আমিরাত-দ.আফ্রিকা লিগেও ব্রাত্য পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা
jugantor
আমিরাত-দ.আফ্রিকা লিগেও ব্রাত্য পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১৩ আগস্ট ২০২২, ০০:৫২:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ


ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) মতো আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা এবং আরব আমিরাতের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও সুযোগ হারাবেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা।

দক্ষিণ আফ্রিকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের টি-টোয়েন্টি লিগে একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের মালিকানা আছে আইপিএলের হাতে। আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকাধীন দলে পাকিস্তানিরা খেললে ভারতে বিরূপ মনোভাব তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর এ কারণেই আমিরাত ও আফ্রিকার লিগে খেলতে পারবেন না বাবর আজমরা।

সংযুক্ত আরব আমিরশাহির টি-টোয়েন্টি লিগের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি দলের একাদশে সর্বোচ্চ নয়জন বিদেশি খেলোয়াড় নেওয়া যাবে। স্থানীয় খেলোয়াড় দুইজন থাকলেই হবে।

কিন্তু আইপিএল, অস্ট্রেলিয়ার বিগব্যাশ, পাকিস্তানের পিএসএল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে এত বেশি সংখ্যক বিদেশি খেলানো যায় না। আইপিএলে একাদশে সর্বোচ্চ চার বিদেশি খেলানো যায়।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য এজ এবং দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইংল্যান্ডের কর্তারা জানিয়েছেন যে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির টি-টোয়েন্টি লিগ নিয়ে আইসিসির কাছে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, যে টি-টোয়েন্টি লিগে বেশি বিদেশি খেলোয়াড় নেওয়ার সুযোগ থাকবে, সেই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলো আইসিসি যেন অবৈধ ঘোষণা করে।

প্রসঙ্গত, আইপিএলের প্রথম আসরে অংশ নেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। কিন্তু ২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার পর থেকে আইপিএলে খেলার সুযোগ হারান পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা।

আমিরাত-দ.আফ্রিকা লিগেও ব্রাত্য পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১৩ আগস্ট ২০২২, ১২:৫২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ


ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) মতো আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা এবং আরব আমিরাতের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও সুযোগ হারাবেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। 

দক্ষিণ আফ্রিকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের টি-টোয়েন্টি লিগে একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের মালিকানা আছে আইপিএলের হাতে। আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকাধীন দলে পাকিস্তানিরা খেললে ভারতে বিরূপ মনোভাব তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর এ কারণেই আমিরাত ও আফ্রিকার লিগে খেলতে পারবেন না বাবর আজমরা।

সংযুক্ত আরব আমিরশাহির টি-টোয়েন্টি লিগের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি দলের একাদশে সর্বোচ্চ নয়জন বিদেশি খেলোয়াড় নেওয়া যাবে। স্থানীয় খেলোয়াড় দুইজন থাকলেই হবে। 

কিন্তু আইপিএল, অস্ট্রেলিয়ার বিগব্যাশ, পাকিস্তানের পিএসএল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে এত বেশি সংখ্যক বিদেশি খেলানো যায় না। আইপিএলে একাদশে সর্বোচ্চ চার বিদেশি খেলানো যায়।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য এজ এবং দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইংল্যান্ডের কর্তারা জানিয়েছেন যে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির টি-টোয়েন্টি লিগ নিয়ে আইসিসির কাছে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, যে টি-টোয়েন্টি লিগে বেশি বিদেশি খেলোয়াড় নেওয়ার সুযোগ থাকবে, সেই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলো আইসিসি যেন অবৈধ ঘোষণা করে। 

প্রসঙ্গত, আইপিএলের প্রথম আসরে অংশ নেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। কিন্তু ২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার পর থেকে আইপিএলে খেলার সুযোগ হারান পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন