দল হারলেও হারেননি মুশফিক
jugantor
দল হারলেও হারেননি মুশফিক

  স্পোর্টস রিপোর্টার  

০৮ জুন ২০১৮, ০০:৪৭:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

মুশফিকুর রহিম
মুশফিকুর রহিম

১৪৬ রান তাড়ায় ৫৩ রানে ৪ উইকেট পড়ে গেলে টাইগার ভক্তরা ধরেই নিয়েছিলেন নিশ্চিত পরাজয়। কিন্তু দলের নিশ্চিত পরাজয় জেনেও সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে গেছেন মুশফিকুর রহিম এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাদের লড়াইয়ে একটা সময়ে জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেস্তে যায় রশিদ খানের করা ইনিংসের শেষ ওভারে। 

১৯তম ওভারে করমি জানাতকে একেরপর এক বাউন্ডারি (পাঁচ বলে পাঁচটি চার) হাঁকিয়ে ২১ রান আদায় করে জয়ের পথ সহজ করে দেন মুশফিক। 
শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ৯ রান। 

২০তম ওভারে রশিদ খানের প্রথম বলে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন মুশফিক। তার বিদায়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় বাংলাদেশ। 

জয়ের জন্য ইনিংসের শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ৪ রান। স্টাইকে থাকা নতুন ব্যাটসম্যান আরিফুল হক ছক্কার জন্য চেষ্টা করেও বল মাঠের বাইরে নিতে পারেননি। লংঅনে ফিল্ডিং করা শফিকুল্লাহ নিশ্চিত ছয় হওয়া বলটিকে অসাধারন নৈপূণ্যে ফিরিয়ে দেন, তখন তিন রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে যান রিয়াদ।

শেষ বলে দুই রানের বেশি নিতে না পারায়  অসাধারণ খেলেও মাত্র ১ রানের জন্য পরাজয় বরণ করতে হয় মুশফিক-রিয়াদদের। 

অথচ এই বাংলাদেশই ১৪৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৮.৩ ওভারে ৫৩ রানে তামিম, সৌম্য, লিটন ও সাকিবের উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে যায়। 

সেই অবস্থা থেকে দলকে খেলায় ফেরান মুশফিক-রিয়াদ। পঞ্চম উইকেটে তাদের গড়া ৮৪ রানের জুটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৩০ রান। ১৯তম ওভারে মুশফিক পরপর পাঁচটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ২১ রান আদায় করে নিলেও শেষ পাঁচ বলে ৯ রান করতে পারেননি রিয়াদ-আরিফুলরা। 

যে কারণে ইনিংসের শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশ, শেষ দিকে উত্তেজনা তৈরি করেও জয়ের দেখা পায়নি। 

এই পরাজয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ৩-০তে হেরে কাবলি ওয়াশ হয় সাবিক আল হাসানের নেতৃত্বাধীন বাহিনী।  

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৪৪/৬ (মুশফিক ৩৭ বলে ৪৬, রিয়াদ ৩৮ বলে ৪৫, সৌম্য ১৫, লিটন ১২, সাকিব ১০, তামিম ৫, আরিফুল ৫*)। 

আফগানিস্তান: ২০ ওভারে ১৪৫/৬ (সামিউল্লাহ ৩৩*, আসগর ২৭, শাহজাদ ২৬; নাজমুল ২/১৮, আবু জায়েদ ২/২৭) । 

ফল: আফগানিস্তান ১ রানে জয়ী।

ম্যাচ সেরা: মুশফিকুর রহিম (বাংলাদেশ)।

সিরিজ সেরা: রশিদ খান (আফগানিস্তান)।

দল হারলেও হারেননি মুশফিক

 স্পোর্টস রিপোর্টার 
০৮ জুন ২০১৮, ১২:৪৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মুশফিকুর রহিম
মুশফিকুর রহিম

১৪৬ রান তাড়ায় ৫৩ রানে ৪ উইকেট পড়ে গেলেটাইগার ভক্তরা ধরেই নিয়েছিলেন নিশ্চিত পরাজয়। কিন্তু দলের নিশ্চিত পরাজয় জেনেও সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে গেছেন মুশফিকুর রহিম এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাদের লড়াইয়ে একটা সময়ে জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেস্তে যায় রশিদ খানের করা ইনিংসের শেষ ওভারে।

১৯তম ওভারে করমি জানাতকেএকেরপর এক বাউন্ডারি (পাঁচ বলে পাঁচটি চার) হাঁকিয়ে ২১ রান আদায় করে জয়ের পথ সহজ করে দেন মুশফিক।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ৯ রান।

২০তম ওভারে রশিদ খানের প্রথমবলে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন মুশফিক। তার বিদায়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় বাংলাদেশ।

জয়ের জন্য ইনিংসের শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ৪ রান। স্টাইকে থাকা নতুন ব্যাটসম্যান আরিফুল হক ছক্কার জন্য চেষ্টা করেও বল মাঠের বাইরে নিতে পারেননি। লংঅনে ফিল্ডিং করা শফিকুল্লাহ নিশ্চিত ছয় হওয়া বলটিকে অসাধারন নৈপূণ্যে ফিরিয়ে দেন, তখন তিন রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে যান রিয়াদ।

শেষ বলে দুই রানের বেশি নিতে না পারায় অসাধারণ খেলেও মাত্র ১ রানের জন্য পরাজয় বরণ করতে হয় মুশফিক-রিয়াদদের।

অথচ এই বাংলাদেশই ১৪৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৮.৩ ওভারে ৫৩ রানে তামিম, সৌম্য, লিটন ও সাকিবের উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে যায়।

সেই অবস্থা থেকে দলকে খেলায় ফেরান মুশফিক-রিয়াদ। পঞ্চম উইকেটে তাদের গড়া ৮৪ রানের জুটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশ।জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৩০ রান। ১৯তম ওভারে মুশফিক পরপর পাঁচটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ২১ রান আদায় করে নিলেও শেষ পাঁচ বলে৯ রান করতে পারেননি রিয়াদ-আরিফুলরা।

যে কারণে ইনিংসের শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশ, শেষ দিকে উত্তেজনা তৈরি করেও জয়ের দেখা পায়নি।

এই পরাজয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ৩-০তে হেরে কাবলি ওয়াশ হয় সাবিক আল হাসানের নেতৃত্বাধীনবাহিনী।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৪৪/৬ (মুশফিক ৩৭ বলে ৪৬, রিয়াদ ৩৮ বলে ৪৫, সৌম্য ১৫, লিটন ১২, সাকিব ১০, তামিম ৫, আরিফুল ৫*)।

আফগানিস্তান: ২০ ওভারে ১৪৫/৬ (সামিউল্লাহ ৩৩*, আসগর ২৭, শাহজাদ ২৬; নাজমুল ২/১৮, আবু জায়েদ ২/২৭)।

ফল: আফগানিস্তান ১ রানে জয়ী।

ম্যাচ সেরা: মুশফিকুর রহিম (বাংলাদেশ)।

সিরিজ সেরা: রশিদ খান (আফগানিস্তান)।