুবরাজ। যুবরাজের এমন মন্তব্য সেই সময় ভালোভাবে নেয়নি ভারতীয়দের অনেকেই। তাকে গ্রেফতারের দাবি ওঠে নেটমাধ্যমে।

এমন পরিস্থিতিতে যুজবেন্দ্র ও ভারতীয়দের কাছে করজোরে ক্ষমা চান যুবরাজ। তিনি দাবি করেন, তার বক্তব্যের ভুল অর্থ প্রচার করা হয়েছে।

টুইটে এ অলরাউন্ডার লিখেছিলেন, ‘আমি কখনও কোনো জাতি, বর্ণ, ধর্ম অথবা লিঙ্গের বৈষম্যে বিশ্বাস করিনি। সারাজীবন মানুষের জন্য কাজ করেছি। আমি মানুষকে মর্যাদা দেওয়ায় বিশ্বাস করি। মানুষ একে অপরকে নিঃস্বার্থভাবে সম্মান করুক, এটিই চেয়ে এসেছি। বন্ধুদের কথা বলার সময় আমার একটি কথার অন্য অর্থ করা হয়েছে, যেটি অনভিপ্রেত। ভারতের একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমি যদি কারও ভাবাবেগে আঘাত করে থাকি, তার জন্য ক্ষমা চাইছি। আমি ভারতকে ভালোবাসি আর ভারতবাসী সবসময় আমার অন্তরে থাকে।’

কিন্তু এর পরও আদালত-পুলিশ পর্যন্ত গড়াল বিষয়টি।

গ্রেফতারের পর জামিনে মুক্ত যুবরাজ সিং

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

এক বছর আগে ভারত দলের স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহালকে নিয়ে রসিকতা করে বিপাকে পড়েছেন বিশ্বকাপজয়ী তারকা যুবরাজ সিং।

তার সেই রসিকতাকে জাতিগত বৈষম্যমূলক মন্তব্য হিসেবে ধরা হয়। সেই সময় ঝাঁসি শহরের থানায় যুবরাজের নামে করা এক অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার গ্রেফতার করা হয় তাকে।

গ্রেফতারের পর পরই অবশ্য হাইকোর্টের আদেশে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে মুক্ত হয়েছেন ভারতের এ সাবেক অলরাউন্ডার।

ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর, পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের নির্দেশে যুবরাজকে গ্রেফতার করে হিসার জেতার হানসি পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানের তদন্তকারী অফিসার ডেপুটি পুলিশ সুপার বিনোদ শংকরের জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য দেন যুবরাজ। পরে তিনি জামিন নেন। 

জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে যুবরাজের বিরুদ্ধে জাতিগত বৈষম্যমূলক মন্তব্য করার অভিযোগ করেন হানসির আইনজীবী রজত কালসান। তার দাবি, যুবরাজের মন্তব্য দেশটির দলিত সম্প্রদায়ের মানুষের ভাবাবেগে আঘাত করেছে।

উল্লেখ্য, ভারতীয় দলের স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয়। প্রায়ই নানা ধরনের ভিডিও আপলোড করেন, যা নিয়ে বিরক্ত ভারত দলের ক্রিকেটাররাই।

এ নিয়ে যুজবেন্দ্রকে তীর্যক সব মন্তব্য করতেও ছাড়েন না তারা। যুজবেন্দ্রের এই সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন ক্যারিবীয় জায়ান্ট ক্রিস গেইলও। একবার যুজবেন্দ্রের এসব পোস্টে বিরক্ত হয়ে গেইল লিখেছিলেন, অনেক হয়েছে। এবার চাহালের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করব।

গত বছর যুজবেন্দ্রের এমনই এক পোস্ট নিয়ে রসিকতায় মজেছিলেন ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মা ও যুবরাজ। ইনস্টাগ্রামে একটি নাচের ভিডিও পোস্ট করেছিলেন যুজবেন্দ্র। 

সেটিকে নিয়ে মজার ছলে বৈষম্যমূলক মন্তব্য করেন যুবরাজ। যুবরাজের এমন মন্তব্য সেই সময় ভালোভাবে নেয়নি ভারতীয়দের অনেকেই। তাকে গ্রেফতারের দাবি ওঠে নেটমাধ্যমে। 

এমন পরিস্থিতিতে যুজবেন্দ্র ও ভারতীয়দের কাছে করজোরে ক্ষমা চান যুবরাজ। তিনি দাবি করেন, তার বক্তব্যের ভুল অর্থ প্রচার করা হয়েছে।

টুইটে এ অলরাউন্ডার লিখেছিলেন, ‘আমি কখনও কোনো জাতি, বর্ণ, ধর্ম অথবা লিঙ্গের বৈষম্যে বিশ্বাস করিনি। সারাজীবন মানুষের জন্য কাজ করেছি। আমি মানুষকে মর্যাদা দেওয়ায় বিশ্বাস করি। মানুষ একে অপরকে নিঃস্বার্থভাবে সম্মান করুক, এটিই চেয়ে এসেছি। বন্ধুদের কথা বলার সময় আমার একটি কথার অন্য অর্থ করা হয়েছে, যেটি অনভিপ্রেত। ভারতের একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমি যদি কারও ভাবাবেগে আঘাত করে থাকি, তার জন্য ক্ষমা চাইছি। আমি ভারতকে ভালোবাসি আর ভারতবাসী সবসময় আমার অন্তরে থাকে।’

কিন্তু এর পরও আদালত-পুলিশ পর্যন্ত গড়াল বিষয়টি।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন