জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ হারলে ২১ বছরের যে রেকর্ড ভেঙ্গে যাবে টাইগারদের
jugantor
জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ হারলে ২১ বছরের যে রেকর্ড ভেঙ্গে যাবে টাইগারদের

  স্পোর্টস ডেস্ক  

০৯ আগস্ট ২০২২, ১৬:০১:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

বুধবার টাইগারদের হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশন। প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ইতোমধ্যে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন ভেঙেছে বাংলাদেশের। শেষ ম্যাচেও একাদশে পরিবর্তন আসছে। হঠাৎ স্কোয়াডে ডাক পাওয়া নাঈম শেখ ও এবাদত দুজনেই সুযোগ পেতে পারেন।

ইনজুরি কাটিয়ে খেলার সম্ভাবনায় মোস্তাফিজও। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর সোয়া ১টায়।

বাংলাদেশের এ প্রজন্মের ক্রিকেটাররা কখনও এ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হননি। জিম্বাবুয়ের কাছে হোয়াইটওয়াশ! এ যেনো এক দু:স্বপ্ন। তবে ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, যাদের হেসেখেলে এতোদিন হারিয়ে এসেছে টাইগাররা ২১ বছর পর তাদের কাছে হোয়াইটওয়াশের লজ্জার সামনে দাঁড়িয়ে।

স্পোর্টিং উইকেটে ব্যাটিং নিয়ে খুব একটা দুশ্চিন্তা না থাকলেও বোলারদের পারফরম্যান্স ঠিকই ভাবাচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। শুরুতে আঘাত হানতে পারলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেন নখদন্তহীন টাইগার বোলাররা। সেই সঙ্গে বাজে ফিল্ডিং তো আছেই। আর সেই সঙ্গে প্রতি ম্যাচেই চলছে ক্যাচ মিসের মহড়া।

নিজেদেরই যখন এতো সমস্যা প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবার সময় কই! তবুও ভাবতে হয়। সিকান্দার রাজা যেন এই সিরিজের একাই রাজা। সেই সঙ্গে ইনোসেন্ট কাইয়া, রেগিস চাকাভাদের দাপুটে পারফরম্যান্স তো আছেই। এগুলো নিয়েও নিশ্চয়ই হোম ওয়ার্ক করে রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

বাংলাদেশ দলের আরেক সমস্যা ইনজুরি। যে কারণে প্রথম ওয়ানডের পর ঢাকা থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছে নাঈম শেখ ও এবাদত হোসেনকে। দুজনেরই একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ইনজুরিমুক্ত হলে ফিরতে পারেন মোস্তাফিজুর রহমানও।

জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ হারলে ২১ বছরের যে রেকর্ড ভেঙ্গে যাবে টাইগারদের

 স্পোর্টস ডেস্ক 
০৯ আগস্ট ২০২২, ০৪:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বুধবার টাইগারদের হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশন। প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ইতোমধ্যে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন ভেঙেছে বাংলাদেশের। শেষ ম্যাচেও একাদশে পরিবর্তন আসছে। হঠাৎ স্কোয়াডে ডাক পাওয়া নাঈম শেখ ও এবাদত দুজনেই সুযোগ পেতে পারেন। 

ইনজুরি কাটিয়ে খেলার সম্ভাবনায় মোস্তাফিজও। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর সোয়া ১টায়।

বাংলাদেশের এ প্রজন্মের ক্রিকেটাররা কখনও এ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হননি। জিম্বাবুয়ের কাছে হোয়াইটওয়াশ! এ যেনো এক দু:স্বপ্ন। তবে ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, যাদের হেসেখেলে এতোদিন হারিয়ে এসেছে টাইগাররা ২১ বছর পর তাদের কাছে হোয়াইটওয়াশের লজ্জার সামনে দাঁড়িয়ে।

স্পোর্টিং উইকেটে ব্যাটিং নিয়ে খুব একটা দুশ্চিন্তা না থাকলেও বোলারদের পারফরম্যান্স ঠিকই ভাবাচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। শুরুতে আঘাত হানতে পারলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেন নখদন্তহীন টাইগার বোলাররা। সেই সঙ্গে বাজে ফিল্ডিং তো আছেই। আর সেই সঙ্গে প্রতি ম্যাচেই চলছে ক্যাচ মিসের মহড়া।

নিজেদেরই যখন এতো সমস্যা প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবার সময় কই! তবুও ভাবতে হয়। সিকান্দার রাজা যেন এই সিরিজের একাই রাজা। সেই সঙ্গে ইনোসেন্ট কাইয়া, রেগিস চাকাভাদের দাপুটে পারফরম্যান্স তো আছেই। এগুলো নিয়েও নিশ্চয়ই হোম ওয়ার্ক করে রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

বাংলাদেশ দলের আরেক সমস্যা ইনজুরি। যে কারণে প্রথম ওয়ানডের পর ঢাকা থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছে নাঈম শেখ ও এবাদত হোসেনকে। দুজনেরই একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ইনজুরিমুক্ত হলে ফিরতে পারেন মোস্তাফিজুর রহমানও।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন