৪৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকে জিম্বাবুয়ে
jugantor
৪৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকে জিম্বাবুয়ে

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১০ আগস্ট ২০২২, ১৮:১৬:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

৪৯রানে ৬উইকেট হারিয়ে বিপাকে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। হাসান মাহমুদ, মেহেদি হাসান মিরাজের পর জিম্বাবুয়ে শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন পেসার এবাদত হোসেন ও বাঁহাতি স্পিনারতাইজুল ইসলাম।

২৫৭ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই সময়ের ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে জিম্বাবুয়ে।প্রথম দুই ওভারে ২ ওপেনারের উইকেট হারায় তারা।

ইনিংসের প্রথম ওভারে হাসান মাহমুদের গতিরশিকার হয়ে ফেরেন ওপেনার তাকুদজোয়ানাশে কাইতানো। তিনি ৫ বলে শূন্য রানে ফেরেন।আগের ম্যাচেও প্রথম ওভারে এই কাইতানোকে আউট করেন হাসান।

ইনিংসেরদ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে শেষ বলে জিম্বাবুয়ের অন্যওপেনারতাদিওয়ানাশে মারুমানিকে সাজঘরে ফেরান মেহেদি হাসান মিরাজ। চার বলে ১ রান করে ফেরেন মারুমানি।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে অভিষেক হয় পেসার এবাদত হোসেনের।চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে এসে মাত্র ৩ রান খরচ করেন তিনি। ষষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে এসে ৩ রানের খরচায় এবাদত শিকার করেন মাধেভেরে ও সিকান্দার রাজার উইকেট।

এরপর জিম্বাবুয়ে শিবিরে জোড়াআঘাত হানেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। তার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ইনোসেন্ট কায়া। তিনি ২২ বলে ১০ রানে ফেরেন।

তাইজুলের দ্বিতীয় শিকারে পরিনত হনটনি মুনিয়োঙ্গা (১৩)। তার বিদায়ে ১৩.২ ওভারে ৪৯ রানে ৬ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।

বুধবার হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে আফিফ হোসেন ও এনামুল হক বিজয়ের জোড়া ফিফটিতে ভর করে ৯ উইকেটে ২৫৬ রান করল বাংলাদেশ।

এদিন উদ্বোধনী জুটিতে স্কোর বোর্ডে ৪১ রান জমা করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়। এনামুলের সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝির কারণে রান আউট হয়ে ফেরেন তামিম ইকবাল।

উদ্বোধনীতে ৪১ রান করা বাংলাদেশ এরপর মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে হারায় ওপেনার তামিম ইকবাল, তিনে ব্যাটিংয়ে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত ও চারে ব্যাটিংয়ে নামা সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে।

প্রথম দুই ওয়ানডেতে ৬২ ও ৫০ রান করা বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক তামিম এদিন ফেরেন ৩০ বলে ১৯ রান করে। শান্ত-মুশফিকরাতো রানের খাতা খোলার সুযোগই পাননি।

চতুর্থ উইকেটে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে ৯০ বলে ৭০ রানের জুটি গড়ে ফেরেন ওপেনার এনামুল হক বিজয়। আগের দুই ম্যাচে ৭৩ ও ২০ রানে আউট হওয়া বিজয় এদিন ফেরেন ৭১ বলে ৬টি চার আর ৪টি ছক্কায় ৭৬ রান করে।

বিজয় আউট হওয়ার পর আফিফ হোসেনের সঙ্গে ৫৭ বলে ৪৯ রানের জুটি গড়ে আউট হন রিয়াদ। আগের দুই ম্যাচে ২০* ও ৮০* রানে অপরাজিত থাকা মাহমুদউল্লাহ এদিন টেস্টের আদলে ব্যাটিং করে ৬৯ বলে ৩৯ রানে ফেরেন।

রিয়াদের পর আফিফের সঙ্গে ৪৭ বলে ৩৩ রানের জুটি গড়ে আউট হন অলরাউন্ডার মেহিদ হাসান মিরাজ। তিনি ফেরেন ২৪ বলে দুই চারে ১৪ রান করে। আগের ম্যাচেও সুবিধা করতে পারেননি মিরাজ। ফেরেন ১৫ রানে। দুই ম্যাচে তার সংগ্রহ মাত্র ২৯ রান। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাননি।

মিরাজ আউট হওয়ার পর আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নেন তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ ও মোস্তাফিজুর রহমানরা। তবে আফিফ হোসেনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে শেষ বল পর্যন্ত খেলতে পারে বাংলাদেশ।

২৪.৪ ওভারে দলীয় ১২৪/৪ রানের সময় ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেন আফিফ। তার ৮১ বলে ৬টি চার আর দুটি ছক্কায় সাজানো ৮৫ রানের অপরাজিত ইনিংসের সুবাদে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে ২৫৬ রান তুলতে সক্ষম হয়।

৪৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকে জিম্বাবুয়ে

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১০ আগস্ট ২০২২, ০৬:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

৪৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। হাসান মাহমুদ, মেহেদি হাসান মিরাজের পর জিম্বাবুয়ে শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন পেসার এবাদত হোসেন ও বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম।

২৫৭ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই সময়ের ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে জিম্বাবুয়ে। প্রথম দুই ওভারে ২ ওপেনারের উইকেট হারায় তারা। 

ইনিংসের প্রথম ওভারে হাসান মাহমুদের গতির শিকার হয়ে ফেরেন ওপেনার তাকুদজোয়ানাশে কাইতানো। তিনি ৫ বলে শূন্য রানে ফেরেন। আগের ম্যাচেও প্রথম ওভারে এই কাইতানোকে আউট করেন হাসান।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে শেষ বলে জিম্বাবুয়ের অন্য ওপেনার তাদিওয়ানাশে মারুমানিকে সাজঘরে ফেরান মেহেদি হাসান মিরাজ। চার বলে ১ রান করে ফেরেন মারুমানি। 

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে অভিষেক হয় পেসার এবাদত হোসেনের। চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে এসে মাত্র ৩ রান খরচ করেন তিনি। ষষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে এসে ৩ রানের খরচায় এবাদত শিকার করেন মাধেভেরে ও সিকান্দার রাজার উইকেট।

এরপর জিম্বাবুয়ে শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। তার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ইনোসেন্ট কায়া। তিনি ২২ বলে ১০ রানে ফেরেন।

তাইজুলের দ্বিতীয় শিকারে পরিনত হন টনি মুনিয়োঙ্গা (১৩)। তার বিদায়ে ১৩.২ ওভারে ৪৯ রানে ৬ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।

বুধবার হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে আফিফ হোসেন ও এনামুল হক বিজয়ের জোড়া ফিফটিতে ভর করে ৯ উইকেটে ২৫৬ রান করল বাংলাদেশ। 

এদিন উদ্বোধনী জুটিতে স্কোর বোর্ডে ৪১ রান জমা করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়। এনামুলের সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝির কারণে রান আউট হয়ে ফেরেন তামিম ইকবাল। 

উদ্বোধনীতে ৪১ রান করা বাংলাদেশ এরপর মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে হারায় ওপেনার তামিম ইকবাল, তিনে ব্যাটিংয়ে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত ও চারে ব্যাটিংয়ে নামা সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে। 

প্রথম দুই ওয়ানডেতে ৬২ ও ৫০ রান করা বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক তামিম এদিন ফেরেন ৩০ বলে ১৯ রান করে। শান্ত-মুশফিকরাতো রানের খাতা খোলার সুযোগই পাননি। 

চতুর্থ উইকেটে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে ৯০ বলে ৭০ রানের জুটি গড়ে ফেরেন ওপেনার এনামুল হক বিজয়। আগের দুই ম্যাচে ৭৩ ও ২০ রানে আউট হওয়া বিজয় এদিন ফেরেন ৭১ বলে ৬টি চার আর ৪টি ছক্কায় ৭৬ রান করে। 

বিজয় আউট হওয়ার পর আফিফ হোসেনের সঙ্গে ৫৭ বলে ৪৯ রানের জুটি গড়ে আউট হন রিয়াদ। আগের দুই ম্যাচে ২০* ও ৮০* রানে অপরাজিত থাকা মাহমুদউল্লাহ এদিন টেস্টের আদলে ব্যাটিং করে ৬৯ বলে ৩৯ রানে ফেরেন। 

রিয়াদের পর আফিফের সঙ্গে ৪৭ বলে ৩৩ রানের জুটি গড়ে আউট হন অলরাউন্ডার মেহিদ হাসান মিরাজ। তিনি ফেরেন ২৪ বলে দুই চারে ১৪ রান করে। আগের ম্যাচেও সুবিধা করতে পারেননি মিরাজ। ফেরেন ১৫ রানে। দুই ম্যাচে তার সংগ্রহ মাত্র ২৯ রান। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাননি। 

মিরাজ আউট হওয়ার পর আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নেন তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ ও মোস্তাফিজুর রহমানরা। তবে আফিফ হোসেনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে শেষ বল পর্যন্ত খেলতে পারে বাংলাদেশ।

২৪.৪ ওভারে দলীয় ১২৪/৪ রানের সময় ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেন আফিফ। তার ৮১ বলে ৬টি চার আর দুটি ছক্কায় সাজানো ৮৫ রানের অপরাজিত ইনিংসের সুবাদে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে ২৫৬ রান তুলতে সক্ষম হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বাংলাদেশের জিম্বাবুয়ে সফর ২০২২