সাকিবের বেটউইনারের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ
jugantor
সাকিবের বেটউইনারের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১৫ আগস্ট ২০২২, ২১:২৯:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সম্প্রতি বেটউইনার নিউজের সঙ্গে সাকিব আল হাসানের চুক্তি নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছে। সাকিব যদিও বিসিবির চাপে শেষ পর্যন্ত চুক্তি থেকে সরে এসেছেন। তবে এর প্রভাব পড়েছে তার অনুরাগীদের মধ্যে।

এবার অনলাইন বেটিং বা জুয়া নিয়ে ইসলামের ব্যাখা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।

তিনি বলেন, সাকিব অনলাইন জুয়া প্রতিষ্ঠানের সেই চুক্তি থেকে সরে এসেছেন সেটি খুবই চমৎকার বিষয়। কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানের যে পরিমাণে প্রচারণা হয়েছে সেটি আমাদের সমাজের জন্য কল্যাণকর নয়। কয়েকদিনের টানা প্রচারণায় অনেকেই সেই জুয়া প্রতিষ্ঠানের সাইটের প্রতি আকৃষ্ট হবেন। তাদের কার্যক্রম দেখবেন, এমনকি জুয়ায়ও লিপ্ত হতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, একজন মানুষ যখন ব্যাপক পরিচিত লাভ করেন তখন তার কাছে মানুষের বেশি চাওয়া থাকে। তাকে দেখে মানুষ শেখে। তাই এমন কাজের সঙ্গে সাকিব আল হাসানের চুক্তি করার সিদ্ধান্তটা আরও ভেবে চিনতে নেওয়া উচিত ছিল। সাকিব একজন মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি মসজিদও নির্মাণ করেছেন। তিনি ধার্মিক একজন মানুষ। তার আল্লাহর প্রতি ইমান এবং বিশ্বাস আছে। তাই এমন কোনো কাজ করা ঠিক নয় যেটি মানুষ খারাপ কাজে অনুপ্রাণিত হয়।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, সাকিবের মতো মানুষদের যারা অনুসরণ করেন তাদের প্রতিটি কাজ করার আগে ১০ বার ভাবা উচিত। একটি ভুল সিদ্ধান্ত সমাজের ওপর কতোটা প্রভাব পড়তে পারে। প্রতিটি দায়িত্বশীল মানুষের এই বিষয়ে খেয়াল রাখা দরকার।

মহানবীর (সা.) বক্তব্য দিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজে লিপ্ত হয় এবং যার দেখাদেখি এটার প্রচার লাভ করে, এর মাধ্যমে যত মানুষই মন্দ কাজে লিপ্ত হবে সকলের পাপের বোঝা তাকেও বহন করতে হবে। জুয়া অফলাইন কিংবা অনলাইন যেভাবেই সম্পৃক্ত হন না কেন সেটি কিন্তু হারাম।

সাকিবের বেটউইনারের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১৫ আগস্ট ২০২২, ০৯:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সম্প্রতি বেটউইনার নিউজের সঙ্গে সাকিব আল হাসানের চুক্তি নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছে। সাকিব যদিও বিসিবির চাপে শেষ পর্যন্ত চুক্তি থেকে সরে এসেছেন। তবে এর প্রভাব পড়েছে তার অনুরাগীদের মধ্যে। 

এবার অনলাইন বেটিং বা জুয়া নিয়ে ইসলামের ব্যাখা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। 

তিনি বলেন, সাকিব অনলাইন জুয়া প্রতিষ্ঠানের সেই চুক্তি থেকে সরে এসেছেন সেটি খুবই চমৎকার বিষয়। কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানের যে পরিমাণে প্রচারণা হয়েছে সেটি আমাদের সমাজের জন্য কল্যাণকর নয়। কয়েকদিনের টানা প্রচারণায় অনেকেই সেই জুয়া প্রতিষ্ঠানের সাইটের প্রতি আকৃষ্ট হবেন। তাদের কার্যক্রম দেখবেন, এমনকি জুয়ায়ও লিপ্ত হতে পারেন। 

তিনি আরও বলেন, একজন মানুষ যখন ব্যাপক পরিচিত লাভ করেন তখন তার কাছে মানুষের বেশি চাওয়া থাকে। তাকে দেখে মানুষ শেখে। তাই এমন কাজের সঙ্গে সাকিব আল হাসানের চুক্তি করার সিদ্ধান্তটা আরও ভেবে চিনতে নেওয়া উচিত ছিল। সাকিব একজন মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি মসজিদও নির্মাণ করেছেন। তিনি ধার্মিক একজন মানুষ। তার আল্লাহর প্রতি ইমান এবং বিশ্বাস আছে। তাই এমন কোনো কাজ করা ঠিক নয় যেটি মানুষ খারাপ কাজে অনুপ্রাণিত হয়। 

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, সাকিবের মতো মানুষদের যারা অনুসরণ করেন তাদের প্রতিটি কাজ করার আগে ১০ বার ভাবা উচিত। একটি ভুল সিদ্ধান্ত সমাজের ওপর কতোটা প্রভাব পড়তে পারে। প্রতিটি দায়িত্বশীল মানুষের এই বিষয়ে খেয়াল রাখা দরকার। 

মহানবীর (সা.) বক্তব্য দিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজে লিপ্ত হয় এবং যার দেখাদেখি এটার প্রচার লাভ করে, এর মাধ্যমে যত মানুষই মন্দ কাজে লিপ্ত হবে সকলের পাপের বোঝা তাকেও বহন করতে হবে। জুয়া অফলাইন কিংবা অনলাইন যেভাবেই সম্পৃক্ত হন না কেন সেটি কিন্তু হারাম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন