যমুনা গ্রুপ কাপ গলফে খুদে যাহীর বড় সাফল্য
jugantor
যমুনা গ্রুপ কাপ গলফে খুদে যাহীর বড় সাফল্য

  শামীম হোসেন  

২০ নভেম্বর ২০২১, ২১:৩০:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

ষষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া ওসামা মো. যাহী। বাবার অনুপ্রেরণায় ২০১৯-এ তার গলফ খেলা শুরু। যে কোনো টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কাজটি ডালভাতে পরিণত করে ফেলেছে সে। মাত্র দুই বছরের ক্যারিয়ারে তার প্রাপ্তির ঝুলিতে জমা হয়েছে ছয়টি শিরোপা।

পেশাদার গলফার হিসাবে দেখতে চান বাবা দেওয়ান আসাদুজ্জামান মামুন। তিনি সাভারের কুটুরিয়ার দেওয়ানবাড়ি এলাকায় বসবাস করেন। পেশায় গার্মেন্ট ব্যবসায়ী। সাভার গলফ ক্লাবে শনিবার শেষ হওয়া মুজিববর্ষ প্রথম যমুনা গ্রুপ কাপ অ্যামেচার গলফ চ্যাম্পিয়নশিপের জুনিয়র বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যাহী।

নিজের সাফল্যে খুব একটা বিস্মিত নয় সে, ২০১৯ সালে বাবার অনুপ্রেরণায় গলফ খেলা শুরু করি। এ নিয়ে ছয়টি টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হলাম। ভালো লাগছে। সত্যি বলতে, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিষয়টি আমার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে (হাসি)। আজকের পুরস্কারটি আমার বাবাকে উৎসর্গ করছি।

ক্রিকেট-ফুটবলের মতো গলফকে কীভাবে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, এ ব্যাপারে এই খুদে গলফারের অভিমত, গলফ ব্যয়বহুল খেলা। এজন্য আমাদের দেশে এখনো এটি সেভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। স্কুল-কলেজ পর্যায়ে এ খেলা চালু করার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন ক্লাবকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে অন্য খেলার মতো গলফও একদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। এক্ষেত্রে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতাও খুব জরুরি।

ছেলেকে নিয়ে অনেক বড় স্বপ্ন বাবা আসাদুজ্জামান মামুনের, আমার ছেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আমি তাকে নিয়ে গর্বিত। আমি চাই, ওর প্রথম পরিচয় হোক একজন ভালো মানুষ, এরপর পেশাদার গলফার। সব বাধা পেরিয়ে আমি ওকে একজন পেশাদার গলফার হিসাবে গড়ে তুলতে চাই। এটা আমার স্বপ্ন।

মুজিববর্ষ যমুনা গ্রুপ কাপ অ্যামেচার গলফ চ্যাম্পিয়নশিপে নারী, পুরুষ এবং জুনিয়র বিভাগে মোট ৩৩৫ জন গলফার অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ৪৫ জন বিদেশি। কাল সাভার গলফ ক্লাবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সাভার গলফ ক্লাবের প্রেসিডেন্ট এবং নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক, এনডিসি, এইচডিএমসি, পিএসসি।

বিশেষ অতিথি ছিলেন যমুনা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামীম ইসলাম ও তার সহধর্মিণী তানিয়া ইসলাম। এ সময় যমুনা ইলেকট্রনিক্স ও অটোমোবাইলসের পরিচালক (মার্কেটিং) সেলিম উল্লাহ সেলিম ও যমুনা গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট) মো.আবু তারিক জিয়া চৌধুরীসহঅনেকে উপস্থিত ছিলেন।

যমুনা গ্রুপ কাপ গলফে খুদে যাহীর বড় সাফল্য

 শামীম হোসেন 
২০ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ষষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া ওসামা মো. যাহী। বাবার অনুপ্রেরণায় ২০১৯-এ তার গলফ খেলা শুরু। যে কোনো টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কাজটি ডালভাতে পরিণত করে ফেলেছে সে। মাত্র দুই বছরের ক্যারিয়ারে তার প্রাপ্তির ঝুলিতে জমা হয়েছে ছয়টি শিরোপা।

পেশাদার গলফার হিসাবে দেখতে চান বাবা দেওয়ান আসাদুজ্জামান মামুন। তিনি সাভারের কুটুরিয়ার দেওয়ানবাড়ি এলাকায় বসবাস করেন। পেশায় গার্মেন্ট ব্যবসায়ী। সাভার গলফ ক্লাবে শনিবার শেষ হওয়া মুজিববর্ষ প্রথম যমুনা গ্রুপ কাপ অ্যামেচার গলফ চ্যাম্পিয়নশিপের জুনিয়র বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যাহী।

নিজের সাফল্যে খুব একটা বিস্মিত নয় সে, ২০১৯ সালে বাবার অনুপ্রেরণায় গলফ খেলা শুরু করি। এ নিয়ে ছয়টি টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হলাম। ভালো লাগছে। সত্যি বলতে, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিষয়টি আমার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে (হাসি)। আজকের পুরস্কারটি আমার বাবাকে উৎসর্গ করছি।

ক্রিকেট-ফুটবলের মতো গলফকে কীভাবে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, এ ব্যাপারে এই খুদে গলফারের অভিমত, গলফ ব্যয়বহুল খেলা। এজন্য আমাদের দেশে এখনো এটি সেভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। স্কুল-কলেজ পর্যায়ে এ খেলা চালু করার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন ক্লাবকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে অন্য খেলার মতো গলফও একদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। এক্ষেত্রে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতাও খুব জরুরি।

ছেলেকে নিয়ে অনেক বড় স্বপ্ন বাবা আসাদুজ্জামান মামুনের, আমার ছেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আমি তাকে নিয়ে গর্বিত। আমি চাই, ওর প্রথম পরিচয় হোক একজন ভালো মানুষ, এরপর পেশাদার গলফার। সব বাধা পেরিয়ে আমি ওকে একজন পেশাদার গলফার হিসাবে গড়ে তুলতে চাই। এটা আমার স্বপ্ন।

মুজিববর্ষ যমুনা গ্রুপ কাপ অ্যামেচার গলফ চ্যাম্পিয়নশিপে নারী, পুরুষ এবং জুনিয়র বিভাগে মোট ৩৩৫ জন গলফার অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ৪৫ জন বিদেশি। কাল সাভার গলফ ক্লাবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সাভার গলফ ক্লাবের প্রেসিডেন্ট এবং নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক, এনডিসি, এইচডিএমসি, পিএসসি।

বিশেষ অতিথি ছিলেন যমুনা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামীম ইসলাম ও তার সহধর্মিণী তানিয়া ইসলাম। এ সময় যমুনা ইলেকট্রনিক্স ও অটোমোবাইলসের পরিচালক (মার্কেটিং) সেলিম উল্লাহ সেলিম ও যমুনা গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট) মো.আবু তারিক জিয়া চৌধুরীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন