৫০ হাজার কোটি আয় করেও টাকার অভাবে ভুগছে বিসিসিআই!
jugantor
৫০ হাজার কোটি আয় করেও টাকার অভাবে ভুগছে বিসিসিআই!

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২৩ জুন ২০২২, ২১:৪৫:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

চলতি মাসেই আইপিএলের পাঁচ বছরের জন্য মিডিয়া স্বত্ব বিক্রি করে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় করেছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। অথচ এক মাস না যেতেই চাউর হলো অর্থাভাবে ভুগছে বিশ্বের সবচেয় ধনী ক্রিকেট বোর্ডটি।

ভারতের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট রঞ্জি ট্রফিতে ব্যবহার করা হচ্ছে না ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস)। ডিআরএস প্রযুক্তি কাজে লাগানোর মতো টাকা নেই বোর্ডের তহবিলে, এমনটি শুনে অবাক ক্রিকেটবোদ্ধারা।

রঞ্জি ট্রফির নকআউট পর্বে প্রায় প্রতি ম্যাচেই আম্পায়ারদের ভুল চোখে পড়েছে। সেমিফাইনালে বাংলা বনাম মধ্যপ্রদেশের ম্যাচে একাধিক ভুল করেছেন আম্পায়াররা।

এ ব্যাপারে বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেছেন, লোকাল আম্পায়ারদের ওপর আমাদের বিশ্বাস রয়েছে। ডিআরএস ব্যবহার করতে গেলে অনেক খরচ। ফাইনালে ডিআরএস না থাকলে এমন কী আসে যায়! মাঠের আম্পায়ারদের ভরসা করতে হবে। ভারতের দুই সেরা আম্পায়ার কেএন অনন্তপদ্মনাভন এবং বীরেন্দ্র শর্মা রঞ্জির ফাইনাল ম্যাচের দায়িত্বে। ফাইনালে যদি ডিআরএস চালু করতে হয় তাহলে গ্রুপ পর্বের ম্যাচেও চালু করা উচিত।


প্রসঙ্গত, ২০১৯-২০ মৌসুমের সেমিফাইনালে সীমিত মাত্রায় ডিআরএস ব্যবহার করা হয়েছিল। সেখানে আসল যে দুইটি বিভাগ, সেই হক-আই এবং আল্ট্রাএজই ছিল না। ফলে কর্নাটকের বিরুদ্ধে ম্যাচে সৌরাষ্ট্র ব্যাটার চেতেশ্বর পুজারা দুইবার কট বিহাইন্ড হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যান। কর্নাটক অভিযোগ করে, আম্পায়ারদের ভুল সিদ্ধান্তের জন্যই তারা হেরেছে।

তবে ক্রিকেট বোর্ডের যুক্তি, ডিআরএসের যন্ত্রপাতি চালানোর জন্য তার জোড়া এবং আলাদ করা অনেক ঝক্কির। হকআইয়ে অনেক ক্যামেরা লাগবে। রঞ্জিতে সীমিত যন্ত্র নিয়ে কাজ করা হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলতে পারে যে কেন সব ম্যাচ টিভিতে দেখানো হবে না? খাপছাড়া ডিআরএস ব্যবহার করে কাজের কাজ হবে না।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

৫০ হাজার কোটি আয় করেও টাকার অভাবে ভুগছে বিসিসিআই!

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২৩ জুন ২০২২, ০৯:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চলতি মাসেই আইপিএলের পাঁচ বছরের জন্য মিডিয়া স্বত্ব বিক্রি করে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় করেছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। অথচ এক মাস না যেতেই চাউর হলো অর্থাভাবে ভুগছে বিশ্বের সবচেয় ধনী ক্রিকেট বোর্ডটি। 

ভারতের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট রঞ্জি ট্রফিতে ব্যবহার করা হচ্ছে না ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস)। ডিআরএস প্রযুক্তি কাজে লাগানোর মতো টাকা নেই বোর্ডের তহবিলে, এমনটি শুনে অবাক ক্রিকেটবোদ্ধারা। 

রঞ্জি ট্রফির নকআউট পর্বে প্রায় প্রতি ম্যাচেই আম্পায়ারদের ভুল চোখে পড়েছে। সেমিফাইনালে বাংলা বনাম মধ্যপ্রদেশের ম্যাচে একাধিক ভুল করেছেন আম্পায়াররা। 

এ ব্যাপারে বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেছেন, লোকাল আম্পায়ারদের ওপর আমাদের বিশ্বাস রয়েছে। ডিআরএস ব্যবহার করতে গেলে অনেক খরচ। ফাইনালে ডিআরএস না থাকলে এমন কী আসে যায়! মাঠের আম্পায়ারদের ভরসা করতে হবে। ভারতের দুই সেরা আম্পায়ার কেএন অনন্তপদ্মনাভন এবং বীরেন্দ্র শর্মা রঞ্জির ফাইনাল ম্যাচের দায়িত্বে। ফাইনালে যদি ডিআরএস চালু করতে হয় তাহলে গ্রুপ পর্বের ম্যাচেও চালু করা উচিত।


প্রসঙ্গত, ২০১৯-২০ মৌসুমের সেমিফাইনালে সীমিত মাত্রায় ডিআরএস ব্যবহার করা হয়েছিল। সেখানে আসল যে দুইটি বিভাগ, সেই হক-আই এবং আল্ট্রাএজই ছিল না। ফলে কর্নাটকের বিরুদ্ধে ম্যাচে সৌরাষ্ট্র ব্যাটার চেতেশ্বর পুজারা দুইবার কট বিহাইন্ড হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যান। কর্নাটক অভিযোগ করে, আম্পায়ারদের ভুল সিদ্ধান্তের জন্যই তারা হেরেছে।

তবে ক্রিকেট বোর্ডের যুক্তি, ডিআরএসের যন্ত্রপাতি চালানোর জন্য তার জোড়া এবং আলাদ করা অনেক ঝক্কির। হকআইয়ে অনেক ক্যামেরা লাগবে। রঞ্জিতে সীমিত যন্ত্র নিয়ে কাজ করা হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলতে পারে যে কেন সব ম্যাচ টিভিতে দেখানো হবে না? খাপছাড়া ডিআরএস ব্যবহার করে কাজের কাজ হবে না।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন