‘তিনটি রিভিউ থাকলে শচীন ১ লাখ রান করতেন’
jugantor
‘তিনটি রিভিউ থাকলে শচীন ১ লাখ রান করতেন’

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২৮ জানুয়ারি ২০২২, ২২:৫৫:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ক্রিকেট ইতিহাসের দ্রুতগতির পেসার শোয়েব আখতার বলেছেন, আগে যদি ৩টি রিভিউ নেওয়ার সুযোগ থাকত তাহলে ভারতীয় কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার ১ লাখ রান করতেন।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ভারতের সাবেক কোচ রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় শোয়েব আখতার বলেছেন, নতুন বলে নিয়ম আরও কঠোর করা উচিত। এখন ব্যাটারদের অনেক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এখন তিনটি রিভিউ থাকছে, আমাদের সময় তিনটি রিভিউ থাকলে শচীন ১ লাখ রান করতে পারতেন!

পাকিস্তানের সাবেক এই তারকা পেসার আরও বলেছেন, শচীনের জন্য সত্যিই আমার কষ্ট হয়। তিনি খেলেছেন ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুস, শেন ওয়ার্নদের বিপক্ষে। তাছাড়া এ প্রজন্মের ফাস্ট বোলারদের বিপক্ষেও খেলেছেন। এজন্যই আমি শচীনকে খুব টাফ ব্যাটার বলি।

শোয়েবের বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়ে শাস্ত্রী বলেছেন, যদি কেউ ব্যালান্স করতে চায় তাহলে ওভার পিছু ২টি বাউন্সারে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। বাউন্সার বাড়াতে দিতে হবে। তবেই রোমাঞ্চ বাড়বে। এখন যে পরিমাণ ক্রিকেট হয় সেটাও মাথায় রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সময় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট হতো না! বছরে ১২ থেকে ১৪টি টেস্ট হতো। বোলাররা অনেক বেশি ফিট থাকত। একই বোলার সব ফরম্যাটে খেললে তার থেকে লাল বলের ক্রিকেটে একই জিনিস আশা করা যায় না। এভাবে এক-দুই বা তিন বছর পারফর্ম করা যায়! তারপর জ্বালানি ফুরিয়ে যাবে।

‘তিনটি রিভিউ থাকলে শচীন ১ লাখ রান করতেন’

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১০:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ক্রিকেট ইতিহাসের দ্রুতগতির পেসার শোয়েব আখতার বলেছেন, আগে যদি ৩টি রিভিউ নেওয়ার সুযোগ থাকত তাহলে ভারতীয় কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার ১ লাখ রান করতেন। 

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ভারতের সাবেক কোচ রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় শোয়েব আখতার বলেছেন, নতুন বলে নিয়ম আরও কঠোর করা উচিত। এখন ব্যাটারদের অনেক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এখন তিনটি রিভিউ থাকছে, আমাদের সময় তিনটি রিভিউ থাকলে শচীন ১ লাখ রান করতে পারতেন!

পাকিস্তানের সাবেক এই তারকা পেসার আরও বলেছেন, শচীনের জন্য সত্যিই আমার কষ্ট হয়। তিনি খেলেছেন ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুস, শেন ওয়ার্নদের বিপক্ষে। তাছাড়া এ প্রজন্মের ফাস্ট বোলারদের বিপক্ষেও খেলেছেন। এজন্যই আমি শচীনকে খুব টাফ ব্যাটার বলি। 

শোয়েবের বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়ে শাস্ত্রী বলেছেন, যদি কেউ ব্যালান্স করতে চায় তাহলে ওভার পিছু ২টি বাউন্সারে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। বাউন্সার বাড়াতে দিতে হবে। তবেই রোমাঞ্চ বাড়বে। এখন যে পরিমাণ ক্রিকেট হয় সেটাও মাথায় রাখতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, আমাদের সময় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট হতো না! বছরে ১২ থেকে ১৪টি টেস্ট হতো। বোলাররা অনেক বেশি ফিট থাকত। একই বোলার সব ফরম্যাটে খেললে তার থেকে লাল বলের ক্রিকেটে একই জিনিস আশা করা যায় না। এভাবে এক-দুই বা তিন বছর পারফর্ম করা যায়! তারপর জ্বালানি ফুরিয়ে যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন