গায়ে জোর থাকলে যে কোনো উইকেটে সাফল্য পাওয়া সম্ভব: আফ্রিদি
jugantor
গায়ে জোর থাকলে যে কোনো উইকেটে সাফল্য পাওয়া সম্ভব: আফ্রিদি

  স্পোর্টস ডেস্ক  

০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৮:৩১:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

উপমহাদেশের ধীরগতির উইকেটে ফায়দা লুটেন স্পিনাররা। পেসারদের জন্য কাজটা বেশ কঠিন। তবে পাকিস্তানের তরুণ পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি বলেছেন, গায়ে জোর থাকলে ধীরগতির (ধানক্ষেতে) উইকেটেও পেসাররা কার্যকর হতে পারে।

শনিবার মিরপুরে শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি। ঢাকা টেস্ট শুরুর আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন শাহিন আফ্রিদি।

তিনি বলেন, এশিয়ার সব উইকেটই আসলে কম-বেশি ধীরগতির। লোকে বলে যে স্পিনারদের সহায়তা বেশি মেলে। তবে শক্তপোক্ত হলে এবং গায়ে জোর থাকলে এখানেও কার্যকর হওয়া যায়।

সিরিজের প্রথম টেস্টে চট্টগ্রামে দুই ইনিংসে ৭ উইকেট শিকার করা শাহিন আফ্রিদি আরও বলেন, আমি যখন হাসান আলীর সঙ্গে বোলিং করি তখন নিজেদের মধ্যে ঠিক করে নেই যে, কে কখন আক্রমণ করবে, কে রান আটকে রাখবে। আমার কাছে ব্যাপারটি হলো- ৩ ওভারের স্পেল হোক বা ৫ ওভারের, আগ্রাসী বোলিং করতে চাই। এভাবেই সাফল্য ধরা দিচ্ছে। দ্বিতীয় টেস্টেও আমরা আগের টেস্টের মতো পারফরম্যান্স দিতে চাই।

মাত্র ২০ টেস্টে অংশ নিয়ে ৮৩ উইকেট শিকার করা পাকিস্তানের ২১ বছর বয়সী এই তরুণ পেসার বলেন, হাসানের সঙ্গে বোলিং দারুণ উপভোগ করি। এ বছর ৩৯ উইকেট ওর, আমার ৪৪টি। কোনো ব্যাটসম্যান ভালো খেলতে থাকলে কীভাবে তাকে আটকে রাখা যায় বা বিপদে ফেলা যায় আমরা সেই পরিকল্পনা করি। হাসানের সঙ্গে বোলিং করতে তাই ভালো লাগে। কারণ সে লড়াকু, লড়াই চালিয়ে যায়।

গায়ে জোর থাকলে যে কোনো উইকেটে সাফল্য পাওয়া সম্ভব: আফ্রিদি

 স্পোর্টস ডেস্ক 
০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

উপমহাদেশের ধীরগতির উইকেটে ফায়দা লুটেন স্পিনাররা। পেসারদের জন্য কাজটা বেশ কঠিন। তবে পাকিস্তানের তরুণ পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি বলেছেন, গায়ে জোর থাকলে ধীরগতির (ধানক্ষেতে) উইকেটেও পেসাররা কার্যকর হতে পারে। 

শনিবার মিরপুরে শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি। ঢাকা টেস্ট শুরুর আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন শাহিন আফ্রিদি। 

তিনি বলেন, এশিয়ার সব উইকেটই আসলে কম-বেশি ধীরগতির। লোকে বলে যে স্পিনারদের সহায়তা বেশি মেলে। তবে শক্তপোক্ত হলে এবং গায়ে জোর থাকলে এখানেও কার্যকর হওয়া যায়।

সিরিজের প্রথম টেস্টে চট্টগ্রামে দুই ইনিংসে ৭ উইকেট শিকার করা শাহিন আফ্রিদি আরও বলেন, আমি যখন হাসান আলীর সঙ্গে বোলিং করি তখন নিজেদের মধ্যে ঠিক করে নেই যে, কে কখন আক্রমণ করবে, কে রান আটকে রাখবে। আমার কাছে ব্যাপারটি হলো- ৩ ওভারের স্পেল হোক বা ৫ ওভারের, আগ্রাসী বোলিং করতে চাই। এভাবেই সাফল্য ধরা দিচ্ছে। দ্বিতীয় টেস্টেও আমরা আগের টেস্টের মতো পারফরম্যান্স দিতে চাই।

মাত্র ২০ টেস্টে অংশ নিয়ে ৮৩ উইকেট শিকার করা পাকিস্তানের ২১ বছর বয়সী এই তরুণ পেসার বলেন, হাসানের সঙ্গে বোলিং দারুণ উপভোগ করি। এ বছর ৩৯ উইকেট ওর, আমার ৪৪টি। কোনো ব্যাটসম্যান ভালো খেলতে থাকলে কীভাবে তাকে আটকে রাখা যায় বা বিপদে ফেলা যায় আমরা সেই পরিকল্পনা করি। হাসানের সঙ্গে বোলিং করতে তাই ভালো লাগে। কারণ সে লড়াকু, লড়াই চালিয়ে যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজ ঢাকা ২০২১