আইপিএল থেকে নিষিদ্ধ হচ্ছেন রশিদ-রাহুল!
jugantor
আইপিএল থেকে নিষিদ্ধ হচ্ছেন রশিদ-রাহুল!

  স্পোর্টস ডেস্ক  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:০৫:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

গেল অক্টেবরে শেষ হলো আইপিএলের ১৪তম আসর। ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ১৫তম আসরের প্রস্তুতি। আর এরই মধ্যে যে খবরে তোলপাড়, আইপিএলের আসন্ন মৌসুমে নিষিদ্ধ হতে পারেন পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটার লোকেশ রাহুল ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের লেগ স্পিনার রশিদ খান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইনসাইড স্পোর্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২২ আইপিএলের নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি লখনউ হয়ে মৌসুম প্রতি ২০ কোটি ভারতীয় রূপিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন রাহুল। যেখানে পাঞ্জাব কিংসে মৌসুমপ্রতি ১১ কোটি রূপি পেতেন এই ডানহাতি ব্যাটার। অন্যদিকে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের রশিদ খানকে ১৬ কোটি রুপির প্রস্তাব দিয়েছে লখনউ। দলটির সঙ্গে চুক্তিও সেরেছেন রশিদ এমনটাই গুঞ্জন।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কাছে লখনৌর বিরুদ্ধে খেলোয়াড় ‘ছিনতাইয়ের’ অভিযোগ করেছে হায়দরাবাদ ও পাঞ্জাব ফ্র্যাঞ্চাইজি।

আর বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

ইনসাইড স্পোর্টস-কে বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘লিখিত কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে মৌখিকভাবে লখনউ ফ্র্যাঞ্চাইজির বিরুদ্ধে ক্রিকেটার ছিনতাইয়ের অভিযোগ জানানো হয়েছে। গোটা ঘটনা বোর্ডের পক্ষ থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লোকেশ রাহুল ও রশিদ খান দোষী সাব্যস্ত হলে তারা আইপিএলের এক মৌসুম নিষিদ্ধ হবেন। অর্থাৎ ১৫তম আসরটি খেলতে পারবেন না তারা।’

নতুন দল লখনউয়ের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

বেশি মূল্য পেয়ে দল ছাড়াই কী রাহুল-রশিদের অপরাধ?

এ বিষয়ে বিসিসিআইয়ের ব্যাখ্যা, নিয়ম অনুযায়ী,প্রত্যেক ফ্র্যাঞ্চাইজির রিটেনশন তালিকা বোর্ডের তরফে প্রকাশ পাওয়ার পরই একমাত্র রিলিজ করা ক্রিকেটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে নতুন দুই দল লখনউ এবং আহমেদাবাদ। এর আগে নয়।

তবে সেই তালিকা প্রকাশ করার আগেই বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির তারকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে লখনউ। শুধু যোগাযোগই নয়, বড়সড় আর্থিক চুক্তির প্রলোভন দেখিয়ে দল ছাড়ার জন্য চাপ নাকি দেওয়া হয়েছে। এতে ক্রিকেটাররা দল ছাড়ার সিদ্ধান্তে প্রভাবিত হতে পারে। যেমনটা ঘটেছে রশিদ খান ও কেএল রাহুলের বেলায়। তাই বিষয়টি নীতিবিরুদ্ধ।

প্রসঙ্গত, পাঞ্জাব কিংসের হয়ে গত চার মৌসুমে ৬৫৯, ৫৯৩, ৬৭০ এবং ৬২৬ রান করে করেছেন লোকেশ রাহুল। তার এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে যে কোনো দল তাকে নিতে চাইবে।

অন্যদিকে ২০১৭ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদেই আইপিএলে অভিষেক ঘটে রশিদ খানের। তখন থেকেই লেগস্পিন জাদুতে প্রতিপক্ষের ত্রাসে পরিণত রশিদ। গত পাঁচ মৌসুমে তিনি ৭৬ আইপিএল ম্যাচ খেলে ৯৩ উইকেট নিয়েছেন।

আইপিএল থেকে নিষিদ্ধ হচ্ছেন রশিদ-রাহুল!

 স্পোর্টস ডেস্ক 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:০৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গেল অক্টেবরে শেষ হলো আইপিএলের ১৪তম আসর। ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ১৫তম আসরের প্রস্তুতি। আর এরই মধ্যে যে খবরে তোলপাড়, আইপিএলের আসন্ন মৌসুমে নিষিদ্ধ হতে পারেন পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটার লোকেশ রাহুল ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের লেগ স্পিনার রশিদ খান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইনসাইড স্পোর্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২২ আইপিএলের নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি লখনউ হয়ে মৌসুম প্রতি ২০ কোটি ভারতীয় রূপিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন রাহুল। যেখানে পাঞ্জাব কিংসে মৌসুমপ্রতি ১১ কোটি রূপি পেতেন এই ডানহাতি ব্যাটার। অন্যদিকে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের রশিদ খানকে ১৬ কোটি রুপির প্রস্তাব দিয়েছে লখনউ। দলটির সঙ্গে চুক্তিও সেরেছেন রশিদ এমনটাই গুঞ্জন।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কাছে লখনৌর বিরুদ্ধে খেলোয়াড় ‘ছিনতাইয়ের’ অভিযোগ করেছে হায়দরাবাদ ও পাঞ্জাব ফ্র্যাঞ্চাইজি। 

আর বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

ইনসাইড স্পোর্টস-কে বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘লিখিত কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে মৌখিকভাবে লখনউ ফ্র্যাঞ্চাইজির বিরুদ্ধে ক্রিকেটার ছিনতাইয়ের অভিযোগ জানানো হয়েছে। গোটা ঘটনা বোর্ডের পক্ষ থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লোকেশ রাহুল ও  রশিদ খান দোষী সাব্যস্ত হলে তারা আইপিএলের এক মৌসুম নিষিদ্ধ হবেন। অর্থাৎ ১৫তম আসরটি খেলতে পারবেন না তারা।’

নতুন দল লখনউয়ের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

বেশি মূল্য পেয়ে দল ছাড়াই কী রাহুল-রশিদের অপরাধ? 

এ বিষয়ে বিসিসিআইয়ের ব্যাখ্যা, নিয়ম অনুযায়ী,প্রত্যেক ফ্র্যাঞ্চাইজির রিটেনশন তালিকা বোর্ডের তরফে প্রকাশ পাওয়ার পরই একমাত্র রিলিজ করা ক্রিকেটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে নতুন দুই দল লখনউ এবং আহমেদাবাদ। এর আগে নয়।

তবে সেই তালিকা প্রকাশ করার আগেই বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির তারকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে লখনউ। শুধু যোগাযোগই নয়, বড়সড় আর্থিক চুক্তির প্রলোভন দেখিয়ে দল ছাড়ার জন্য চাপ নাকি দেওয়া হয়েছে। এতে ক্রিকেটাররা দল ছাড়ার সিদ্ধান্তে প্রভাবিত হতে পারে। যেমনটা ঘটেছে রশিদ খান ও কেএল রাহুলের বেলায়। তাই বিষয়টি নীতিবিরুদ্ধ। 

প্রসঙ্গত, পাঞ্জাব কিংসের হয়ে গত চার মৌসুমে ৬৫৯, ৫৯৩, ৬৭০ এবং ৬২৬ রান করে করেছেন লোকেশ রাহুল। তার এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে যে কোনো দল তাকে নিতে চাইবে। 

অন্যদিকে ২০১৭ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদেই আইপিএলে অভিষেক ঘটে রশিদ খানের। তখন থেকেই লেগস্পিন জাদুতে প্রতিপক্ষের ত্রাসে পরিণত রশিদ। গত পাঁচ মৌসুমে তিনি ৭৬ আইপিএল ম্যাচ খেলে ৯৩ উইকেট নিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন