রম্য ফুটবলীয় তন্ত্র: আর্জেন্টিনা ফুটবলতন্ত্রের নামে তামাশা করে না

প্রকাশ : ২৫ মে ২০১৮, ২২:৪৭ | অনলাইন সংস্করণ

  মোহাম্মাদ জাকারিয়া

ছবি: গুগল

দরজায় কড়া নাড়ছে বিশ্বকাপ। ইতিমধ্যে পাড়া-মহল্লা, অফিস-আদালত, স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়ে গেছে যুক্তিতর্ক-আর গল্প। কে সেরা? আর্জেন্টিনা না ব্রাজিল? নাকি জার্মানি,স্পেন? আজ এ নিয়েই আর্জেন্টিনা সমর্থক গোষ্ঠীর বিশেষ সংবাদ সম্মেলন। 

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা এবং নীল আকাশে ভেসে বেড়ানো শিমুল তুলার মতো নরম হৃদয়ের অধিকারী আর্জেন্টিনা দলের সমর্থকরা। আপনাদের মাধ্যমে সারা দেশের শান্তিপ্রিয় ফুটবলকামী মানুষের কাছে আমাদের বক্তব্য তুলে ধরছি। 

আপনারা ইতিমধ্যে জানেন,গত কয়েক দিন পূর্বে একটি ফুটবল দলের সিনিয়র নেতারা ফুটবলতন্ত্রের কথা বলে পুরো ফুটবলপ্রিয় জাতির সঙ্গে তামাশা করেছে। একটি ফুটবলতান্ত্রিক দলের নেতাকর্মীর মুখে এ রকম মিথ্যা,বানোয়াট ও মনগড়া বক্তব্য জাতি আশা করে নাই। 

অবশ্য এটাই তাদের স্বভাব। তারা আমাদের আবেগ আকাশি সাদা-নীল রং নিয়ে কটূক্তি করতেও দ্বিধাবোধ করে নাই। তারা বলেছেন, আমাদের আর্জেন্টিনা দলের সমর্থকদের মন নাকি আকাশের মতো বিশাল নয়; তাদের হলুদ রং-ই নাকি সেরা। 

অথচ লজ্জার কথা কী আর বলব, আমাদের এক সমর্থকের বাগানের একটি গাছে বেশ আম ধরেছিল। এমনকি আমগুলো পেকে হলুদ হয়ে একেবারে টসটসে অবস্থায় গাছে ঝুলছিল। 

হলুদ তাদের প্রিয় রং এই দোহাই দিয়ে দিনদুপুরে গাছের সব পাকা আম পেড়ে নিয়ে গেছে।

আপনারাই এর বিচার করুন। ফুটবল প্রিয় জনগণই এর বিচার করবে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আর্জেন্টিনা ফুটবলতন্ত্রের নামে তামাশা করে না।

তারা অভিযোগ করেছে, আমরা নাকি তাদের 'সেভেন আপ' বলে উত্ত্যক্ত করছি। আমরা তো এইট আপ কিংবা সিক্স আপ বলিনি। আমরা মিথ্যাটা কোথায় বললাম? 

আসলে সেভেন আপ খেয়ে তাদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। এজন্য তারা পাগলের প্রলাপ বকছে। আমাদের নামে বিভিন্নভাবে কুৎসা রটাচ্ছে। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হবে না। জনগণ তাদের মিথ্যার জবাব খেলার মাধ্যমেই দেবে। 

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা 'হলুদ সাংবাদিকতা' যেমন সাংবাদিকতার বিষ, ঠিক তেমনি ফুটবলের জন্যও এই হলুদ জার্সিধারীরা বিষের মতো। আর্জেন্টিনার জাদুকরি ফুটবল দেখে তারা কুপোকাত হয়ে যাবে। আপনাদের ধন্যবাদ।

মুখপাত্র
আর্জেন্টিনা সমর্থক গোষ্ঠী।

[আগামী পর্বে থাকছে: ‘জনগণ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা এই দু'দলের ওপর যথেষ্ট বিরক্ত’: জার্মানি সমর্থক গোষ্ঠী।]