হঠাৎ কেন অবসরে এবি ডি ?

প্রকাশ : ২৩ মে ২০১৮, ২২:৪০ | অনলাইন সংস্করণ

  স্পোর্টস ডেস্ক

এবি ডি ভিলিয়ার্স

এবি ডি ভিলিয়ার্স হঠাৎ করে এমন একটা সিদ্ধান্ত নেবেন তা কেউই আঁচ করতে পারেননি। বিশেষ করে বিশ্বকাপের ঠিক এক বছর আগে, ভিলিয়ার্সের অবসরের সিদ্ধান্তে অনেক বড় ধাক্কা খেল দক্ষিণ আফ্রিকা দল। 

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টের সাদা পোশাকে অসাধারণ খেলেছেন এ আফ্রিকান। পোর্টএলিজাবেথে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা ( ১২৬*) ভিলিয়ার্স দ্বিতীয় ইনিংসে খেলেন ২৮ রানের ইনিংস। 

এরপর কেপটাউন টেস্টের  দুই ইনিংসে করেন যথাক্রমে ৬৪ ও ৬৩ রান। সিরিজের শেষ ম্যাচে খেলেন ৬৯ ও ৬ রানেরি ইনিংস। 

ফর্মের তুঙ্গে থেকে অবসরে যাওয়া প্রসঙ্গে ভিলিয়ার্স নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করে বলেন, ফর্মে থেকেই অবসরে যাওয়াটা সঠিক সিদ্ধান্ত। আমার কাছে মনে হয় এটাই সঠিক সময়।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এ অধিনায়ক আরও বলেন, সত্যি কথা বলতে আমি অনেক ক্লান্ত। আমার মনে হয় এখনই বিদায় নেয়ার সেরা সময়। আমি অনেক সময় ধরে ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ক্রিকেট থেকে অবসরে গেলেও আফ্রিকান ক্রিকেটের সবচেয় বড় সমর্থক হয়ে থাকবেন ভিলিয়ার্স। 

ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরি হাঁকান এই আফ্রিকান। ২০১৫ সালে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ৩১ বল খেলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ভিলিয়ার্স।

জোহানেসবার্গে সেদিন তিনি ৪৪ বলে ১৬ ছয় এবং নয় বাউন্ডারির সাহায্যে ১৪৯ রানের ইনিংস সাজান। তার সেই দিনের ইনিংসটি  
একদিনের ক্রিকেটে এখনও দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। তার আগে ২০১৪ সালে ৩৬ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার কোরি আন্ডারসন।

১৯৯৬ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩৭ বলে সেঞ্চুরি হাঁকান পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার শহীদ  আফ্রিদি। 
ভিলিয়ার্সেই একমাত্র ব্যাটসম্যান যিনি সবচেয়ে বেশি ৭৮ টেস্ট  ইনিংসে শূন্য রানে আউট হননি। ২০০৮ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের বিপক্ষে তার সেই রেকর্ডটি ভেঙে যায়। 

টেস্টে ধারাবাহিক সবচেয়ে বেশি ১২ ফিফটি গড়ার রেকর্ড আছে ভিলিয়ার্সের। তার ঠিক পরেই অবস্থান ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকা ক্রিকেটার ভিব রিচার্ডের। ধারাবাহিক ১১ ফিফটি করে বাংলাদেশের টেস্ট স্পেশালিস্ট মুমিনুল হক আছেন পাঁচে।  

একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে কম ম্যাচ খেলে ৭ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন।  

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১১৪ টেস্টে ৫০.৬৬ গড়ে ২২ সেঞ্চুরিতে ৮৭৬৫ রান করেন ভিলিয়ার্স।

ওয়ানডে ক্রিকেটের ২২৮ ম্যাচে ৫৩.৫০ গড়ে ২৫ সেঞ্চুরিতে করেন ৯৫৭৭ রান।

আর টি-টোয়েন্টির ক্ষুদ্র ফর্মেটে দেশের হয়ে ৭৮ ম্যাচে ২৬.১২ গড়ে ১০ ফিফটিতে করেন ১৬৭২ রান।