পঞ্চম দিনের সকালে বাংলাদেশের দুই সাফল্য
jugantor
চট্টগ্রাম টেস্ট
পঞ্চম দিনের সকালে বাংলাদেশের দুই সাফল্য

  স্পোর্টস ডেস্ক  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:১০:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে মেহেদী হাসান মিরাজের উচ্ছ্বাস। ছবি: এএফপি

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২০২ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৫১ রানে উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছে পাকিস্তানের। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন আবদুল্লাহ শফিক। তিনি ৭৩ রান করেছিলেন।এরপর দলীয়২০ রান যোগ করারপরই ফিরে যান আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা আবিদ আলী। তিনি ৯১ রান করে সাজঘরে ফেরেন।

এর আগেচতুর্থ দিনে২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিকের হাফ সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান কোনো উইকেট না হারিয়ে১০৯ রান সংগ্রহ করে। প্রথম তিন দিন দোলাচল, চতুর্থ দিন শেষে জয়ের দুয়ারে পাকিস্তান। তৃতীয় দিন সকালে তাইজুল যে ঝলক দেখিয়েছিলেন, তেমনই কোনো জাদুর পরশই শুধু জাগিয়ে তুলতে পারে স্বাগতিকদের সম্ভাবনা। অলৌকিক কিছুর আশায় আজ শেষদিনে মাঠে নেমেছেন মুমিনুলরা। শেষদিনে পাকিস্তানের প্রয়োজন ৯৩ রান। বাংলাদেশের দরকার ১০ উইকেট।

প্রথম ইনিংসের ব্যাটিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের রয়েছে মিল। প্রথম ইনিংসে প্রায় দুই সেশন ব্যাটিং করে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৪৬ রান তুলেছিল পাকিস্তান। দ্বিতীয় ইনিংসেও এক সেশনের বেশি ব্যাট করে তারা তুলেছে ১০৯/০ রান। তবে পরের দিন পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসে যে টর্নেডো হয়েছিল, সেটারই পুনরাবৃত্তি আজ বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরাতে পারে।

প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আবিদ ৫৬ এবং হাফ সেঞ্চুরিয়ান শফিক ৫৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। সাগরিকার সকালে থাকা সুবিধা কাজে লাগাতে পারলে যে তাদের ৯৩ রানের মধ্যে অলআউট করা অসম্ভব নয়, বুঝতে পারছে স্বাগতিকরা। তবে কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে যে বিশেষ কিছু করতে হবে, সেটা জেনেই কাল ঘুমাতে যান মুমিনুলরা।

চট্টগ্রাম টেস্ট

পঞ্চম দিনের সকালে বাংলাদেশের দুই সাফল্য

 স্পোর্টস ডেস্ক 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:১০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে মেহেদী হাসান মিরাজের উচ্ছ্বাস। ছবি: এএফপি
পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে মেহেদী হাসান মিরাজের উচ্ছ্বাস। ছবি: এএফপি

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২০২ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৫১ রানে উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছে পাকিস্তানের। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন আবদুল্লাহ শফিক। তিনি ৭৩ রান করেছিলেন। এরপর দলীয় ২০ রান যোগ করার পরই ফিরে যান আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা আবিদ আলী। তিনি ৯১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। 

এর আগে চতুর্থ দিনে ২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিকের হাফ সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০৯ রান সংগ্রহ করে। প্রথম তিন দিন দোলাচল, চতুর্থ দিন শেষে জয়ের দুয়ারে পাকিস্তান। তৃতীয় দিন সকালে তাইজুল যে ঝলক দেখিয়েছিলেন, তেমনই কোনো জাদুর পরশই শুধু জাগিয়ে তুলতে পারে স্বাগতিকদের সম্ভাবনা। অলৌকিক কিছুর আশায় আজ শেষদিনে মাঠে নেমেছেন মুমিনুলরা। শেষদিনে পাকিস্তানের প্রয়োজন ৯৩ রান। বাংলাদেশের দরকার ১০ উইকেট।

প্রথম ইনিংসের ব্যাটিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের রয়েছে মিল। প্রথম ইনিংসে প্রায় দুই সেশন ব্যাটিং করে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৪৬ রান তুলেছিল পাকিস্তান। দ্বিতীয় ইনিংসেও এক সেশনের বেশি ব্যাট করে তারা তুলেছে ১০৯/০ রান। তবে পরের দিন পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসে যে টর্নেডো হয়েছিল, সেটারই পুনরাবৃত্তি আজ বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরাতে পারে।

প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আবিদ ৫৬ এবং হাফ সেঞ্চুরিয়ান শফিক ৫৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। সাগরিকার সকালে থাকা সুবিধা কাজে লাগাতে পারলে যে তাদের ৯৩ রানের মধ্যে অলআউট করা অসম্ভব নয়, বুঝতে পারছে স্বাগতিকরা। তবে কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে যে বিশেষ কিছু করতে হবে, সেটা জেনেই কাল ঘুমাতে যান মুমিনুলরা। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন