বিশ্বকাপে নজরকাড়াদের তালিকায় বাংলাদেশের নাঈম
jugantor
বিশ্বকাপে নজরকাড়াদের তালিকায় বাংলাদেশের নাঈম

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১৫ নভেম্বর ২০২১, ১৭:৪৮:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

রোববার ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসরের। টুর্নামেন্টের সপ্তম আসরে এসে প্রথমবার শিরোপা জিতল অস্ট্রেলিয়া।ওয়ানডে বিশ্বকাপে রেকর্ড পাঁচবার শিরোপাজয়ী জিতে অস্ট্রেলিয়া।

নিউজিল্যান্ডকে রোমাঞ্চকর ফাইনালে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নেয় অ্যারন ফিঞ্চের নেতৃত্বাধীন দলটি।

সদ্য শেষ হওয়া এইআসরে যারা নজর কেড়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম মোহাম্মদ নাঈম শেখ। বাংলাদেশ দলের এ তরুণ ওপেনার বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ধরাদের তালিকায় তৃতীয় পজিশনে আছেন। টুর্নামেন্টে ৬টি ক্যাচ নেন নাঈম শেখ।

এই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজমের চেয়ে ১৪ রান কম করেও টুর্নামেন্টের সেরা হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৩৮ বলে ৫টি চার ও তিন ছক্কায় ৫৩ রান করেন ওয়ার্নার। বিশ্বকাপে ৭ ইনিংসে ৪৮.১৬ গড়ে ২৮৯ রান করেন তিনি।

পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম ৬ ম্যাচে ৬০.৬০ গড়ে সর্বোচ্চ ৩০৩ রান করেন। ৭ ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮৯ রান করেন ডেভিড ওয়ার্নার। ৬ ম্যাচে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৮১ রান করেন পাকিস্তানের ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান।

টুর্নামেন্টে ৮ ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৬ উইকেট শিকার করেছেন শ্রীলংকার তারকা লেগ স্পিনার ওয়ানেন্দু হাসারঙ্গা। ৭ ম্যাচে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ উইকেট শিকার করেছেন অস্ট্রেলিয়ার গেল স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। ৭ ম্যাচে ১৩ উইকেট শিকার করেন নিউজিল্যান্ডের তারকা পেসার ট্রেন্ট বোল্ট।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসরে একমাত্র সেঞ্চুরি করেন ইংল্যান্ডের তারকা ওপেনার জস বাটলার। তিনি শ্রীলংকার বিপক্ষে ৬৭ বলে ৬টি চার ও সমান ছক্কায় ১০১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন।

টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি ৪টি ফিফটি হাঁকান পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম। ৩টি করে ফিফটি হাঁকান ডেভিড ওয়ার্নার, পাথুম নিশাঙ্কা ও লোকেশ রাহুল।

ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১০১* রানের ইনিংস খেলেন ইংল্যান্ডের তারকা ওপেনার জস বাটলার।

ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ৫ উইকেট শিকার করেছেন অস্ট্রেলিয়ার লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা ও আফগানিস্তানের স্পিনার মুজিব উর রহমান।

সবচেয়ে বেশি ৮টি ক্যাচ নিয়েছেন স্কটল্যান্ডের ক্রিকেটার ক্যালাম ম্যাকলিওড। ৭টি ক্যাচ নিয়েছেন স্টিভ স্মিথ, ৬টি করে ক্যাচ নেন বাংলাদেশ দলের ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম, স্কটল্যান্ডের জর্জ মুনসি ও ওমানের যতিন্দর সিং।

টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ১৫২ রানের পার্টনারশিপ গড়েন পাকিস্তানের দুই তরুণ ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম।

দলীয় সর্বোচ্চ ২১০/২ রান করে ভারত। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এই রান করে বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন দলটি।

সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেসবচেয়ে বড় জয় পায় আফগানিস্তান। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১৩০ রানের জয় পায় মোহাম্মদ নবীর নেতৃত্বাধীন দলটি।

বিশ্বকাপে নজরকাড়াদের তালিকায় বাংলাদেশের নাঈম

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১৫ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রোববার ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসরের। টুর্নামেন্টের সপ্তম আসরে এসে প্রথমবার শিরোপা জিতল অস্ট্রেলিয়া। ওয়ানডে বিশ্বকাপে রেকর্ড পাঁচবার শিরোপাজয়ী জিতে অস্ট্রেলিয়া।

নিউজিল্যান্ডকে রোমাঞ্চকর ফাইনালে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নেয় অ্যারন ফিঞ্চের নেতৃত্বাধীন দলটি।  

সদ্য শেষ হওয়া এই আসরে যারা নজর কেড়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম মোহাম্মদ নাঈম শেখ। বাংলাদেশ দলের এ তরুণ ওপেনার বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ধরাদের তালিকায় তৃতীয় পজিশনে আছেন। টুর্নামেন্টে ৬টি ক্যাচ নেন নাঈম শেখ। 

এই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজমের চেয়ে ১৪ রান কম করেও টুর্নামেন্টের সেরা হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৩৮ বলে ৫টি চার ও তিন ছক্কায় ৫৩ রান করেন ওয়ার্নার। বিশ্বকাপে ৭ ইনিংসে ৪৮.১৬ গড়ে ২৮৯ রান করেন তিনি। 

পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম ৬ ম্যাচে ৬০.৬০ গড়ে সর্বোচ্চ ৩০৩ রান করেন। ৭ ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮৯ রান করেন ডেভিড ওয়ার্নার। ৬ ম্যাচে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৮১ রান করেন পাকিস্তানের ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান। 

টুর্নামেন্টে ৮ ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৬ উইকেট শিকার করেছেন শ্রীলংকার তারকা লেগ স্পিনার ওয়ানেন্দু হাসারঙ্গা। ৭ ম্যাচে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ উইকেট শিকার করেছেন অস্ট্রেলিয়ার গেল স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। ৭ ম্যাচে ১৩ উইকেট শিকার করেন নিউজিল্যান্ডের তারকা পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসরে একমাত্র সেঞ্চুরি করেন ইংল্যান্ডের তারকা ওপেনার জস বাটলার। তিনি শ্রীলংকার বিপক্ষে ৬৭ বলে ৬টি চার ও সমান ছক্কায় ১০১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন। 

টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি ৪টি ফিফটি হাঁকান পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম। ৩টি করে ফিফটি হাঁকান ডেভিড ওয়ার্নার, পাথুম নিশাঙ্কা ও লোকেশ রাহুল। 

ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১০১* রানের ইনিংস খেলেন ইংল্যান্ডের তারকা ওপেনার জস বাটলার। 

ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ৫ উইকেট শিকার করেছেন অস্ট্রেলিয়ার লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা ও আফগানিস্তানের স্পিনার মুজিব উর রহমান। 

সবচেয়ে বেশি ৮টি ক্যাচ নিয়েছেন স্কটল্যান্ডের ক্রিকেটার ক্যালাম ম্যাকলিওড। ৭টি ক্যাচ নিয়েছেন স্টিভ স্মিথ, ৬টি করে ক্যাচ নেন বাংলাদেশ দলের ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম, স্কটল্যান্ডের জর্জ মুনসি  ও ওমানের যতিন্দর সিং। 

টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ১৫২ রানের পার্টনারশিপ গড়েন পাকিস্তানের দুই তরুণ ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম। 

দলীয় সর্বোচ্চ ২১০/২ রান করে ভারত। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এই রান করে বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন দলটি। 

সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় জয় পায় আফগানিস্তান। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১৩০ রানের জয় পায় মোহাম্মদ নবীর নেতৃত্বাধীন দলটি। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : টি২০ বিশ্বকাপ ২০২১