উইম্বলডনে দই কেলেঙ্কারি!
jugantor
উইম্বলডনে দই কেলেঙ্কারি!

  স্পোর্টস ডেস্ক  

০৬ জুলাই ২০২২, ২০:০৮:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

উইম্বলডনে দই কেলেঙ্কারির ঘটনায় তোলপাড় অল ইংল্যান্ড ক্লাব।

ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড দ্য সান জানিয়েছে, এবারের উইম্বলডনে এক টেনিস খেলোয়াড়ের কোচ এক বৈঠকে ২৭টি দই নিজের ব্যাগে নিয়েছেন।

নিজের খাদ্য ভাতার ৯০ পাউন্ডের পরিপূর্ণ ব্যবহারই ছিল তার উদ্দেশ্য, কিন্তু তাই বলে এক ধাক্কায় ২৭টি দই নিয়ে যাবেন!

এমন ঘটনার পরপরই অল ইংল্যান্ড ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রত্যেক খেলোয়াড় ও কোচের কাছে মেইল করেছে আয়োজকরা।

সেই মেইলে লেখা, প্রতিটি খেলোয়াড় ও কোচের জন্য প্রতিদিনের ভাতা আছে। তারা প্রত্যেকেই নিজেদের অর্থের পূর্ণ ব্যবহার যেভাবে ইচ্ছা করতে পারেন। ৯০ পাউন্ডে যা ইচ্ছা আপনারা খেতে পারেন, কিন্তু সেটি সুবিচেনাপ্রসূত হলে খুব ভালো হয়।

উইম্বলডনে এই ৯০ পাউন্ড ভাতা ব্যবহারের ৬টি ভিন্ন জায়গায় রয়েছে। এই ছয়টি জায়গার মধ্যে আছে দুটি স্যান্ডউইচের দোকান, দুটি কফি শপ ও দুটি রেস্তোরাঁ।

প্রতিদিনের খাবারের জন্য পাওয়া এই ৯০ পাউন্ড খেলোয়াড় বা কোচরা কীভাবে ব্যবহার করবেন, সেটি সম্পূর্ণ তার ব্যাপার। কেউ চাইলে ৯০ পাউন্ডের পুরোটাই এক বৈঠকে খেয়ে শেষ করতে পারেন, আবার জমিয়েও রাখতে পারেন।

এর আগে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনেও দৈনিক খাদ্য ভাতা ও খাবারসংক্রান্ত সুযোগ–সুবিধার অপব্যবহার হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ অল ইংল্যান্ড ক্লাবের মতো ই-মেইল না নিয়ে খাবারের সুবিধা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছিল।

উইম্বলডনে দই কেলেঙ্কারি!

 স্পোর্টস ডেস্ক 
০৬ জুলাই ২০২২, ০৮:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

উইম্বলডনে দই কেলেঙ্কারির ঘটনায় তোলপাড় অল ইংল্যান্ড ক্লাব। 

ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড দ্য সান জানিয়েছে, এবারের উইম্বলডনে এক টেনিস খেলোয়াড়ের কোচ এক বৈঠকে ২৭টি দই নিজের ব্যাগে নিয়েছেন। 

নিজের খাদ্য ভাতার ৯০ পাউন্ডের পরিপূর্ণ ব্যবহারই ছিল তার উদ্দেশ্য, কিন্তু তাই বলে এক ধাক্কায় ২৭টি দই নিয়ে যাবেন! 

এমন ঘটনার পরপরই অল ইংল্যান্ড ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রত্যেক খেলোয়াড় ও কোচের কাছে মেইল করেছে আয়োজকরা। 

সেই মেইলে লেখা, প্রতিটি খেলোয়াড় ও কোচের জন্য প্রতিদিনের ভাতা আছে। তারা প্রত্যেকেই নিজেদের অর্থের পূর্ণ ব্যবহার যেভাবে ইচ্ছা করতে পারেন। ৯০ পাউন্ডে যা ইচ্ছা আপনারা খেতে পারেন, কিন্তু সেটি সুবিচেনাপ্রসূত হলে খুব ভালো হয়।

উইম্বলডনে এই ৯০ পাউন্ড ভাতা ব্যবহারের ৬টি ভিন্ন জায়গায় রয়েছে। এই ছয়টি জায়গার মধ্যে আছে দুটি স্যান্ডউইচের দোকান, দুটি কফি শপ ও দুটি রেস্তোরাঁ। 

প্রতিদিনের খাবারের জন্য পাওয়া এই ৯০ পাউন্ড খেলোয়াড় বা কোচরা কীভাবে ব্যবহার করবেন, সেটি সম্পূর্ণ তার ব্যাপার। কেউ চাইলে ৯০ পাউন্ডের পুরোটাই এক বৈঠকে খেয়ে শেষ করতে পারেন, আবার জমিয়েও রাখতে পারেন।  

এর আগে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনেও দৈনিক খাদ্য ভাতা ও খাবারসংক্রান্ত সুযোগ–সুবিধার অপব্যবহার হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ অল ইংল্যান্ড ক্লাবের মতো ই-মেইল না নিয়ে খাবারের সুবিধা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন